Tuesday, 15 October 2019

প্রেমের চিরকুট চিঠি

প্রেমের চিরকুট চিঠি

প্রমিকা  মৌমিতা

মৌমিতা স্বপ্ন নয় আমি ফিরছি ফিরে
তোমার ঐ গাঁয়ের বাড়ির পথে  ধীরে
সুস্থে রিক্সা চড়ে দুপাশে ধান ক্ষেত দূর
নীল আকাশের বাজে মেঘ খুশির সুরে।
আমার মিতা তুমি আমার ভালোবাসা
কোলকাতা তোমার এত  কাছে আশা,
তুমি ভোরের আকাশে জ্বলন্ত শুকতারা
তোমার ঐ প্রেমে পড়ে আমি দিশেহারা।
ভালোবাসা হীন এ জীবনের তীব্র দহণ
যুগল উষ্ণ আলিঙ্গনে চুম্বনে জুড়ায় মন,
জীবনের ঝরাপাতা পাতায় জীর্ণ জীবন,
মনে কোনে জমে থাকা অভিমান প্রবণ
আবেগে আত্মহত্যা পূর্ব মুহূর্তে এ শ্রবণ
আমাকে ফেরায় তোমার অমলিন কথন।
মৌমিতা স্বপ্ন দেখি নদী পাড়ে বসবাস বন্ধন
বাঁধবো প্রেমের কুড়ে ঘরে চাঁদের আলোয়
আলোয় আলোকিত প্রিয় মানুষের প্রণয়।
তুমি আর আমি  দুজনে মিলে ভালোবাসায়
আমার তোমার জীবনে ঐ স্বর্গ সুখে উত্তরণ,
চিরস্থায়ী আমাদের মাতাল পরেমের বন্ধন।

ইতি
তোমার আদরের শ্যামল সোম

আমার দূর্গা

আমার দুর্গা

শ্যামল সোম

আমার  দূর্গা কবি মল্লিকা সেনগুপ্ত,
কলমের শাণিত হাতিয়ার,  ঘৃণ্য সুপ্ত
যৌন অত্যাচারে বীরপুরুষের নির্লিপ্ততা
রাজসভায় দ্রোপতি নগ্ন শরীর দর্শনের
বাসনায় লালসায় হিংস্র জন্তু উদাসীন।
মনিপুরের মা, স্তন সূর্য দায়িনী জননী,
তিন তালাক উচচারণে সন্তান নিয়ে এই
পুরুষ তান্ত্রিক সামাজিক বিধানে গৃহহীন।
আমার দূর্গা বারবনিতা পুরুষে মনোরঞ্জন
চোখে কাজল এঁকে প্রতি রাতে বাসর শয্যা,
যৌন কর্মী বেআইনি পাড়া খাল পারে লজ্জা।
আমার দূর্গা গণ ধর্ষণে বিচারষ নাহি পায়,
আমার দূর্গা আজ লাঞ্ছিতা ঘরে সংসারে
জননীরা নিয়ত  পুত্র সন্তানদের অত্যাচারে ,
আমার দূর্গা স্বামী পরিত্যক্তা দুঃস্থ মহিলা
অসহায় একটু আশ্রয় খোঁজে সন্তরণে ঢোবে।
পাড়ায় পাড়ায় মঙ্গলা বাসুন মাজে ঘরে মোজে
ঘরে নব বঁধু পণের বলি, আত্মহত্যা করে ফাঁসে।
আমার দূর্গা প্রকাশ্যে রাজ রাতে পথে নির্যাতিতা,
বিতারিতা জননী পথে পথে হাঁটে একটু আশ্রয়
খোঁজে, বাংলাদেশে আমার দূর্গা তিনি রাষ্ট্র
শাসন করে, দেশ বিদেশের বাণিজ্য,শিল্প গঠন,
শিল্প ও সংস্কৃতি ধর্মীয় রীতিনীতি মমনেচিন্তন
মায়ের মতন শাসন করে, সে মমতাময়ী, জননী
মা মাটি মানুষের জন নেত্রী এ বাংলায় জমিনে
তিন স্তর থেকে ফোটাতে চান ফুল ফুলে ঢলে
ঢলে ফুলে ভরা থাক সম্প্রীতি সহমর্মিতা প্রেম।
ভালোবাসার নেয় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেণ,
" ধর্ম যে যার উৎসব সবার " সবার উপরে
মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই, মন ছুঁয়ে যায়
আমার দূর্গা কবি কৃষ্ণা বোস যখন উদাত্ত
দীপ্ত কন্ঠে নিজের কবিতা নিজেই আবৃত্তি
করেন, মেয়ে মানুষের লাশ, ফুল্লরার বার
মান্য মাস আমার দূর্গা স্বামী বিতারিতা হন
আপন সন্তান নিয়ে আপন জীবন সংগ্রামে
একা একা সন্তানের তরে  পিচ্ছিল  পথে চলে।

আমি কেন নষ্ট মেয়ে নাটকের গল্প

আমি কেন নষ্ট মেয়ে  নাটকের গল্প
শ্যামল সোম
শতসহস্র জন্মের পাপ আমাদের মত অনুন্নত পতনশীশ দেশে দরিদ্র পরিবারের
আমি নীরা দাস পরিবারের বড় কন্যা, পরগাছার মতন, আজও সামনত্র তন্ত্র পালা
এই যাত্রা শুরু হয়েছিল পাঁচ ভাই বোন ও দাদি নিয়ে মায়ের আপ্রাণ চেষ্টায় সংসার
চেয়ে চিনতে কখন কাকু জেঠু দাদুদের সাহায্যে বিনিনয় ভর দুপুরে বৃষ্টি হচ্ছে ঘরে
মাকে গিলে খাচ্ছে জান্তব পুরুষ, আমি অনেকদিনের জানা ঘটনাদেশের বৈপ্লবিক চেতনার উত্তরাধিকার  তুমি আপনারাই নাটক হাতিয়ার নিয়ে উপহার দিতে যাচ্ছি সাহায্য করতে হবেই একুশে  ফেব্রুয়ারির ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও এইসব নাটক একক বা সাথে আপনাদর কাউকে পাবো  তোমার গুণমুগ্ধ আমি অশেষ শুভেচ্ছা ভালোবাসা নিও,  সবাইকে বিলিঠঠঠ আগামী উনিশে এপ্রিল মাসে 2020 সালে প্রিয় রবিবার মুক্ত অঙ্গনে রঙ্গালয়ের, শ্যামল সোমের ছোট ছোট  অনু নাটক মঞ্চস্থ হবে তিরিশবছর পরে তোমাদের নাটক প্রতিদিনই  দেখতে দেখতে এও জেন তোমাদের নাট্য সংগঠনের কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমে দৈহিক ও মানসিক এবং আর্থিক সহায়তা নেই, দাঁতে দাঁত  চেপে আজ দেওয়ালে যখন ঠেকেছে পিঠ, এই নাট্য সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখে সম্বিত ফিরে পেয়ে রক্তাক্ত করেছি হৃদয়, রক্তের অক্ষরে লিখেছি দেশভাগে গ্লানি যন্ত্রণা আজীবন বেদনা এখন আবার শোনা যাচছে দামামা কতবার  " শরণার্থী " হবো এই ডিটেনশন কাম্পে ছেচল্লিশ সালে দাঙ্গা পরে তাড়িত জন্তু মত আবার কি খুঁজতে মরিচ ঝাঁপি দ্বীপ। দ্বিতীয় নাটক লোরকার স্মরণে "কমরেড ফিরছি আমি " তৃতীয় নাটক বন্য কন্যা  নারী পণ্যা সাম্প্রতিক সময়ে অসহায় এক ক্রীতদাসী  মুক বধির নয় এক বন্য  মেয়ে যাকে কিনে যৌন ক্রীতদাসী কমলাকে ওর নিজের বাপের কাছ থেকে টাকা দিয়ে জঘন্য ঘৃর্ণ বিক্রিত যৌন আকাঙ্খা মেটাতে নির্মম অত্যাচার নির্যাতন অসহ্য বযথা পেয়ে চিৎকার কাঁপছে ক্রোধে  সহসা মেয়েটি আঘাত করতে করতে শেষে হত্যা করে কাঁপছে তার শরীর।চ চতুর্থ নাটক -- উদাসী বাউল সনাতন বাউল মুসলিম তালাক প্রাপ্ত অল্প বয়সি বাতাসী শ্রীনাথ বাউল তিনটি চরিত্রের বিভিন্ন প্রসঙ্গে অবিশ্বাসের জীবন দর্শণ বাউলতত্ব দেহতত্ব বহুদিনের সাধনায় সনাতন সিদ্ধ বাউল সম্রাট ভবিষ্যতের প্রজন্ম কতজন ঠিক মানুষ? কাল মহাকালের অতলে ডুব দিয়ে তুলে আনবো  অমৃত। শ্যামল সোম শরণার্থী শিবিরে আশ্রিত আমরা দুষ্কৃতীরা ঢেকে কালো কাপড়ে অস্ত্র হাতে হায়না মত খুঁজছে দেহী আত্মা। আমি সন্ত্রস্ত ভয়ার্ত চোখে দেখছি বোমা বন্দুকের গুলি আওয়াজে মানুষের আর্তনাদ চিৎকার কান্না বুলেট শব্দে মৃত্যু মৃত্যু মৃতের স্তূপ। ঝুপঝাঁপ দোকান বাড়ির দরজা বন্ধ মানুষ মানুষের ছেচল্লিশ সালে দাঙ্গা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তিই একালের কন্ঠ ধর্ম ধ্বজা যে যার মত এস এল আর বর্ষা বল্লম মাইন এ হচ্ছে ঐ বিস্কোরণ জনে জনে লাইনে দাঁড়িয়ে সেই শরণার্থী আবার গর্ভ পাত শরণার্থী শিবিরে আশ্রিত ঐ তো আমার পাশেই ঠাকুরদা বড় জারতুত দাদা বৌদি ভাইজি মনমিয়া সোফিয়া সেলিম আবদুল চাচা লতিফ সিদ্দিকী এবং মানুষের দল দলে দলে দলাদলি রহমত নাকি সে জঙ্গি আমার শরীর কাঁপছে দাঠাকুর দেশ ভাগ দাঙ্গা মানুষের শেষআর্তনাদ ওদিকে হুংকার আস্ফালন মৃত্যু মৃত্যু মৃত্যু মৃত্যু মৃত্যু মৃত্যু মৃত্যু মৃত্যু মৃত্যু মরণ, শতসহস্র শরণার্থী আমরা আজ কো থা য় যাপন পনের বছরেই
পাড়ার কুকুরের মতন দাদা কাকু, জেঠু কলে বসিয়ে কুড়ি থেকে ফুল ফোঁটাতে চায়।
ছোটবেলা থেকেই দেখছি বাড়িতে এসে ট্রাক ড্রাইভার বাবা আকণ্ঠ মদ গিলে গালা
গালি গালাজ রেগে গিয়ে মাকে মারধোর করতো, আশ্চর্য হতাম এত মার খাওয়ার
পর পাশের ঘরে যৌন শিৎকার ধ্বনি ভেসে আসতো আঁসটে গন্ধ যৌনতাই কি জীবন?^^
হঠাৎ আকস্মিক ভাবে বাপ একদিন এক মাঝ বয়সী লোকটা দেখেই বুঝতে পারলাম
ষোড়শী আমাকে বিক্রি করতে চান নিজে জন্মদাতা পিতা হায় কপাল খারাপ আমার।
সে রাতেই ফেস বুকে বন্ধু ভীষণ ভালোবাসে যোগাযোগ করে মালদাথেকে আসিকে
সাথে  পালালাম।
কোলকাতায় আসিকের এক দিদির বাড়ি পার্ক সার্কাসের গিয়ে উঠালাম হাঁফ ছেড়ে
স্বপ্ন দেখতে দেখতে থাকি।
চারদিন পরে মৌলবী আমাকে ইসলাম ধর্মে ধর্মারিত করলেন কলমা পড়িয়ে আমার
নাম না লা থেকে নাম হলো মুসকান, লাল রঙের নূতন লেহেঙ্গা লাল চোলি নীল ওড়না
সেজেগুজে নিকা হলো পর্দার আড়ালে কবুল কবুল কবুল বললাম, আমি ও আসিক
নিকা মামাতে  সাক্ষর করলাম দুজনে, বাসর রাতে স্ত্রী হয়ে আসিকের কাছে নিজেকে
উজার করে দিলাম নদীর বন্যার পানিতে দুজনে মিলে ভালোবাসায় স্রোতে ভেসে যাই।
যথারীতি শুরু হয়েছে অশান্তি বস্তি ঘরে একাই থাকি আসিক দেখা নেই, আমি দিশেহারা
কি করবো পড়াশোনা দশম শ্রেনীর ছাত্রীকে কে কাছ দেবে কাপড় দোকানে সেলেস গার্ল,
মেসেজ পার্লার থেকে এখন আমার  এজেন্সি নাম লিখেয়ে কল গার্ল প্রতিযোগিতা নেমেছি।
হঠাৎ আকস্মিক মোবাইল ফোন বেজে উঠলো নির্দেশ এলো মেটিয়াবুরুজর ঠিকানায় এসে
ঘরে ঢুক চমকে গেলাম আসিককে দেখে বিস্ময় অবাক হয়ে আসিকের দিকে তাকিয়ে আছি।

Saturday, 12 October 2019

কাঁটা শ্টট ফিল্ম

https://www.facebook.com/333839047485714/videos/337574210254765/?sfnsn=scwspmo&d=n&vh=e

Monday, 7 October 2019

ঝরে গেছে অকালে

ঝরে গেছে অকালে

শ্যামল সোম

যে গোলাপ ফুলের মতন একটা মেয়ে
ভালোবাসার আঘাতে অকালে ঝরে
গেছে তাঁর খবর কে রেখেছে জানি না।
কত অভিমান, প্রেমিকের বিকৃত যৌন
বাসনায় লালসায় হঠাৎ আকস্মিক সে
আক্রমণে করে চেনা মানুষ অচেনার
কাছে যৌন নির্যাতনে লাঞ্ছনায় দু চোখে
জল বহে যায় সমান্তরাল ভাবে ধর্ষণ চলতে
থাকে, ব্যথা বেদনায় নীল গাঢ নীল মৃত্যু
ডাকে তাকে আয় মেয়ে আয় ফিরে আয়,
রক্ত লালা ভালোবাসার রঙ লালে লাল--
হয়ে যায় নগ্ন শরীর, আত্ম গ্লানি নিয়ে উঠে
বসে মাতৃযোনি রক্তাক্ত অবস্থায় উঠে ধীরে
ধীরে দাঁড়িয়ে হাঁটতে হাঁটতে রান্নাঘর থেকে
কেরোসিনের জার নিয়ে  বাথরুমে ঢুকে
সারা নগ্ন শরীরে কেরোসিন ঢেলে দেয়
তারপর দেশলাই কাঠি জ্বালিয়ে দেয় মেয়ে।
দাউ দাউ কোরে জ্বলছে আগুন ধরিয়েছে
সে মেয়ে ভালোবাসার আঘাতে আহত হয়ে
অকালে ঝরে গেছে নাম তার নন্দিনী।

মন প্রাণ করে হাহাকারে কিছুই না হওয়ায় বা
হওয়ায় কি বা এসে যায় আমি খুবই গণ্যমান্য
লোক নই, নেই কোন ক্ষতি ক্ষোভ আমার কিছুই
হলোন না যে জলে জ্বলছে আগুন ধরিয়ে গেছি
এবার মানবিকতার জয়গানের মশাল বহে নিয়ে
যেতে হবে পৃথিবী পরিক্রমায় কত আশা ছিলো
কবি সাহিত্যিক হওয়ার হলো না হলো না বৃথা
গেল এ জীবন মেঘ করে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ হেথা
হতে ফিরে যেতে হবে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে ববে।

আমার আদরের মিলা

আমার আদরের মিলা,

শ্যামল কে আজ ,ভুলে গেছো ভুলে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়,
কোথায় বাংলাদেশ কতদূর কোলকাতা থেকে মৈত্রী ট্রেনে
বার ঘন্টা লাগে। যখন দেখি দেখি জোছনায় আকাশে পূর্ণিমা
রাতে চাঁদ মনে হয় ঐ আমার বড় আদরের মিলা বলছে " সোম
কেমন আছো ?"
আমি ভালো নেই মন খারাপ করে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারার মত
শুয়ে আছি তুমি পাশে বসে আমার কপালে জলপটি দিচছো।
সারা গায়ে হাত বুলিয়ে দিয়ে বলছো ঘুমিয়ে পড়, আমি পাশে বসে
আছি, আমি তিনবছর আগে ফিরে যাই তোমাকে পাওয়ার জন্যে
প্রস্তুত হয়ে ঢাকায় থাকা কালিন তুমি এলে আমার ঘরে দুপুরে বৃষ্টি
ঝড় ওঠে বাজ পড়তেই আমাকে জড়িয়ে ধরে থরথর করে কাঁপছো।
আমি তোমার লমবা চুলে মুখ গুজে খুঁজছি কারণ ভবিষ্যতের ভাবনা
তোমাকে নিয়ে কোলকাতা পালাবো।
আমার আদরে আদরে গলে পড়ছো অস্থির হয়ে ছটপট করছো।
আমি ধীরে ধীরে তোমার শরীরে সারোয়ার কামিজ অন্তবাস পেনটি
খুলে দিলাম নগ্ন শরীর মেঘলা দুপুরে বৃষ্টি হচ্ছে খুব ইচ্ছে করছে খুব।
তুমি এসো বলে আমার পায়জামা পাঞ্জাবি খুলে জাঙ্গিয়ার খুলে দিতেই
আমার শক্ত লম্বা লিঙ্গ দেখে হাসলে হাতে ধরে আদর করলে মুখে নিয়ে
চুসছো, আমি তোমার যোনিতে জিব দিয়ে চাটছি জিব ঢুকিয়ে দেওয়ায়
তুমি যৌন উত্তেজনায় নকের আঁচড়ে আঁচড়ে কাম উততেজনা বাড়ছে।
নগ্ন স্তনে জিব দিয়ে লেহণ করছি, স্তনে খয়েরি বোটা চুষে স্তন চুষছি।
তুমি যৌন উত্তেজনায় নাকে ঘণঘণ শ্বাস নিতে নিতে বললে, আর পারছি না,
এবার এসো, আমি যোনির গর্তে ধন ঘষতে থাকি তুমি হাত আমার বাঁড়াটা
জোর করে তোমার যোনি ভেতরে ঢোকালে গরম পিচ্ছিল যোনি পথে অশ্বারোহী
মতন ঠাপ ঠাঠিয়ে চলছি তিন বার রাগ মোচন জল ঘসে গেল দুজনে ঘেমে নেয়ে উঠি।
শেষে ঠেলে সড়িয়ে দিলে হাঁফাচছো। ক্লান্ত হয়ে দুজনে পাশাপাশি শুয়ে আছি।
পররদিন অনেক সময় তোমার জন্য অপেক্ষা করছি কোলকাতায় নিয়ে গিয়ে বিবাহ করবো।
হঠাৎ  আকস্মিক মোবাইল ফোন বেজে উঠলো, কাঁদতে কাঁদতে বললে, " সোম তুমি একাই ফিরে যাও।
আমি বাংলাদেশ মা বাবাকে ছেড়ে চলে যেতে পারছি না, ক্ষমা করে দিও,আমি নিরুপমা।"
আমি ব্যথা বেদনায় রাগে দূঃখে এক বোতল মদ কিনে নিয়ে হোটেলের ঘরে এসে মদ গিলতে
গিলতে কাঁদছি।
মিলা আমার আদরের মিলা তোমাকে না পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি চলে যাচছি দূরে
আফ্রিকায় সংবাদ সংস্থা কাজ নিয়ে।

ভালোবাসা আদর চুম্বন নিও

তোমার হতভাগ্য  শ্যামল সোম।

Friday, 4 October 2019

প্রেমের বন্ধন

প্রেমের বন্ধন

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য ঘটনা নাটকে জন্যে লেখা 
রেশমি সিদ্দিকী গোঁড়া রক্ষণশীল সৈয়দ বংশের
বড়ির আভিজাত্যের প্রতীক মামাজান মসজিদে
ইমাম সাহেব কাশিম মোল্লা এই ক্যানিং অঞ্চলে
বিখ্যাত স্নামধন্য ব্যক্তি পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় কমিটির
চেয়ার ম্যান সমাজে গন্নি মান্নি ব্যক্তি সফলভাবে সম্পন্ন
করেছেন  হজ যাত্রা করছেন।
হাজি সাহেবে প্রচন্ড প্রতাপ গাঁয়ে তাঁর কথাই শেষ কথা।ঐ
তিনি তাঁর একমাত্র  ভাগ্নি রেশমিকে ভীষণ ভালোবাসেন।
রহমান সিদ্দিকি ও আমিনা বিবির কলিজার টুকরা ঐ
পরীর রূপ অত্যন্ত বুদ্ধিমতী মেধাবী পর্যবেক্ষণ শক্তি দায়িনী
তিনি ছেলের পর মহান আল্লাহ্ কৃপায় এই কোহিনুর রেশমিকে
বাড়ি আলো করে পয়েছেন।
শৈশবকাল থেকে ছড়া কবিতা রবীন্দ্রনাথের গান ভাটিয়ালি
লালন সাঁইজ  , " খাঁচা ভিতর অচীন পাখি ক্যামনে আসে যায় "!
গান শুনে হাজি সাহেবের মামুজানের চোখে পানি এসে গেলো।
তিনি পাঁচ হাজার টাকা বোন আমিনা হাতে দিয়ে বললেন, আমিনা
ধন্য ধন্য তোর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কায়েম করা খোদাতাল্লা তোরে
জগতের আলো কহিনুর উপদার দিয়েছেন এঁরে শিক্ষিত করতে হবে,
ঘোর অশিক্ষা আজও মুসলিম সমাজকে পেছিয়ে রাখছে।
গাঁয়েরবাড়িতে ঠাম্মা আদর ঠেলে উচচ শিক্ষার জন্য খালা বাড়ি ঐ
পার্ক সার্কাস হাইকোর্টের এডভোকেট সামসের হোসেনের বাড়িতে
দুই দিদি আর ছোট ভাইয়ের সাথে রেশমি হাইস্কুলে ভর্তি হয়ে মাঝে
মধ্যে বড়দি উষা উৎসাহে ছড়া কবিতা লিখছে ও ছোটদি মিতালিদির কাছে
হাতে কত রকম কাজ কার্ড ডিজাইন করা বুটিক প্রিনট শিখছে, উষাদি
যাদবপুরে ইংরেজি ভাষায় অনার্স পড়ছেন, মিতালিদি ফ্যাশন ডিজাইনার
হওয়ার জন্য সল্টলেকে  নিমস এ কলেজে পড়ছে।
হায়ার সেকেন্ডারি পাশ করে যাদবপুখ মাস কমুনিকেশন ইংরেজি সাহিত্য
ভরতি হওয়ার সময় পারিবারিক বিশাল সমস্যা দুর্যোগ অগ্রাহ্য করে খালামনি
খালু এডফোকেট যুক্তির সমনে সবার আপত্তি ধূলিসাত্ হয়ে গেলো।
ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের   সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্র  শুভঙ্কর চক্রবর্তী
সাথে বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো।
তিন বছরে বানধবী থেকে প্রেমিকা অপরূপা নারী রেশমি সিদ্দিকী কবি হিসাবে স্বীকৃতি
আর শুভঙ্কর চক্রবর্তীর প্রেমে পড়ে ডুবছে রূপসা নদীর স্রোতে ভেসে যাচ্ছে।
পরুষ আর নারীর মধ্যে বিস্তর ফারাক প্রেমের ব্যাপারে নারী হৃদয়ে স্পন্দন বেড়ে
সমুদ্রের ঢেউয়ের আকার নেয় বা খরস্রোতা পাহাড়ি নদীর মতন আশপাশের বাঁধা
বন্যা দুরন্ত গতিতে দুকূল ভাসিয় উজান স্রোতে সাগর শুভঙ্করচক্রবর্তী তাঁর গন্তব্য।

দুবছর পরেই শুভঙ্কর চক্রবর্তী মামা হোসেন সাথেই হাইকোর্টে মামলা লড়েন
দুজনের বন্ধুত্ব অনেক দিনের।

দুজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীপুরুষ যদি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কেউ বাধা দিতে পারেন না।   

বাস্তব বড়ি কঠিন হাজি সাহেব রেশমি মামুজান আব্বু রহমান সিদ্দিকি
আমিনা বিবির আপত্তি সত্বেও গুন্ডা পাঠিয়ে শুভঙ্কর চক্রবর্তীকে খুন করতে
সুপারি দিয়েছিলো, রেশমি উষাদিদির চিৎকার শুনে ওরা পালাবার আগে ছুরি
দিয়ে আঘাত করে রেশমি নিজের ওড়না ছিঁড়ে তাড়াতাড়ি যত দূর সম্ভব ব্যান্ডেজ
বেঁধে নারসিং হোমে ভর্তি হয়ে সুসথ হলো।