Saturday, 26 January 2019

কবিতার সাথে সহবাস

কবিতার সাথে সহবাস

শ্যামল সোম

পদ্ম পাতায় টুপটাপ শিশির ঝরে,
কবিতা তোমাকে আজও মন পড়ে,
আশৈবের সেই সত্তর বছরের সঙ্গিনী
জননী,রঙিনী  বিষাক্ত শঙ্খচূড়সর্পিনী,
কবিতা আমার শৈশবে খেলার সাথি,
কবিতা আমার কৈশোরের মাতামাতি।
যৌবনে পুষ্প জুঁইফুলের ঘ্রাণ কবিতায়,
সে কস্তুরী গন্ধে,মাতাল মউলের নেশায়।
পঞ্চাশ বছর আগে অলকানন্দার পাড়ে
টাল মাটাল দুলছে সাঁকো শতসহস্র ঝড়ে।
কবিতা নদীর সাথে বেঁধে ছিলেম স্বপ্ন নীড়
সত্তর বছর পরে শত শতসহস্র কবির ভীড়,
আশৈশবের প্রেমিকা কবিতা বিনোদন পণ্য
পাপ পুণ্যহীন কবিতা আজ ধর্ষিতা জঘন্য,
কেউ কেউ হন কবি আত্মমগ্ন জীবনানন্দ।
আজ ও লেখা হয় নগণ্য প্রয়াস ভেসে যায়
অকবিতার ছিন্ন পাতা কাল স্রোতে নর্দমায়।
হাই ড্রনে আবর্জনায় কবিতা পচে গলে যায়।
আজীবন কবিতার সাথে সহবাসের গল্প ভ্রূণ
শব্দ চুম্বনে চুম্বন ওর রক্তাক্ত ঠোঁট, প্রেমে খুন
লাশকাঁটা ঘরে নগ্ন দেহে কবিতা শুয়ে ফাল্গুন।

Wednesday, 16 January 2019

অমল ভট্টাচার্যের ছেঁড়া পাতার ডায়রি

অমল ভট্টাচার্যের ছেঁড়া পাতার ডায়রি

শ্যামল সোম সম্পাদিত

হঠাৎ একদিন যৌবনে কলেজ জীবনে ক্লাস না থাকলে
কলেজ স্ট্রিট এলাকার পুরোনো বইয়ের দোকানে দড়িতে
ঝুলে থাকা " বিভূতিভূষণের  চাঁদের পাহাড়ের পাশেই ঝুলছে
" অমল ধবল চাকরি ডায়রি "

Wednesday, 2 January 2019

মন মোর মেঘের সঙ্গী

মন মোর মেঘের সঙ্গী

শ্যামল সোম

মনের দুর্দান্ত দুরন্ত রনত গতি আলোর
গতির চেয়েও দ্রুত অসম্ভব দুরন্তপনা
মুহূর্তেই পৌচ্ছে যাই বরিশালে প্রাকৃতিক
পরিবেশে কীতৃন খোলা নদী পারে, বসে
আকাশ কুসুমকল্পনা জল্পনা তুঙ্গে।
হিমালয়ের পাদদেশে বহে যাওয়া,
অলকানন্দা মন্দাকিনী স্রোতে ভেসে
যাওয় অশ্রু নদীর আত্মবিলাপ কাব্যে।
গঙ্গা পদ্মা নদীর কাব্য সেতুর আহ্বানে
মূল লক্ষ্য দুই দেশে সম্প্রীতি সহমর্মিতা
প্রেম ভালোবাসা প্রিয়া কবিতা নন্দিনী
সুন্দরের অতিক্রান্ত উদভ্রান্ত এই আমি।
প্রভৃত মিতালি ভালোবাসার চৈতালী
বন্ধনে সুদৃঢ় করার জন্য লেখা কবিতা
সহজ সরল বাস্তব জীবনে অসংগতি।
দরিদ্র জনগনের কল্যাণে নিয়োজিত প্রাণ
নেই, ভালোবাসা নেই, ভূলুন্ঠিত মানবতা।
দৈনন্দিন সাম্প্রতিক সামাজিক বৈষম্য
অবক্ষয়ের নারী নির্যাতন লাঞ্ছনা অগম্য
প্রবঞ্চনা প্রতারণা থামানো যাচ্ছে না।
পুরুষতান্ত্রিকতা এই সমাজে উদাসীনতা,
বহু পুরুষের হাবভাব স্বভাব নষ্ট চরিত্র
নষ্ট  নীড়ে পরকীয়া প্রেমে যেন অতৃপ্ত
বাসনার নিত্য নতুন ছন্দে পরম আহ্লাদে
কাব্য লেখা আর মাঝে মধ্যে ঘরের বউকে
উঠোন প্রাঙ্গনে ফেলে পদাঘাত ঠেঙ্গানো,
কখন অর্ধঙ্গিনীকে সেবাদাসী যৌনদাসী মন্দ
হওয়ার ভয়ে সংসারের কারাগারে, শৃঙ্খলিত
জীবনে বন্দিনী শতসহস্র হতভাগী জননী ।
কাব্য লিখনে মুক্ত বলাকা নিজেকে প্রেমিক
ভাবা অথচ ঘরে নারীদের সাংসারিক শ্রমিক।
নারীদের জীবনের যাবতীয় আশা জলাঞ্জলি,
ভালোবাসার আকাঙ্খা কখন প্রয়াসী নারীর
মন ছুঁয়ে যায় অলস, দুপুরে ঘুঘু ডাকা কাঁঠাল
গাছের, ছায়ায় জুড়ায় একান্ত আপন বিলাপ
মন জীবনের ফেলে আসা স্মৃতি রোমন্থনে হয়।
হে নারী তোমার এই মুক্ত,বলাকা হওয়ার বাসনায়
নারীদের কলমের তীক্ষ্ম শব্দে বিদ্ধ করে যন্ত্রনা।
দেশে দেশে স্বাধীনতা মুক্তি যুদ্ধের অবশেষে
আজ দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ আশু
প্রয়োজন শুধু নারী পুরুষের সমবেত প্রয়াস।
চেষ্টা  না করে মুক্ত বলাকা বিভিন্ন কর্ম 
চত্বরের বকুল পাখি কেউ কেউ আমাকে আমার
মত থাকতে দাও চিৎকার করে, সুশৃঙ্খল জীবন
থেকে  মুক্ত চিন্তা প্রকাশের নামে ধর্ম কর্মে
বিশৃঙ্খলতা  করেছেন অনেকে,বাক স্বাধীনতা
সংগ্রামের যোদ্ধা  ভাবে নিজেকে নিয়েই থাকা।
তোমাদের এই মুক্ত বলাকা হওয়ার বাসনা
স্বাধীনতা মুক্তি যুদ্ধের শেষে আজ দেশ ভারতবর্ষ
গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ না করে মুক্ত
বলাকা বিভিন্ন কর্ম  চত্বরের বকুল গাছে বাসায় পাখি
কেউ কেউ আমাকে আমার মত থাকতে দে না,
গান গাইতে গাইতে, দেশ মাতৃকা সেবা আত্মনিবেদন
না করে মুক্ত বিহঙ্গ উড়তে চায় সুনীল আকাশে।

মৃণাল সেন চলচ্চিত্রকার


মৃণাল সেন চলচ্চিত্রকার

শ্যামল সোম

আমার ভীষণ প্রিয় মানুষ বিখ্যাত স্নামধন্য
মৃণাল সেন বাংলাদেশের ফরিদ পুরে জন্ম
যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন  
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান মন্ত্রী হন, নিজের
জন্মভূমি জন্য গর্ব করতেন, কতবার বলে
ছিলাম দেশ ভাগ নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করুন,
উনি অন্য মনস্ক হয়ে যেতেন।
তখনকার দিনে চলচ্চিত্রকার পরস্পর পরস্পরের
প্রতি শ্রদ্ধা ছিলো।
ঋতিক ঘটক নাটক ও চলচ্চিত্রের চিন্তাভাবনার
প্রশংসা করতেন, সত্যজিত রায় লিখেছিলেন
চিত্র বীক্ষণ আমাদের Cine Central Flim club
পত্রিকাতে যদি, সত্যজিত রায় লিখেছিলেন
যদি ঋতিক ঘটক এর অযান্ত্রিক চলচ্চিত্র টি পথের
পাঁচালি আগে মুক্তি পেতো ঋতিক ঘটক
নব ধারার নব পথিকৃত স্রষ্টা সম্মান পেতেন।

মৃণাল সেন চলচ্চিত্র নির্মাণে ভাষা ও ক্যামেরা নিয়ে
বন্দুকের মতন ব্যবহার দেখি কোলকাতা একাত্তর
চলচ্চিত্র চিন্তাভাবনা নির্মিত তাঁর চলচ্চিত্র
বিভিন্ন সাহিত্যের কাণ্ডারী, বনফুল এর
লেখা "ভুবন সোম, " অন্যান্য সাহিত্যিকদের
লেখা খারিজ, ও এই পদাতিক, ইন্টার ভিউ,
কোলকাতা 1971, Trilogy, periodically
সময়কে ধরতে পেরেছিলেন, আকাল আজ ও
রয়েছে ক্ষুধার্ত হাহাকার  স্পষ্টই প্রতীয়মান
তাঁর নির্মিত, আকালের সন্ধানে অসাধারণ
অভিনয় করেছিলেন স্মৃতা পাতিল।
মিঠুন চক্রবর্তী অভিনেত্রী আদিবাসীদের
সমস্যা নিয়ে চলচ্চিত্র এই "মৃগয়া,"
জাতীয় পুরস্কার পান সর্বশ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র 
শ্রেষ্ট অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী।
প্রমেন্দ্র মিত্র বিখ্যাত গল্প " তেলেনি পোকার আবিষ্কার
এই গল্প নিয়ে কাজ করেছিলেন কবি চলচ্চিত্রকার
পুরনেন্দু  পত্রী।

মৃলান সেন নির্মান করেন খান্ডহার, বিখ্যাত শিল্পী
নাসির উদ্দিন ও সাবানা আজমি অন্যান্য অনেকে।
জ্ঞানেশ মুখার্জি ত মাধবী মুখোপাধ্যায় অভিনেত্রী

দারিদ্র্য আকাল সময়ের চলচ্চিত্র বাইশে শ্রাবণ
আকাশ কুসুম, এ সৌমিত্র চ্যাটার্জি অপর্ণা সেন,
শুভেন্দু চ্যাটার্জি অভিনয় করেন, Black Comedy.
মৃলান সেন  সময়ের সাথে সামাজিক রাজনৈতিক প্রতীক্ষা
নূতন সূর্যোদ্বোয়ের প্রথম আলো আলোয় আলোয় আলোকিত
উদ্ভাসিত হয়ে উঠবে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিই
ছিল মৃলান সেনের সিনেমার নিজস্ব স্বকীয় বৈশিষ্ট্য শৈলী
চলচ্চিত্র চিন্তাভাবনা নির্মিত তাঁর চলচ্চিত্র কালজয়ী হয়ে থাকবে।

সম্প্রীতি


সম্প্রীতি

শ্যামল সোম

দুই দেশের সীমান্ত
মনের কাছাকাছি
মুগ্ধ হয়ে  যারা রয়েছি
বন্দুক হাতে সৈনিকের
পাহারা দেয় কাঁটাতারের
বেড়া, ডিঙিয়ে মন পদ্মা
নদীর পানিতে সাঁতরে
বাংলাদেশের মানুষের
ভালোবাসার আকর্ষণে,
ঢাকায় একুশের চেতনা
ভাষা দিবসে ছুটে যাই।
গিয়ে দুই বাংলার মিতালি
সমবেত কণ্ঠে গান গাহি।
" আমার ভাইয়ের রক্তে
রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি "
" আজি বাংলাদেশের
হৃদয় হতে কখন
আপনি ওগো মা, তোমায় "
দেখে দেখে চিত্ত আনন্দে
আপ্লুত পরম আহ্লাদে মন।
প্রাণের কবিদের কাব্য লিখন
পাঠে মগ্নমন এ মন্তব্য করা
ভাষা নেই, ভালোবাসা বন্ধন।

ভালোবাসার নৌকা ভেসে চলে

ভালোবাসার নৌকা ভেসে চলে

শ্যামল সোম

ভালোবাসার এই নৌকা চলে ভেসে ভেসে
বাণিজ্যের শত পসরা সাজিয়ে দেশে দেশে,
বহু বছর আগে মুক্ত মুক্তি যুদ্ধের পরিশেষে,
বীর মুক্তিযোদ্ধা তাঁর শক্ত হাতে ধরেন হাল,
লাল সবুজের রঞ্জিত পতাকা উড়েছে পাল।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দেশে এ নৌকা চলে,
ভেসে উজান স্রোতে বৈঠা ঠেলে দশ কোটি
মানুষ পরস্পরকে শ্রদ্ধা সহমর্মিতা সহানুভূতি,
সাম্প্রতিক সম্প্রীতি উদ্দীপ্ত দেশপ্রেমিক মুক্তি
যুদ্ধের যোদ্ধাদের বংশধর অস্ত্রে দিচ্ছে শান
স্বাধীনতা রক্ষায় সক্ষম,প্রয়োজনে দেবে প্রাণ।
বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস, শিক্ষা,স্বাস্থ্য, শিল্প উন্নয়ন,
স্বনির্ভর নারী পুরুষেরা সাম্য নীতিতে উন্মোচন
দেশপ্রেম গর্বিত জনগনের কল্যাণে নিয়োজিত,
প্রাণ শত সহস্র নারী পুরুষ কায়িক মানসিক শ্রম
জেলায় জলে গ্রামে ক্ষেতে সোনার ফসল পরিশ্রম।
মৎস্যজীবি খালে বিলে নদী সমুদ্রে মাছ ধরে শত
ট্রলার গুলান,দেশের ভালোবাসার নৌকা চলে ভেসে।

আত্মমগ্ন কবি

আত্মমগ্ন কবি

শ্যামল সোম

অমাবস্যা রাতে জোনাকি পোকার
আলোয় আলোয় আকাশে তারারা
মিটি মিটি জ্বলে নেভে, তক্ষক ডাকে,
অশ্বত্থ গাছের কোঠরে সাপে প্যাঁচা
পরস্পরের প্রেমে নয়নে নয়ন তারা।
নেউল বেজি কাঠবেড়ালি আপন মনে
প্রজাপতি ডানা গুটিয়ে ঘুমায়, ডালে
শাখা প্রশাখায় পাখিদের বাসায় ঘুমায়।
নদীর পাশে বসে শুনি নদীর বহে যাওয়া
ছলাৎ ছলাৎ শব্দ স্মৃতি রোমন্থনে মমনে
চিন্তনে পরী নূপুর পরা পায়ে পায়ে তালে
তালে পা ফেলে নূপুরের ছন্দ তুলে হেলে
দুলে কে এগিয়ে আসছে আঁধারে আচ্ছন্ন,
অসময়ে টুপটাপ ঝরেছে বৃষ্টি পৌষ মাসে,
শীতার্ত রাতে উষ্ণতা খোঁজার তীব্র বাসনা
দু হাত বাড়িয়ে পরীমনি গভীর আলিঙ্গনে
চুম্বনে আস্বাদন লেহন সবই কল্পনায় রঙে,
রঙিন স্বপ্ন মনে হয় পরী তোমাকে প্রথমে 
দেখা কল্পলোকে কবি রোমন্থনে বিচরণ।

আবেদন ,শুভ নববর্ষের শপথ গ্রহণ করুন

আবেদন, শুভ নববর্ষের শপথ গ্রহণ করুন

শ্যামল সোম

শুভ নববর্ষের
সকল নারীদের
শৃঙ্খলিত জীবন
থেকে মুক্তি চাই।
পুরুষের তান্ত্রিক
সমাজের উদাসীন
নির্লিপ্ত নির্বিকার
শোষন নিরযাতন
লাঞ্ছনা প্রবঞ্চনা
প্রতারণা গণধর্ষণ
বন্ধ হোক পণ্য না
ভেবে নারী মানুষ
মর্যাদা শ্রদ্ধা সম্মান
স্বাধিকার আদায়ের
সংগ্রামে বিপর্যস্ত
বঞ্চনা  থেকে মুক্ত,
নিষ্ঠুর স্বামী  বিচ্ছিন্
হওয়ার সুযোগ থাক।
বঁধু হত্যা শিশু নিগ্রহ
বন্ধ হোক, মনুষ্যত্ব
মানবিকতা সপক্ষে
আন্দোলনে মিছিল
মিটিং অনুষ্ঠিত হবে।
ভুললে চলবে না যে
নারী মাত্রই জননী
যার স্তনে দুধ পান করে
শিশু আগামী দিনে ভুলে
যায় কেন অকৃতজ্ঞতা
সাম্প্রতিক সামাজিক
অবক্ষয়ের ছবি সর্বত্র।
জননীর লালন স্নেহ
যত্ন করে পালন করেন
বড় হয় অনেকেই মাকে
দেখে না কস্ট দেয় তাকে
কোন জানোয়ারের বাচ্চা
বড় হয়ে গেলে পাখীমাতা
ভুলে যায়, জননী ঠিক
মনে রাখেন নারীর সেবা
ভালোবাসায় ভরিয়ে প্রাণ
ফিরে বিফলতা নারীদের
অনুপ্রেরণা সহমর্মিতা নিষ্ঠা
সহানুভূতি কাঙ্ক্ষিত সুন্দর
মনের মানুষ সব করতে পারে।
ঐ জন্য মহান স্রষ্টা প্রভুর কাছে
প্রার্থনা করি কল্যাণ হোক জননীর।

ওরা দ্বিজ ধ্বজাধারী

ওরা দ্বিজ ধ্বজাধারী

শ্যামল সোম

কর্তা,জনাব এতই অহংকার
যত সব পুরোহিতদের অনাচার,
বিধান দেওয়ার সময় গোঁসাই
ধরিত্রী মঙলময় প্রভুর সাপুই
অপমান নিজেকে প্রভু মালিক
ভেবে নারীদের শৃঙ্খলিত জীবন
নূপুর,শেকল চুড়িকন্ঠ হার পরণে
দশ হাত কাপড়, লম্বা পোষাকে,
অসতর্ক মুহূর্তে গায়ে বুলোনো
আত্মীয় স্বজন রক্ষক ভক্ষক
তক্ষক সাপের নজর পেলব ত্বক,
মাখনের মতন নধর দেহলতা
আদর করার ছলে ছোবল দেয়।
চুম্বনে চুম্বনে রক্তাক্ত ঠোঁট উষ্ণ
চুম্বন আশায় বুক বেঁধে ঘর বাঁধা
নীড় ছেড়ে বেমালুম বেপাত্তা বর।
বিয়ের আগে প্রেম ভালোবাসায়
শতসহস্র স্বপ্ন আঁকা, নারী অপ্সরী
বিবাহের প্রতিশ্রুতি, তখন অরুন্ধতী,
গর্ভে ধরেছো কি মরেছো হাতভাগী।
ভাতার ভাত দেয় না ভালোবাসার
রঙিন রঙধনু রঙে রাঙিয়ে হৃদয়ে
শেষে নিরীহ নারী বলেকৌশলে ছলে
তিন সত্যি বলে ঘার ধাক্কা কুমারী মা
বাচ্চা কোলে পথে পথে হাঁটছে লাল
বিপথে নিয়ে যাবে কেউ এসে টেনে,
নিয়ে যাবে মুখে গামছা দিয়ে বেঁধে
কিশোরী, তন্বী তরুণী বকুল শিহরিত,
নারীর জীবন পাওয়ার বেদনার ব্যথা,
বহিঃপ্রকাশ নীল কস্ট জ্বলছে পুড়ছে।