Wednesday, 31 July 2019
Tuesday, 30 July 2019
কমরেড আর একবার ঘুরে দাঁড়াও (একক নাট্যাভিনয় )
কমরেড আর একবার ঘুরে দাঁড়াও ( একক নাট্যাভিনয় )
শ্যামল সোম
জেলের এক নির্জন ঘরে লোহার ঘাটে পাতলা বিছানায়
শুয়ে রয়েছেন কমরেড সূর্য রায় যাবতজীবন কারাদণ্ডে রাজনৈতিক
একটি হত্যা কান্ডের যা কোর দিন প্রমাণিত হয় নাই, রাষ্ট্র বিরোধী
সন্ত্রাসী তিনি বিস্মৃত এক হামলায় পুলিশের সাথে এনকাউন্টরে
পায়েগুলি লেগে আহত হন, তখন পুলিশ সেই অঞ্জাত কোন শহরে
আত্মগোপন অবস্থায় গ্রেফতার করে, কমরেড সূর্য রায়কে আইনের বিভিন্ন ধারায়
মামলা সাজিয়ে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন পরবর্তী পর্যায়ে
হাই কোর্টের বিচারে রাজনৈতিক বন্দি হয়ে যবতজীবন জেলে আছেন।
আন্তজার্তিক একটি মানব অধিকার সংস্থা সুপ্রিম কোর্টে কমরেড জন্য
আজ চল্লিশ বছর ধরে মামলা করছেন। খবরের কাগজে টিভি চ্যানেলে
বহু আলোচিত এই মামলা নিয়ে তর্ক বিতর্ক সাক্ষাত্কার প্রচারিত সংবাদ হয়।
পরম নিশ্চিন্তে শিশু মতন মতন গায়ে কম্বল মুড়ি দিয়ে, শুয়ে রয়েছেন কমরেড।
জেলের এ ঘরের উঁচু ফোকর ঘুলঘুল বা উচু জানালা থেকে সূর্যোদয়ের আলো এসে পড়ছে।
আলো এসে পড়ছে ঘরে বিছানায় শুয়ে থাকা কমরেড সূর্য রায়ের মুখে।
ঘরে আছে বিশুদ্ধ পানিয় জল ও গ্লাস ছোট টুলের উপরে রাখা, ঘর সংলগ্ন বাথরুম
ছোট টেবিল চেয়ার, পাশে ছোট আলমারি, দেওয়ালে টাঙানো জামা কাপর ওপাশে কিছু
বইপত্র।
সূর্য রায় এক সময় প্রেসিডেন্সী কলেজের অর্থনীতির মেধাবী
ছাত্র দেশে সরকারী উচচ পদস্থ কর্মকর্তা প্রনব রায়ে ও বেথুন কলেজের
ইংলিশের হেড মাধবী রায়ের এক মাত্র পুতর সূর্য রায়কে আইনের সহয়াতায়
ওনার মামাতো ভাই তাদের ছেলে মেয়েদের আদরের দাদুভাই অজস্র টাকা
খচর করায়, কমরেড সূর্য রায় প্রথম শ্রেণীর রাজনৈতিক আসামীর সুযোগ সুবিধা পান।
বিশেষ অনুমতিতে সূর্য রায়ে রম্য রচনা খুব জনপ্রিয় বিভিনন ইংরেজি বাংলা
দেস বিদেশে ভারতীয় ইতিহাস সামাজিক অর্থনৈতিক মুঘল যুগে আগের থেকে
ধারা বাহিক হবে লিখে চলছেন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিশেষ অনুমোদনে জাতীয়
গ্রন্থগার থেকে ওঁনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে অনেক বই পত্র পত্রিকা আসে।
এখন কমরেড সূর্য রায় আবৃত্তি করছেন জীবনানন্দ দাশের,
"এক অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে -" শম্ভু মিত্র এর আবৃত্তি নেপথ্যে ভেসে আসে।
স্বগত সংলাপ মনোলগ কখন নেপথ্যে আবহাওয়া সুর গান
নানা শব্দ গুলি আওয়াজ বোমের শব্দ, মানুষের আর্তনাদ চিৎকার করে কেঁদে ওঠে
1941 সালের দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ আওয়াজে সাথে ছোট জোনে ইতিহাসের পুনঃ নিরমান নাট্য মুহূর্ত ঘটছে
1943 সালে বাংলায় দুর্ভিক্ষ মনান্তর আবার নাটকিয় ঘটনার অভিনয় মঞ্চে অন্য দিকে ঘটছে।
কমরেড সূর্য রায়ের সূত্রধর অপূর্ব সংলাপে ও বিভিন ঐতিহাসিক পটভূমি পরিবর্তন এর সমবেত অভিনয়
চলতে থাকবে, কখন কোলকাতা GREAT CALCUTTA KILLING, পূর্ব বাংলার গরামে শহরে খুন বাড়ি পুড়ছে, শরণার্থী উদ্বাস্তু গৃহহারা দলবেঁধে মাটির শিকড়ের টান ছিঁড়ে পরাণের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন নিহত হয়েছেন বহু ঘটনা পরম্পরা অভিনয় চলছে একের এক ঘটনা পরবাহ চলচ্চিত্র মতন নানার দৃশ্য
গভীর রাতে দিল্লিতে সবাধীনতার ঐতিহাসিক ভাষন নেপথ্যে শোনা যাচ্ছে।
দেশ ভাগ, কখন গভীর রাতে পালাচ্ছেন স্থানীয় গরামে প্রতিবেশিদের সহায়তায় নৌকো করে।
বাংলার তিস্তা তোষা কংসাবতী ময়ূরাক্ষী পাঞজারে পঞ্চ নদী বহে যাওয়া কুলকুল ধ্বনি
তীব্র গরজন নদীর পাড় ভাঙার আওয়াজ দিকে দিকে ডলভি সাউন্ড এ নাট্য মঞ্চে থেকে
নদী ভাঙার বিস্কোরণ প্রচন্ড জোরে শব্দ মুখরিত নাট্য সভা গৃহে sound প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
Saturday, 27 July 2019
মহুয়া সুন্দরী নাটকের গল্প
মহুয়া সুন্দরী
শ্যামল সোম
ফাল্গুনে কৃষ্ণচূড়া গাছে গাছে লালে রক্তিম পলাশ শিমূল
ফুলে বসন্তের এই মধু মাসে পূর্ণিমায় জ্যোৎস্না রাতে
মহুয়া সাথে অনিমেশে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়, Marriage
Register এসে দুজনে সাক্ষর সাক্ষীদের সাক্ষর নিয়ে গেলেন।
অনিমেশ বিশাল কোম্পানির সেলসে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা কাজের
জন্য আল্প কয়েকদিনের ছুটি মহুয়া নূতন বিবাহের আনন্দে গদগদ,
ঢলঢল চেহারায় বাসর রাতেই স্বামীর আদরে গলে গলে পড়ছে সুখ।
দিখাতে মধু চন্দ্রিমা হটেলে সাজানো ঘরে সমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়ছে।
কোলকাতায় ফিরে বাপের বাড়িতে মায়ের কাছে থাকতে গেলো মহুয়া
সুন্দরী তরুণী প্রেমে পড়েছিলো মদন পাড়ার মাস্তান মহুয়ার স্বপ্নের রাজা,
যৌবনে মদনের সাথে সিনেমা অনধকার হলে, হোটেলে নিশি যাপন সুখের
স্বপন যৌবনে দুজনে ভ্রমর ও প্রজাপতি উড়ে যেতো মদনের বাইকে চোড়ে
ঝাঁপটে ধরে মগ্ন হয়ে ভেসে যেতো মদনের উত্তপ্ত আলিঙ্গনে চুম্বনে নেশায়
আচ্ছন্ন ছিলো কিনতু বিবাহে কোন দায়িত্ব নিতে মদন রাজি হতো না মদন
মুক্ত সম্পর্ক পছন্দ করে তাই শেষ পর্যন্ত মহুয়া সুন্দরী অনিমেশকে বাড়ির
লোকেদের ব্যবস্থা মেনে নেয়।
বাপের বাড়িতে মায়ের কাছে এসে মদনের সাথে জড়িয়ে পড়ে চওড়া বুকে মাথা রেখে
হোটেলের ঘরে নেশাধরা দৈহিক সুখের সাগরে ভাসতে ভাসতে হারিয়ে মহুয়া সুন্দরী।
অনিমেশে বিভিন্ন প্রদেশ অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকায় সামুয়িক বিচ্ছেদ ঘটে মাঝেমধ্যে।
মদনের সাথে মহুয়ার সলা পরামর্শ ষড়যন্ত্র করছে নিত্য নতুন রেঁসতোরায় হোটেলের ঘরে
চলছে আশ্বিন মাসের এক রাতে হাহাকার চিৎকার বুক ফাটা কান্না ভেঙে পড়লো আর্তনাদে
চিৎকারে আলুথালু পোষাকে মহুয়া সাহায্যের জন্য চিৎকার করে কেঁদে ভাসিয়ে দেয় ।
পাড়ার লোকেরা হুড়মুড়িয়ে ঢুকে দেখে অনিমেশ গলা কাটা অবস্থায় পড়ে আছে আর মহুয়া
রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলো।
তিন বছর পুলিশ অনুসন্ধানে জানা গেছে মদনের সহায়তায় মহুয়া সবামীকে খুন করে মিথ্যে গল্প
সাজিয়ে স্বামী হত্যা কাহিনী বর্ণনা ফাঁস হয়ে গেল, বিবাহিতা স্ত্রী মহুয়া এই তীব্র হিংস্রতায় অভাবনীয়
বিশ্বাস ঘাতকের ষড়যন্ত্রকারী মহুয়া ও মদন কোর্ট যাবতজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে।
অনিমশ ও মহুয়া হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নগ্ন সভ্যতা পরিচালনা রচনা ঐশী ভট্টাচার্য
গত চব্বিশে জুলাই নগ্ন সভ্যতা নাটক টি দেখে
ঐশী ভট্টাচার্য এ এক বিরল প্রতিভাময়ী
তাঁর নারী দর্শন জীবন বোধের বহিঃপ্রকাশ
তাঁর লেখা নাটক " নগ্ন সভ্যতা দেখতে আবেগ
থরথর করে কাঁপছি, কখন বলিষ্ঠ দলগত সুশৃঙ্খলা
প্রচন্ড কঠোর পরিশ্রমে দীর্ঘ দিনে মহড়া অনুশীলন
মধ্যে দিয়ে অনবদ্য অভিনয়ে দরশকের জয় করেছেন।
বিভিন্ন ছোট ছোট ঘটনার নাট্য মূহুর্তেকে পরিচালিকার
নানা আঙ্গিকে আবহসংগীত ও আলোক সঞ্চালনায়
নাটকটি একটি উচচ মানের নাটক উপস্থাপন করেছেন।
বিয়ষ একবিংশতি শতাব্দীতে বলা বাহুল্য আজও সুপ্রিম
কোর্টে তিন তালাক নিয়ে শুনানি চলছে।
কন্যা ভ্রূণ হত্যা শিশুকন্যা বিভিন্ন জেলায় সংখ্যা কমে আসছে।
শিশুকন্যা কিশোরী যুবতী বৃদ্ধা পুরুষের লালসার শিকার প্রতি
নিয়ত দিন দিন প্রতিদিনের দৈনন্দিন নারীদের মর্মস্পর্শী হৃদয়ের
ব্যথা বেদনা নির্যাতন অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে আমার ভীষণ
লজ্জা করছিল কখন কাঁদছিলাম নাটক যে আমাকে এই ভাবে
নাড়া দিতে পারে এই পঁচাত্তর বছর বয়সে বৃদ্ধকে কাঁদিয়েছে।
নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা রইলো আমি পরম শ্রদ্ধেয়া ঐশী ভট্টাচার্য
সৃষ্টি করেছেন ব্যালট সমবেত গান নৃত্য অভিনয়ে চোখে বিদ্যুত্
হেনে অঙ্গ সঞ্চালনে আমাদের চব্বিশে জুলাই দুহাজার উনিশ
তৃপ্তি মিত্র সভা গৃহে আসা বিশেষত আমি ঋদ্ধ হলাম অসম্ভব সুন্দর
পরিবেশন করার জন্য আপনাকে ঐশী ভট্টাচার্য ও সবাইকে আমার
আন্তরিক অভিনন্দন শুভেচ্ছা ও ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি কল্যাণ
কামনা করি।পুরুষ তান্ত্রিক সমাজে প্রচলিত প্রথা নারীদের প্রকাশ্য রাস্তায় নারীকে বা রাজ সভায়
দ্রোপতীর চুলের মুঠো করে টানতে টানতে প্রকাশ্যে এনে বস্ত্র হরণ করে নগ্ন চাইছেন।
এই রাজ সভায় উপস্থিত সকল ধৃতরাষ্ট্র কর্ণ গান্ধারী পঞ্চ স্বামী বহু বীর রাজারা কেউ
কোন প্রতিবাদ করেন নাই, আজও যেমন বহু বুদ্ধিজীবী পুরুষেরা নিশঃচুপ কেন কেন ?
পুনশ্চঃ -- থিয়েটার ওয়ার্কার্স রেপার্টারী র আয়োজনে।
বর্ষব্যাপী নাট্য অনুষ্ঠানে।
নাটক টি মঞ্চস্থ হয়েছে
হাসতে হাসতে দেখুন
হাসতে হাসতে নাটক দেখুন
শ্যামল সোম
আজ সাম্প্রতিক বায়ুদূষণ মারাত্মক শ্বাস প্রঃশবাস নিতেই কষ্ট হয়, গাছ কেটে বসতি গড়ে উঠছে
কংক্রিটে জঙ্গল পেরেকের আঘাতে বিজ্ঞাপন গাঁথা গাছ আজ কি বিষবৃক্ষ মতন অবস্থান আমাদের
খুব সাধারন মানুষ অসহায় অবস্থায় পড়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে নিজের অজান্তে তাঁর কিডনি হারান,
না এ নাটকে অসহায় মানুষটি কিডনি মানে বিক্ক নিয়ে নানা মজার ঘটনা হায রস কখন মধুর রসে উত্তরণ
ঘটে এই খানেই পরিচালকের সার্থকতা।
সমকালীন সংস্কৃতি নাট্য সংগঠনে আজ ছাব্বিশ জুলাই 2019 প্রথম অভিনয় হলো দক্ষিণ কোলকাতায়
খুব সুপরিচিত দীর্ঘ বছরের ঐতিহ্যবাহী তপন থিয়েটার পূর্ণ প্রেক্ষা গৃহে দর্শকের নাকের তীক্ষ্ম শ্লেষার্থক
সুলিখিত হাস্য রস মিশ্রিত সংলাপ নাট্য মুহূর্তে গানে সুরে সুরে কমলদার চরিত্রে কমল যাটার্জি ও
বাড়িওয়ালি ভুমিকে দাপটের অভিনয়ে নৈপুণ্যে মনোমুগ্ধকর নাটকীয় মোড় নিলো নাটকে শেষ মুহূর্তে
হঠাৎ সারাক্ষণই নাটক দেখতে দেখতে হাসতে হাসতেই কেঁদে ফেললাম আনন্দ অশ্রু মুছে সকল
দর্শকদের সাথে আমি উঠে দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানালাম আমার বিশেষ স্নেহের পাত্র
নাট্য ব্যক্তিত্ব অভিনেতা পরিচালক আমার ভীষণ প্রিয় সুদীপ্ত সরকার যিনি বিখ্যাত স্নামধন্য কথাশিল্পী
গল্পকারর রমানাথ রায় মহাশয়ের ছোট গল্পের অসামান্য অনবদ্য নাট্য রূপ দিয়েছেন পরিচালক সুদীপ্ত
সরকার তাঁর গল্প নিয়ে নাটযভাষা বেশ ভালো ভাবেই সবদিক সামঞ্জস্য রেখে পরিমিতি বোধ হাস্য
রসের জোগান দিয়েছেন সাফল্যের সঙ্গে সমস্ত নাট্য বিভাগের আলো মঞ্চ আবহাওয়া সঙ্গীত ও সব
শিল্পীদের দলগত অসামান্য অভিনয় প্রশিক্ষণে দীর্ঘ দিনের অনুশীলনের মাধ্যমে প্রথম এই বিষবৃক্ষ
নূতন নাটকের সৃষ্টিকর্তা সুদীপ্ত সরকার যিনি বিখ্যাত স্নামধন্য যথার্থ পরিচলক হিসেবে দায়িত্ব পালন
করেছেন।
প্রতিটি শিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন নিজস্ব নাটকের চরিত্র গুলি পরিচালকের সাথে
একাত্ম হয়ে যাওয়া নাটকের প্রতি নিয়ত জীবনযাপনের বাতাবরণে এমন একটি উপস্থাপনে মুগ্ধ হলাম।
স্বয়ং বিখ্যাত স্নামধন্য গল্পকার রমানাথ রায় নাটকটি বসে দেখেন এবং ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি
আশীর্বাদ ও উত্তর উততর সুদীপ্ত সরকার ও দলের শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে আশা প্রকাশ করেন, দর্শকদের
ভালোলাগা করতালি দিয়ে অভিনন্দন শতসহস্র শুভেচ্ছা জানালেন সমকালীন সাংস্কৃতি নাট্য গোষ্ঠী
ও পরিচালক সুদীপ্তা সরকার শ্রেষ্ঠ ট্রফি উপহার।আমার ভীষণ প্রিয় সুদীপ্ত সরকার দলের সবাইকে
এক বোক ভালোবাসা জানাই।
পুনশ্চ------ পরিচালক ব্যস্ত থাকায় সুদীপ্ত সরকার এর কন্যা আমার নাতনি সাথে ছবি
বাবার গর্বে গড়বিনী।
আত্ম পলায়ন ( এ প্রবন্ধ এ ভুল লিখলে মাফ করবেন )
আত্ম পলায়ন ( এ প্রবন্ধ এ ভুল লিখলে মাফ করবেন )
শ্যামল সোম
শস্য শ্যামলা দেশ আমার আদরের জন্মভূমি
উনিশো পঞ্চাশ সালে ইতিহাসের রক্তাক্ত জমি,
ক্ষমতার মসনদে বসার আকাঙ্খায় দিলো ডাক
সকল দেশের রানী ভারত মাতা তৃ খণ্ডিত হোক,
শুরু হলো জিহাদ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে সহস্র প্রাণ
হুংকার গর্জনে কাঁপে " লড়ছে লেঙ্গে পাকিস্তান,"
"হরে হরে মহাদেব " ত্রিশূল বিদ্ধ হলো শত ভ্রূণ,
জমি দখলের লড়াইয়ের ময়দানে জ্বলে আগুন।
আগুনের লেলিহাণে অসহায় দরিদ্রদের গৃহহীন
লক্ষ লক্ষ মানুষ মানুষের ভয়ে ভয়ে পালিয়ে ক্ষীণ,
আশা নিয়ে জননী ভগ্নী কন্যা স্বজন হারানোর নাদ
ব্যথা বেদনা সহে সর্বস্ব হারিয়ে হাহাকার আর্তনাদ।
তত্কালীন ইংরেজ সরকার বিধ্বস্ত দ্বিতীয় মহা যুদ্ধে
ঔপনিবেশিক শাসনের বদলে অর্থনৈতিক শোষেনের
জন্য আইন করলেন লন্ডনের আইন সভায় হস্তান্তরিত
হলো স্বাধীনতা, অখণ্ড ভারতবর্ষের মানচিত্র ছিঁড়ে তিন
টুকরো হলো জনসাধারণের অগোচরে সংগোপনে
ভাগাভাগি করে পরে উন্মাদের উনমাদনায় তাণ্ডবে
পৈশাচিক নারকীয় আতঙ্কের ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে আছে
অতীতের মুষ্টিমেয় কয়েকজন লোক পাপের বোঝা
টানছে তিন দেশের জনসাধারণ চলে ধর্ষণ হানাহানি
ক্ষুধার্ত মানুষের হাহাকার হাহুতাশ প্রভুর কাছে প্রার্থনা।
সত্তর বছর আগের সে আর্তনাদ শুনি বিস্কোরণে
ভজনালয়ে স্কুলে সাধারণ শান্তি প্রিয় মানুষের মনে।
এ স্বাধীনতা সম্পর্কে সত্যি কি সম্যক ধারণা ছিলো ?
ছিলো অন্ন বাসস্থান বসনপরিধান দারিদ্র্য দূরীকরণ
সংকট বিমোচনে সহায়তা প্রদানে মধ্যবিত্তের এ স্বপন।
স্বপ্ন ভঙ্গের দায়ে প্রতিদিন প্রতি নিয়ত রক্ত স্নাত অক্ষরে
লেখা হয় ইতিহাস, অতীতের কল্কাময় ইতিহাসে অধ্যায়।
ইতিহাস কথা বলে উনিশ ছেচল্লিশ সালের শোক যাত্রায়
পরস্পরের বিরুদ্ধে হাতে নিয়ে খোলা তলোয়ার রক্তাক্ত
স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা শ্মশানের সাজানো চিতায় ওঠে দুঃসময়।
স্বজনহারা বহু পথ অতিক্রম করে শেষে এই শরণার্থীদের
অন্তরে শিবিরের আজ মনে রয়েছি জন্মভূমির শেকড়ের
টানে আমৃত্যু আত্মবিলাপ হাহাকার ক্রন্দসী আত্ম পলায়ণ।
Tuesday, 23 July 2019
প্রেমের অভিলাষে অভিসারে বাসর শয্যায়
প্রেমের অভিলাষে অভিসারে বাসর শয্যায়
শ্যামল সোম
নারীদের ভালোবাসার কাঙালিনী হৃদয়ে
আজীবন অশ্রু বিসর্জন প্রতারিতার ক্ষয়।
প্রতিক্ষণ বিদূৎ চমকে চমকে উঠছে মনময়,
তুমি কি জানো পুরুষ ভালোবাসার আলোয়
উদ্ভাসিত হয়েছে সূর্যোদ্বোয়ের সেই মূর্চ্ছনায়?
নারীদের ভালোবাসা গাছেদের পাতায় পাতায়,
নিরন্তর ভালোবসে ঋদ্ধ হওয়ার আকাঙ্ক্ষায়
আজও নারীর প্রেম ভালোবাসায় ভরিয়ে প্রাণ
মন দেহ সম্পূর্ণ সমর্পণের হয় নারী অগ্রগামী।
নারীর হৃদয়ের প্রেম ভালোবাসার ঘ্রাণ ছড়িয়ে
আকাশে বাতাসে ঘূর্ণী ঝড়ে প্রেমের এ প্রকাশে,
মেঘের গর্জন বিদূৎপর্ণার কটাক্ষে ঝলসে যায়,
প্রেমের সুষুপ্তি পিপাসিত হিয়া সুখের মোহনায়।
প্রেমের এঘণ আলিঙ্গনে কাঁপছে পুলকিত দেহ,
দেহজপ্রেম আকাশেলীনা মেঘবালিকারা ঝাঁপায়
আকাশের বুকে বৃষ্টি হয়ে ভালোবাসার প্রতীক্ষায়।
কোথা হতে ভেসে আসে নূপুরের ধ্বনি নির্জন রাতে
প্রেমের অভিলাষে জ্যোৎস্না লাবণ্যময়ী লাবণ্য হাতে
বকুল ফুলের মালা নিয়ে অভিসারে বাসর শয্যায় মন
উন্মুখ হয়ে রয়েছে কন্যা মিলনের আকাঙ্খা বাসনায়।
Saturday, 20 July 2019
পরকীয়ায় ভাঙা সংসার
পরকীয়ায় ভাঙা সংসার
শ্যামল সোম
আমেরিকা নিউজার্সসি বিখ্যাত কোম্পানির কর্মরত মায়ের অসুখে খবর আটত্রিশ বছরে
বলিষ্ঠ স্বাস্থ্য অধিকারী দীর্ঘকায় সুরঞ্জন ঘোষাল মায়ের বিছানার পাশে পা টিপে সেবারতা তন্বী
তরুণী লাবণ্যময়ী সুন্দরী সুচিত্রা ভট্টাচার্যকে লাজুক চোখ, চেয়ে দেখা শান্তশিষ্ট স্বভাব নম্রতা লজ্জ
সারল্য সুরঞ্জনকে মুগ্ধ করে, সুচিত্রা ডাক নাম নূপুর গায়ে ওড়না ভালোভাবে জড়িয়ে
বলে, " দাদি আমি এখন যাই জামাকাপড় কাছতে হবে "
দাদি সুরঞ্জনের মা বলেন," নূফুর বিকেলে আসিস এই সুরঞ্জন আমার ছেলের চা তৈরী করতে হবে !"
ঘাড় নেড়ে ধীরে ধীরে উঠে মাথা হেঁট করে বহিরে চলে যায়।
মেয়ৈএটি কে মা ?
" তোর ভিক্ষা মা ঐ যে মণি পিসিমার দেয়োরের মেয়ে নূপুর ভালো সুচিত্রা ভট্টাচার্য ঐ যে যিনি আমাদের
পুজো অর্চনা করতেন, ওকে ছোট দেখেছিলি লক্ষী পুজোর ছোট্ট লাল শাড়ি আসতো দশ বার বছরের
ছয় বছর পরে এলি এত বছর পর তোর টাকা আসছে খুলনার এই বাসা মেরামত হলো। "
মা মামণি ওদেশে লম্বা ছুটি চাকরি থাকবে না মা তাই চাকরি ছেড়ে এই বাংলাদেশে
ট্রভেল এজেন্সি খুলবো।
বাবা মা হারা মামার বাড়িতে আশ্রিতা খুলানায় গ্রামের স্কুলে
বার ক্লাস পাশ করে অর্থ অভাবে কলেজে যেতে পড়তে না তাঁর সখের নাচ স্কুল ছেড়ে খুব
কষ্ট মধ্যে আছে, মায়ের বসে সব শুনলো সুরঞ্জন ঘোষাল, বলে, " মা এমন অবস্থায় রয়েছে হাজার মেয়ের
জীবন একই অমর্যাদায় পরের আশ্রয়ে খোঁজে এক ছিলতে নিজস্ব আকাশ কিন্তু পায় কতজন
অসহায় অবস্থায় পড়ে কত ফুল কুঁড়ি হয়েই ঝরে যায় মা !"
খোকন তুই ওকে বাঁচা বাবা
ঠিক মাসে যা লাগে দেবো ওকে পড়াশোনা করতে বলো ছাত্রীবাসে কলেজে পড়বে ।
শুরু হলো সুচিত্রার জীবনে নূতন আলোর পথে যাত্রা, মনদিয়ে কঠোর পরিশ্রম নিয়মে শৃঙ্খল
মেনে চলে বছর বছর ভালো রেজাল্ট করে সবাইকে চমকে দিয়েছে।
মাঝে মধ্যে সুরঞ্জন কোলকাতা থেকে মায়ের সাথে দেখা আসে, নূপুরের জন্য দামী পোষাক
পারফিউম লেদার ব্যাগ পেয়ে নুপুর বলে, " আপনি এত দামি উপহার আনবেন না আমি ভীষন
দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য অভাবে মানুষ আমার লোভ বেড়ে যাবে "
সুচিতরা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়ে এই শৈশব থেকেই কঠিন সংগ্রাম
মধ্যেও, হঠাৎ মনের অজান্তে প্রেম নিরবে আসে।
দুজনে পাশাপাশি হেঁটে যেতে যেতে নদীর পাড়ে গিয়ে বসে সুরঞ্জন শোনে একটি খুব সাধারন মেয়ের
অসাধারণ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন হয়ে আকাশ ছোওয়ার বাসনা পূর্ণ করতে সুরঞ্জনের প্রতি ভালোলাগা থেকে
ভালোবাসা জোরে বলে, " আমি তোমাকে বিবাহ করে কোলকাতায় গিয়ে হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট পড়বো।"
"সে ব্যবস্থা হয়ে যাবে কিন্তু আমাকে বিবাহ করতে চাও কেন কৃতজ্ঞতা এ ভাবে না জানিয়ে
হাসপাতালে কাজে যোগ দিয়ে মাসে এই আরথিক ঋণ শোধ করে দিও,"
সুচিত্রা এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে তার দু চোখে জল টলটল করছে-- শানত গলায় বলে , রঞ্জন আমি
তোমাকে ভালোবাসি বলেই সব সময় চাই তোমার ছত্র ছায়ায় আজীবন থাকবো।
কোলকাতায় হোটেল ব্যবসা শুরু তিন বছরে বিশাল ধনী হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যায় ভালোবাসা সহমর্মিতা সহানুভূতি নেই পারস্পরিক সম্পর্কের আজ সুচিত্রার
অবহেলা ইদানিং এড়িয়ে যাওয়া পরপুরুষে আসক্তি পরকীয়া দেহজ প্রেমের কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই
যেমন আসে ভাঙ্গন আজ তিরিশ বছরের বয়সে ব্যবধানে বিবাহের দাম্পত্য জীবন বিবাহের পর ধীরে ধীরে কোলকাতায় থেকে সুচিত্রার পাখনা মেলে উড়ে বেড়াতে চায় মুক্ত বিহঙ্গ সোনালি ডানার চিল বাইস বছরের বিবাহিত দাম্পত্য ঐ বিপন্নতায় বিষন্নতায় ছায়ায় গ্রাস করে সংসারের সকল দ্বন্দ্ব বিরোধ মাঝে দায়
দায়িত্ব পালন করেছেন অশেষ চেষ্টা করে সুরঞ্জন ভাঙাচোরা সংসার জোড়া দিতে পারলো না একুশ বছরের
মেয়েকে সাথে নিয়ে পালালো কোথায় কে জানে
মন প্রাণ জখম হোঁচোট থায় অসম্ভব ভেঙে পড়েছে সুরঞ্জন তাঁদের বাইস বছরের সংসার তাসের ঘরের মতো
ভেসে পড়লো হুড়মুড়িয়ে ঢুকে বেন জল এখন সুরঞ্জন বেদনা আত্মগ্লানি অপমান সহ্য একমাত্র পুত্র সন্তানে
দেবাশিষের মুখ চেয়ে সুরঞ্জন ছেলেকে দার্জিলিংয়ে কনভেন্ট স্কুল হোস্টেল রেখে পড়াচ্ছেন।
মাঝে মধ্যে সুরঞ্জন কোলকাতায় পুলিশের লালবাজারের সদর দফতরে হাজিরা দেন এ ভাবেই
চলছে জীবন যাপন সুখী হতে চাওয়া সবার ভাগযে জোটে না।
আমার দেশ আজও বাংলাদেশ
আমার দেশ আজও বাংলাদেশ
শ্যামল সোম
যদিও ষাট বছর আগে শরণার্থী গৃহহারা হয়ে
উদ্বাস্তু শিবির থেকে কোলকাতায় পাকা বাড়ি।
তবুও মন যেতে চয় ময়মনসিংহে মুক্তা গাছা
ফুলপুরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলাম সে মাটি
শিকড়ের টানে শত বার যাওয়া আসা প্রিয় এঈ
জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা পিয়াসী মন উন্মুখ ।
খুব কষ্ট হয় যখন বাংলাদেশের সম্পর্ক মন খারাপ
লেখা পোস্ট করা ঠিক কি অপূর্ব সুন্দর সীতাকুণ্ড ।
না না এ হতে পারে না পারে আমি বিশ্বাস করি না
এত রক্তপাত গুমখুন তিরিশ লক্ষ মানুষের এখনে
লাশ ওখানে লাশ লাশের পাহাড় বুড়িগঙ্গা ভাসছে
লাশ, কবি লিখেছেন, প্রয়োজন হলে দেব এক
নদী রক্ত আমাদের সংগ্রাম চলছে জনতার সংগ্রাম--!
হাঁ যাথার্থ ভাবেই তিন লক্ষ মা বোন ভগ্নী কন্যা ও
নাতনিদের আত্ম ত্যাগ তবে কি সব বিফলে গেল ?
না নাবাংলাদেশ আমার ফেলে জন্মভূমি শিকড়ের
টানে বারবার যাই আহাহা কি অপূর্ব সুন্দর ঐ
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এ দেশের মানুষের সংস্পর্শে
এসে শিল্পকলা সাহিত্য কাব্য নাট্য চর্চা নাট্য শাস্ত্র
নাট্য ব্যক্তিত্ব অভিনেতা পরিচালক চলচ্চিত্র জগতে
বলিষ্ঠ চরিত্রের মানুষ বাইশ বছর সনাতনী গল্প সৃষ্টি ,
করতে কেটে গেলো, এখন বাংলা ভাষা সাংস্কৃতিক
বাদ্যযন্ত্র একতারা দোতারা বাজিয়ে বাঁশিতে সুর তুলে
কুষ্টিয়ায় লালন শাহের তিরোধান দিবসের অনুষ্ঠান
নবদ্বীপের বাউল গান গাহিছে " না না ছেড়ে দেবো না
ছেড়ে দিলে সোনারর গৌর আর পাবো না," বীরভূমের
বাউল গাঌহিছেন " দিন থাকতে দিনের সাধন
কেন করলে না, সাধন হলো না --!"
সময় গেলে সাধন হবে না," বসন্ত উৎসব, পয়লা বৈশাখ,
একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা শহীদদের স্মরণে দিবসে আগের
দিনে রাত থেকেই চলেহাতে হাতে মালা ফুল ফুলের স্তবক
অর্পণ করতে দলে দলে চলে মিছিল বাংলাদেশে আজও
আমার স্বদেশ প্রিয় দেশ মঙল হবেই মহান স্রষ্টা প্রভুর কাছে প্রার্থনা ।
আজ বড় দূঃসময়
আজ বড় দুঃসময়
শ্যামল সোম
আজ প্রাণ খুলে হাসতে ভুলে গেছি যে কবি
সম্প্রতি সামাজিক এখন অবক্ষয়ের এ ছবি,
পথে পথে পলাতকা বিতারিতা জননী গৃহবঁধু,
মুখ বুজে সহ্য করা কোন উপায় নেই জবুথবু ।
অতযাচার নির্যাতনে অকথ্য অত্যাচারে অতিষ্ঠ
শত সহস্র নারী শিশু কিশোরী যুবতী সর্ব কণিষ্ট
নানা বয়েসে বিকৃত মনস্ক মানুষের যৌনকাতরতা
পরোক্ষ সহায়তা নারীদের প্রতিক্ষণেএ সহিংসতা।
শতসহস্র রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয় আত্মহননে
হত্যা দগ্ধ পোড়া গন্ধ পাই ধর্ষিতার দেহের পচনে।
দিন প্রতিদিনই নতুন নতুন অঘটন তবু মনে আশ।
শত দরিদ্র পরিবারের পাশে কতজন আছে বাসা
বন্যায় ভাসিয়ে নিয়ে শত সংসার রয়েছে, অসহায়
কত নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে পাড়ের মাটি যায়
ধ্বসে ধ্বসে যাচ্ছে মাটি গাছ গাছালি ভরা বর্ষায়
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুঁজে কি আর কখন পাওয়া যায় ?
আজ কাল এই ভয়ঙ্কর মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশে দূষণে
শিশুদের শৈশবৈ বৃদ্ধের শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে প্রাণে।
সমাজে পাড়া পাড়ায় সদলবলে বেড়িয়ে আসে মস্তান
দুষ্কৃতী কাজে লিপ্ত অসামাজিক অবৈধ কাজে ফাঁদে
ফেলে কার্য জড়িত রয়েছে, দাপটে অতিষ্ঠ নগরবাসী
আমরা কি সমবেত কণ্ঠে প্রতিবাদ জানাতে পারি না?