Thursday, 11 January 2018

প্রেমের কবিতা গুলি

কাঁটাতারের বেড়ার এপার বাংলা থেকে
ওপারে, দূরান্ত প্রেমের ঢেউয়ে জলোচ্ছ্বাস ভেসে
যায় দুটি মন সে কোন স্বপ্নে নিরুদেশে গমণ?তোমার আমার হৃদয়ের স্পন্দন

শ্যামল সোম

সমুদ্র সৈকতে কাছাকাছি বসে
ছুটে আসা ঢেউয়ে আঁচড়ে জ্বলে
উষ্ণ যুগল শরীরের যত উত্তাপ
তুমি আমার হাতে রেখেছো হাত,
দুই হৃদয়ের স্পন্দনে জল প্রপাত।

তুমিই কবিতা আমরা খুবই কাছাকাছি আছি

শ্যামল সোম

তোমার ঐ হৃদয়ের উষ্ণতায় কম্পন
উষ্ণ আলিঙ্গনে কাব্যে শব্দে এ লিখন
অক্ষরে অক্ষরে আছি নীল ঐ পদ্ম
ফুটছে দেহের সরোবরের স্বাদ গ্রহণ।
কবোষ্ণ কাব্য বিন্যাসে ছন্দময় প্রাণ
উচ্ছল তন্বী অনন্ত যৌবনা কবিতার
নগ্ন  চিত্রকল্প নব নব রূপে জন্ম হয়।
ছন্দের বিমূর্ত শব্দে নূপুর ছন্দ ছন্দে
আনন্দে লিখন সুখের এই অনুরোরন
মাঝে তবু তোমাকে খোঁজে সারাক্ষণ।
কিন্তু নিশ্চয়ই আমরা সমাজ বদ্ধজীব
সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়মে বাঁধা রয়,
এই আমার সব শব্দের অক্ষরে প্রেম হয়
এই বৃদ্ধ এ বয়সের গন্ডি ছাড়িয়ে সময়
অসময়ে কাজে ফাঁকে চারুলতার তুমি
সজল চোখ ভেসে উঠে মনের মুকুরে।
হায়! ভালোবাসা কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে
এপারে প্রেমের দীর্ঘশ্বাস এপারে হাহুতাশ।

প্রেমের কবিতা গুলি

কাঁটাতারের বেড়ার এপার বাংলা থেকে
ওপারে, দূরান্ত প্রেমের ঢেউয়ে জলোচ্ছ্বাস ভেসে
যায় দুটি মন সে কোন স্বপ্নে নিরুদেশে গমণ?তোমার আমার হৃদয়ের স্পন্দন

শ্যামল সোম

সমুদ্র সৈকতে কাছাকাছি বসে
ছুটে আসা ঢেউয়ে আঁচড়ে জ্বলে
উষ্ণ যুগল শরীরের যত উত্তাপ
তুমি আমার হাতে রেখেছো হাত,
দুই হৃদয়ের স্পন্দনে জল প্রপাত।

তুমিই কবিতা আমরা খুবই কাছাকাছি আছি

শ্যামল সোম

তোমার ঐ হৃদয়ের উষ্ণতায় কম্পন
উষ্ণ আলিঙ্গনে কাব্যে শব্দে এ লিখন
অক্ষরে অক্ষরে আছি নীল ঐ পদ্ম
ফুটছে দেহের সরোবরের স্বাদ গ্রহণ।
কবোষ্ণ কাব্য বিন্যাসে ছন্দময় প্রাণ
উচ্ছল তন্বী অনন্ত যৌবনা কবিতার
নগ্ন  চিত্রকল্প নব নব রূপে জন্ম হয়।
ছন্দের বিমূর্ত শব্দে নূপুর ছন্দ ছন্দে
আনন্দে লিখন সুখের এই অনুরোরন
মাঝে তবু তোমাকে খোঁজে সারাক্ষণ।
কিন্তু নিশ্চয়ই আমরা সমাজ বদ্ধজীব
সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়মে বাঁধা রয়,
এই আমার সব শব্দের অক্ষরে প্রেম হয়
এই বৃদ্ধ এ বয়সের গন্ডি ছাড়িয়ে সময়
অসময়ে কাজে ফাঁকে চারুলতার তুমি
সজল চোখ ভেসে উঠে মনের মুকুরে।
হায়! ভালোবাসা কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে
এপারে প্রেমের দীর্ঘশ্বাস এপারে হাহুতাশ।

প্রেমের কবিতা তিনটি

তোমার আমার হৃদয়ের স্পন্দন

শ্যামল সোম

সমুদ্র সৈকতে কাছাকাছি বসে
ছুটে আসা ঢেউয়ে আঁচড়ে জ্বলে
উষ্ণ যুগল শরীরের যত উত্তাপ
তুমি আমার হাতে রেখেছো হাত,
দুই হৃদয়ের স্পন্দনে জল প্রপাত।

তুমিই কবিতা আমরা খুবই কাছাকাছি আছি

শ্যামল সোম

তোমার ঐ হৃদয়ের উষ্ণতায় কম্পন
উষ্ণ আলিঙ্গনে কাব্যে শব্দে এ লিখন
অক্ষরে অক্ষরে আছি নীল ঐ পদ্ম
ফুটছে দেহের সরোবরের স্বাদ গ্রহণ।
কবোষ্ণ কাব্য বিন্যাসে ছন্দময় প্রাণ
উচ্ছল তন্বী অনন্ত যৌবনা কবিতার
নগ্ন  চিত্রকল্প নব নব রূপে জন্ম হয়।
ছন্দের বিমূর্ত শব্দে নূপুর ছন্দ ছন্দে
আনন্দে লিখন সুখের এই অনুরোরন
মাঝে তবু তোমাকে খোঁজে সারাক্ষণ।
কিন্তু নিশ্চয়ই আমরা সমাজ বদ্ধজীব
সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়মে বাঁধা রয়,
এই আমার সব শব্দের অক্ষরে প্রেম হয়
এই বৃদ্ধ এ বয়সের গন্ডি ছাড়িয়ে সময়
অসময়ে কাজে ফাঁকে চারুলতার তুমি
সজল চোখ ভেসে উঠে মনের মুকুরে।
হায়! ভালোবাসা কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে
এপারে প্রেমের দীর্ঘশ্বাস এপারে হাহুতাশ।

একটু হৃদয়ের উষ্ণতার জন্য
তোমাকে কাছে চাওয়া বন্যা

শ্যামল সোম

হিমেল হাওয়ায় ঐ পাতা ঝরে যায় গাছে গাছে
ঝরা পাতার এ স্মৃতির পালক উড়ে আসে কাছে।
তুষার পাতে শীতার্ত রাতে উষ্ণতা খোঁজে ভাঁজে
ভাঁজে শরীরের পরস্পরের বহমান রক্ত প্রবাহে
সরীসৃপ জোড়া শরীর শরীরে অভ্যাসে শরীর
জাগে আঁধারাচ্ছন্ সর্পিল সুড়ঙ্গ পথে ঝর্নায়
ঝিরঝির ঝরে,পিচ্ছিল সিক্ত গুলমোহর সুরম্য
লতা পাতা ঢাকা গুল্মের আড়ালে রক্ত পদ্ম রম্য।
যুগ্ম সাপের মিথুনে অতৃপ্তির প্রাণহীন নিস্ফল এ
প্রয়াস কাব্য প্রেমে নেই, শুধুই শারীরিক অভ্যাস।
কেন কাঁদে প্রাণ প্রাণময় প্রেমিকার ভালবাসায় ভরে
আছে আজও হৃদয়ের গহীন গোপন আস্তানায় ঝরে
হীম প্রহেলিকা করে উন্মোচন রাতের কুয়াশায় ঢাকা
কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে তার হাহুতাশ,ও আমার
চাপা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো তোমাকেই হারানোর
হাহাকারে দুই প্রান্তে দুটি হৃদয়ের আলিঙ্গনে কাব্যে
অক্ষরে অক্ষরে লেখা রবে প্রিয় প্রেমের যৌথ সৌধে
পরস্পরের প্রতি অটুট বিশ্বাসে আত্মমগ্ন প্রেম নির্যাস
পাণে পরিপূর্ণ দুজনের হৃদয় এই দূরান্তে ভালবাসায়,
পরস্পরের হৃদয়ে কাছাকাছি এসে আনন্দে কাঁদছি
তোমার মন ছুঁয়ে যাওয়া এ ফল্গু ধারায় ভালবাসায়।

একদিন সব যুদ্ধের হোক অবসান

এক দিন সব যুদ্ধের হোক অবসান -

শ্যামল সোম

ড্রোনের হামলায় পাহাড়ের
উপত্যকায় বিস্ফোরণ,
দূর পাল্লা ক্ষেপণ অস্ত্রের
নিয়মিত আক্রমণে আক্রান্ত।
আকাশ চুম্বি বিশাল অট্টালিকা
অহংকারের মিনার,
বজ্র আঁটুনি ফসকা গেঁড়ো,
নিশ্ছিদ্র সতর্ক সৈনিকের
পাহারা পেরিয়ে আকাশ পথে
আত্মঘাতী আক্রমণ শহীদের।
মানবতা সপক্ষে বর্বরচিত
শিশুদের খেলার মাঠে, গ্রামে
শহরে, বন্দরে, নিরীহ মানুষের
উপর সাঁড়াশি আক্রমণ
অর্থের প্রাচুর্যে এ তাদের
উল্লাসে উন্মাদের যুদ্ধ বিলাস।
শিশু কিশোর কিশোরী ছাত্র
ছাত্রী বিদ্যালয়ে অধ্যায়নে
যখন ছিল ব্যস্ত , খেলছিল
স্কুলের প্রাঙ্গনে, ঠিক সেই মুহূর্তে
আত্মঘাতী আক্রমণ,
মৃত শবের স্তূপ, ছিন্ন ভিন্ন অঙ্গ পতঙ্গ।
নিরবিচ্ছিন্ন, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে
প্রান্তরে ঘটে যায় বিস্ফোরণ।
বিস্ফোরণের প্রচন্ড ঐ শব্দে
ঘুম ভেঙে কেঁদে ওঠে মেয়ে।
আশ্চর্যজনক ভাবে সারা
পৃথিবীর সমস্ত মানুষ রয়েছেন নিরবে,
নির্বিকার ভয়ে, সন্ত্রস্ত, ভীষণ ভাবে
আতংকিত ঐ সন্ত্রাসী হামলায়--!
এত রক্তপাত এত হত্যা,
তবু কেন মানুষ আজও বোধহীন
চরম হতাশা, বিষন্নতা,
বিষাদ, মানসিক অবসাদ।
স্বপ্ন দেখি একদিন রণাঙ্গন
থেকে ফিরে সাহসী সৈনিক শূন্যে
গুলি ছুড়ে বলবে মৃত্যু মৃত্যু খেলার
ঐ উপলব্ধি, জীবনের অভিজ্ঞতার
বার্তা দিতে গিয়ে এসো আজ
সবাই হাতে হাত করি অঙ্গীকার !
যুদ্ধ থামাই; হিংসা থেকেই
জন্ম দেয় প্রতিহিংসা,প্রতিনিয়ত
প্রত্যাঘাত, ও ঘাত -প্রতিঘাতে
জন্ম নেয় রক্তবীজের বংশ,
প্রতিহিংসা, লক্ষ লক্ষ জন্ম
নেয় সন্ত্রাসের আগামী প্রজন্ম।
শপথবাক্য করো উচ্চারণ,
" এখন সব যুদ্ধের হোক অবসান
শান্তি বর্ষিত ফুলে ফলে,
শিশুদের কল্লোলে ভরে যাক পৃথিবী।

পুনশ্চঃ--  আমার ভীষণ প্রিয় কবি মন্তব্য করে ধন্য করেছেন,
" মানুষে মানুষে হক ভ্রাতৃপ্রম
   অবসান হক যুদ্ধের
যুদ্ধ নই শান্তি একের অন্যের জন্য ভালোবাসা চাই !!
সত্যি দাদা অনবদ্য লিখনী, শরীরে কাঁটা পরে !! ""

শ্যামল সোম আমি কৃতজ্ঞ হয়ে  উত্তরে লিখেছি--
"" আমি অভিভূত আপ্লুত হয়ে আছি
তোমার মনোমুগ্ধকর লেখার কাছাকাছি
চিন্তনে মমনে প্রাণময় প্রেমময় কাবময়
তোমার কাব্য এক গুণমুগ্ধ বৃদ্ধ পাঠকের করেছো হৃদয় জয়।

এ বৃদ্ধের প্রার্থনা

এ বৃদ্ধের প্রার্থনা

শ্যামল সোম

হে প্রভু এই জীবনের শেষ প্রান্তে আজ এসে
তোমার অপরূপ সৌন্দর্য সুন্দর সৃষ্টিশীলতায় এ
পৃথিবীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভরপুর অমলিন বেশে
জমা বরফের তোরণ সূর্যোদবয়ের আলোয় এ
হিমালয়ের দুর্গম উপত্যকায় হেঁটে পৌচ্ছে দেখেছি
স্বর্ণউজ্বল আলোয় উদ্ভাসিত শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট।
তিব্বতে মানস সরোবরে স্নান সেরে উঠে  প্রনাম।
কৈলাশ পর্বত, হে প্রভু উপরে ভরসা করে ভ্রমণ
করেছি দেশে দেশে কখন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে
কখন মূল শিকড়ের টানে ছুটে গেছি ময়মনসিংহে
কখন কুমিল্লা, চাঁদ পুর, সিলেটে যাওয়া পথে সুর্মা
নদীতে স্নান, বরিশালে কীতৃনখোলা  অবগাহনে
জড়িয়েছে প্রাণ, কখন কুয়াকাটা কখন কস্কবাজারে
সমুদ্রের ঢেউয়ে সেই যৌবনে বাহাত্তর সালের মধুময়
স্মৃতি হৃদয়ে গহীন অরণ্যে সবুজের সমাহারে কখন
সুন্দর বনে প্রাণের বন্ধুদের সাথে আনন্দে সে মূহুর্তে
সাংস্কৃতিক সাহিত্য কাব্য আলাপনে আনন্দে ভরে আছে।
আজও শেষে বিদায় বেলায়, হে প্রভু নাহি কোন অভিলাষ
মনের মানুষের ভালবাসায় ভরিয়ে দিয়েছে আমার হৃদয়।
এখন এই জরাগ্রস্ত জরাজীর্ণ বৃদ্ধ বয়সে কস্ট লাগব করো,
ছানি পড়া চোখে ঝাপসা দৃষ্টি অসমর্থ বার্ধক্য জনিত রোগে
আক্রান্ত শরীর প্রাণ ছুঁয়ে যাক মৃত্যুর শীতল স্পর্শে সব জ্বালা
যন্ত্রনা থেকে মুক্ত করো হে প্রভু, আত্মা যেন ঠাঁই পায় তবে চরণে।

Monday, 8 January 2018

একটু হৃদয়ের উষ্ণতা জন্য

একটু হৃদয়ের উষ্ণতার জন্য

শ্যামল সোম

হিমেল হাওয়ায় ঐ পাতা ঝরে যায় গাছে গাছে
ঝরা পাতার এ স্মৃতির পালক উড়ে আসে কাছে।
তুষার পাতে শীতার্ত রাতে উষ্ণতা খোঁজে ভাঁজে
ভাঁজে শরীরের পরস্পরের বহমান রক্ত প্রবাহে
সরীসৃপ জোড়া শরীর শরীরে অভ্যাসে শরীর
জাগে আঁধারাচ্ছন্ সর্পিল সুড়ঙ্গ পথে ঝর্নায়
ঝিরঝির ঝরে,পিচ্ছিল সিক্ত গুলমোহর সুরম্য
লতা পাতা ঢাকা গুল্মের আড়ালে রক্ত পদ্ম রম্য।
যুগ্ম সাপের মিথুনে অতৃপ্তির প্রাণহীন নিস্ফল এ
প্রয়াস কাব্য প্রেমে নেই, শুধুই শারীরিক অভ্যাস।
কেন কাঁদে প্রাণ প্রাণময় প্রেমিকার ভালবাসায় ভরে
আছে আজও হৃদয়ের গহীন গোপন আস্তানায় ঝরে
হীম প্রহেলিকা করে উন্মোচন রাতের কুয়াশায় ঢাকা
কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে তার হাহুতাশ,ও আমার
চাপা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো তোমাকেই হারানোর
হাহাকারে দুই প্রান্তে দুটি হৃদয়ের আলিঙ্গনে কাব্যে
অক্ষরে অক্ষরে লেখা রবে প্রিয় প্রেমের যৌথ সৌধে
পরস্পরের প্রতি অটুট বিশ্বাসে আত্মমগ্ন প্রেম নির্যাস
পাণে পরিপূর্ণ দুজনের হৃদয় এই দূরান্তে ভালবাসায়,
পরস্পরের হৃদয়ে কাছাকাছি এসে আনন্দে কাঁদছি
তোমার মন ছুঁয়ে যাওয়া এ ফল্গু ধারায় ভালবাসায়।

আদররিনী


আদরিনী

শ্যামল সোম

মেয়ে ঠিক যেন মোমের পুতুল
ঘন কালো কোঁকড়ানো চুল
ফোলা ফোলা তুলতুলে গাল
আদরে আদরে গাল হতো লাল।
মা মরা মেয়ে, বাপ মোদোমাতাল
দিদা মামার সংসারে অনাদরে
আধ পেটা খাওয়া তবু প্রকৃতির
আপন খেয়ালে বাড় বেড়েছে।
গায়ে গতের কখন আলুর চপ
কখন চকলেট লজেন্স লোভে
চুপিচুপি আদরের ছলে বলে।
কোলে তুলে নেয় আদরে কোলে
বসেই কত আদর মাঝেমধ্যে সে
শৈশবে এ আঁচড় লাগতে ব্যথা
কঁকিয়ে উঠে আদরে আদরে।
কৈশোরে পা রেখেছে সবে শুরু
হলো আদরের ঠেলা ঠেলি, গুরু
গম্ভীর আওয়াজ ডাক ছিল মেঘ,
তুমুল ঝর বাদলে  অঝোরে ঝরছে
বৃষ্টি স্নাত সে রাতে ঝোপে আড়ালে
রক্তে অক্ষরে অক্ষরে লেখা হচ্ছে
আবহমান কাল থেকে নারীর প্রতি
অবমাননার অত্যাচারের বাকি আছে
আরো শতসহস্র বছরের ইতিহাস।
যৌন নির্যাতনের সহিংসতা গ্লানিময়
পশুর অধম চিরকালের বিকৃত মনস্ক
শয়তানের আনন্দ উল্লাস গণধর্ষণের
জনৈকা কিশোরের মৃত্যু খবরের কাগজে
পাতায় শিরোনামে, ধিক্কার জানায় সবাই
টিভির চ্যানেলে চ্যানেলে প্রচারিত হয়।
মোমের পুতুলের জন্য পথে পথে হাঁটে
হাতে নিয়ে জ্বলন্ত মোমবাতির মিছিল।