Sunday, 6 November 2016

আকাশ কুসুম বৃষ্টি ভেজা গোধূলির রঙে

বৃষ্টি ভেজা গোধূলির রঙ,
এ ভালোবাসার  রঙে
রাঙানো মনের  অতলে
তোমারকে  খুঁজি সারাক্ষণ
ভালোবাসায় এ বৃদ্ধের মন।

বাঁশিওয়ালা

ভালোবেসে অবিশ্বাস্য
হলেও সত্যি
তোমাকে ভেবে
ভেবেই বিনিদ্র রাত্রি,
যাপনে মৃত্যুর দিকে
এই সে মানসীর জন্য কেঁদে
কেঁদে শ্মশানে এসে অসামান্যাকে
এ বৃদ্ধের অন্তিম উপহার
এ কবিতা  আমার প্রেমের ইস্তাহার।

আকাশ কুসুম স্বপ্ন

শ্যামল  সোম

শৈশবের স্বপ্নে কনৌজের
রাজকন্যা তিনি
পাহাড়ের চূড়ায়
নীলগিরি প্রাসাদে বন্দিনী,
নীলাঞ্জনার  উদ্ধারে
কালো আরবী ঘোড়ায়
সওয়ারী  মন টগটগ
ছুটেছিলাম খোওয়াফে।
শৈশবের অপূর্ণ স্বপন
আজও  এ বৃদ্ধের মন
স্বপ্ন  পূরণে বাঙ্ময়
বাল্যপ্রেম স্পর্শে শিহরণ।
রাজকন্যা নীলাঞ্জনা
বিভোর তোমার প্রেমের
ব্যর্থতার এ ব্যথায় 
বাঙ্ময় হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণে
শিশিরের শব্দের
স্পন্দন আলোড়িত  এ মন।

তোমার প্রশ্নের সম্মুখীন
হয়ে মনের পাখা মেলে উড়ছি
উড়তে উড়তে মিলিয়ে
যাওয়ার আগে বলে
যাই মনে মনে ---
-- গোপনে, কেউ না
জানে প্লীজ-
-" সীমাবদ্ধতার
সীমান্ত পেড়িয়ে
নীলাঞ্জনা তোমাকে
ভীষণ ভীষণ  ভালোবাসি !
" বিনিদ্র রাত্রি,
যাপনে মৃত্যুর
দিকে এগিয়ে যাচ্ছি;
তুমি জানো,
আর জানেন অন্তর্যামী।
ঠিক তাই সে
মানসীর জন্য কেঁদে
কেঁদে ফেরে
এ মনের শঙ্খচিল।

বাঁশিওয়ালা

কাব্য:  বাঁশিওয়ালা

লেখক: শ্যামল সোম......................................

বিদেশী এক বাঁশিওয়ালার
বাঁশির সুরে গাঁয়ের সবাই
অাশ্চর্য, সুরের মাধুর্যে
মনের অতলে ভালোলাগার
এক চোরা স্রোত বহিছে;
বাতাসে ভাসছে সুর।
সে আনন্দে বাঁশির সুরে
গাঁয়ের ছোট ছেলে মেয়েদের
সাথে যুবক যুবতীরাও
তালে তালে পা ফেলে
ঘাগড়া ঘুড়িয়ে কোমর জড়িয়ে,
আনন্দে খুশিতে নাচছে।
দু-চার জন বুড়ো মাথা দুলিয়ে,
আমেজে চুটকী বিড়ি টানছে।

বাঁশিওয়ালার পরনে লাল কোট,
গলায় রেশমী নীল রুমাল,
ময়ূরের পালকের টুপি,
ঝুটি বাঁধা লম্বা চুল,
স্বর্নাভ গায়ের রঙ।
বাঁশিওয়ালাকে ওড়নার
আড়ালে চোখে দেখে
যুবতীদের মনে লাগছে রঙ ।
ক্লান্ত বাঁশিওয়ালার জন্য
কেউ এগিয়ে দিলো চেয়ার,
পাতিয়ালা পেগে পেয়ালা ভর্তি
এক জন দৌঁড়ে
আনলো রঙ্গিন পানীয়।
গাঁয়ের মোড়লের চোখের
ইশারায় এক জন লম্বা
একটা চুটকী বাঁশিওয়ালার
ঠোঁটে গুছে দিলো,
অন্য একজন আগুন
জ্বেলে দিতেই ধোঁওয়ায়
ঢেকে গেল মুখ।
বৃদ্ধ মোড়ল দাঁড়িতে
হাত বুলিয়ে, কেশে
গলা ঝেড়ে, বল্লে- " বহুত খুফ !
হাঁ বাহাদুরী আছে,
সুরের যাদুকর তুমি;
গাঁয়ের সব্বাইকে একে
বারে ইঁদুর নাচ নাচিয়ে ছাড়লে,
তা তোমরা কী বল?
"সমবেত জনতা
তাতঃ স্বরে সায় দিলো।
" এখন আসল কথায়
আসা যাগ, বাঁশির সুর
বাজানো শুনলাম-
তুমি বাপু বাঁশির সুর
শুনিয়ে ফুল ফোঁট পারো,
বনের হিংস্র জন্তু তোমার
বাঁশির সুর শুনে মন্ত্র মুদ্ধ
ফনা তোলা সাপের মতন
দুলে দুলে নাচে;
তা- তুমি আকাশ থেকে
বৃষ্ঠি ঝরাতে পারো ?
মিঁয়া তানসেনের
মেঘ মল্লার গেয়ে--?
শোন ওস্তাদ,
এ গ্রাম শুধু নয়,
আস পাশে অনেক গ্রামে
গত কয়েক বছর
কোন বৃষ্ঠি না হওয়ায়
খরা চলছে;
দেশে দেশে আকাল এসেছে "।
বাঁশিওয়ালা বাঁশি হাতে

নিয়ে ভাবছে-; মোড়ল
সবাইকে চোখ ঘুরিয়ে
দেখে নিয়ে," সত্যই যদি
তোমার বাঁশির সুরে যদি
নামে অঝরে বৃষ্টি,
সে বর্ষা জলে ঋতুমতি হন ভুমি;
তোমার পাকা বাড়ি
গেঁথে দেবো আমরা।
গাঁয়ের লোক জন
কোরাস " হাঁ, হাঁ হাঁ !"
" পাঁচ গাঁয়ের সেরা সুন্দরী;
ঐ তুমি যাকে পছন্দ করবে--
ধুমধাম করে শাদি হবে,
বিশাল এক ভোজ দেবো আমি"
বাঁশিওয়ালা উঠে বল্লে, " কর্তা !,
আমি ক্লান্ত !
অনেকটা পথ হেঁটে
আকালের খবর পেয়েই
চলে এসেছি,
কাল চেস্টা করবো;
এখন হুজুর যদি আজ্ঞা করেন !-"
মোড়ল আহাল্লাদে গলে
গিয়ে এক মুখ হেসে,
নিশ্চয়ই - " ওরে কে আছিস ",
মোড়লে রূপবতী নাতনী
চোখে বিদ্যূত হেনে
বিদেশী বাঁশিওয়ালার
হাত ধরে, " দাদু এঁকে
আমাদের বাসায় নিয়ে গেলাম "।

বাঁশিওয়ালা গভীর রাতে
বাঁশিতে বাজচ্ছেন মেঘ মল্লার
সুরের মূর্ছনায়
আকাশে কবিতা !
ঝমছে কালো মেঘ
পৃথিবী কাঁপিয়ে উঠল
ঝড়ের তান্ডব ভয়ঙ্কর
মেঘের ডাকে সবাই
ঘুম গেলো ভেঙ্গে;
ছুটে ঘরের বাহিরে
এসে দেখলো আকাশ
ভেঙ্গে অঝরে ঝরছে বৃষ্ঠি;
থৈ থৈ করছে জল,
জলে জলে জলাকার চারিদিক,
বৃষ্ঠির জলে ভিজে নাচছে
ময়নাবতী, মোড়লের বড়
আদরের নাতনী,
বাঁশিওয়ালার বাঁশির সুরে সুরে।
ঐ বৃষ্ঠিতে গাছের ডালের
আড়ালে ঝুলছে
আকাশে মরাচাঁদ-----।

শ্যামল সোমের কবিতা

সে আমার গোপন আরাধ্য প্রেম

শ্যামল  সোম।

কৃতজ্ঞতার সাথেই
সেই মানবীর প্রতি
সম্মান জানাইযিনি
এ বৃদ্ধের মনে স্বপ্ন
বপন করে অনুপ্রাণিত করেন।
আপনাদের জানাই
অভিনন্দন কল্যাণ হোক
আপনাদের সবার।
সূর্যোদ্বয়ের ভোরে
হীমেল হাওয়ায়
কুয়াশার আড়ালে,
ঐ গাছের তলায়
থেকেই দেখেছিলাম
তুমি মুখ ফিরয়ে
বহমান নদীর ধারে
দাঁড়িয়েছিলে,ভাবে
আত্মমগ্ন, ম্লান দৃষ্টি
নিয়ে বেদানার্ত সজল
চোখে দেখছিলাম
আমার হৃদয়ের
গোপন প্রেমের
স্বপ্নচারিনীকে,
এ জীবনের চলার
পথ শেষে অনেক
দেরীতে  অনেক কেন
এলে তুমিই
এসে আমাকে
ভালোবেসে
ভাসিয়ে দিলে
অকুল দোরিয়ায়
সেথা কুল নাই
কিনারা নাই,
ভাঙা নায়ে
ভাসাইলিরে,
আমার সীমাহীন
প্রেম রেখে গেলাম
মেঘনা নদীর
স্রোতে ভেসে যাচ্ছি,
ভালো থেকো তুমি,
ভালো থেকো বাংলাদেশ
আমার ময়মনসিংহ,
সোমেশ্বরী শীতলক্ষা,
কর্ণফুলী সুন্দরবনের
প্রত্যন্ত জঙ্গলে
প্রাচীন গাছ গাছালি।
নিশ্চয়ই ফিরবো আগামী
জন্মে তোমাকেই পাবো
নিশ্চিত জেনো আমাদের
জন্মান্তরের প্রেম বৃথা
যাবে না না না না
না না ভীষণ ভীষণ
ভালোবাসি তোমাকে।

বাউলের গান

গদ্যকবিতা---বাউল মন।         নিবেদিতা রায়।           ৬.১১.১৬          

**********এক তারাতে মন বেঁধেছি,       

বাউল সুরে উঠবে তান।
উদাসি হাওয়া পাগল পারা     
মনের মাঝে বাউল গান। 
উদাস আজি ব্যাকুল তানে    
মন চেয়েছে হারিয়ে যেতে,
হারিয়ে আজ যত খেয়াল     
ঘুরবো আজি পথের মাঝে 
ধূলার সাথে-মাটির কাছে,  
আকাশপানে-ভোরের মাঝে।
দিনের আলো নিভে এলে
জ্বালবো আমার
প্রদীপ খানি  ব্যাথা
আমার জ্বলবে তখন
সন্ধ্যা দীপের সলতে হয়ে।
মৃদু আলোয় পুড়বে মন,   
উড়বে ব্যাথা উদ্ধ  লোকে
বাউল সুরের উদাস টানে।
একতারাতে বিবাগি মন,
ঘর ছেরেছে পথের টানে
কবে কখন হারিয়ে যাবে
পথের বাঁকে অন্ধকারে।
অন্ধমন হাতরে মরেকে
আছে আমার আপন জন?
চলার পথে, নিঝুম রাতে
কিম্বা কোন রাজপথে পাবো
কি তারে দেখতে আমি
শেষ বিদায়ের ক্ষণটিতে?
দুটি তারে মন বেধেছি
শিথিল বড় বাধন ডোর,
কবে কখন টুটবে গেরো
উড়বে পাখি মৃত্যুলোকে
অচিন পাখি অচিন
দেশে  হারিয়ে যাবে
আমায় নিয়ে  ব্যাথা
আমার ফুরিয়ে যাবে
উড়বে না আর ধুম্রহোয়ে।
কুণ্ডলিত সকল স্মৃতি রেখে
গেলাম লেখার মাঝে।
পড়লে মনে পড়েনিও----
বাউল মনের ভাবনা ভেবে,
কিম্বা উদাস কোন স্মৃতি ভেবে।            

শ্যামল সোমের কবিতা

আমার আদরের নাতনীকে
ভালোবেসে উৎসর্গিত  এ কবিতা।

ভালবেসে নীল কন্ঠ  আজ

বাঁশিওয়ালা

ভালোবাসা
দুরন্ত ঝড়ের মতন
ভালোবাসার নদী
পদ্মার  তুফান
দুই কূল পারিবারিক
এওর জীবন
সামাজিক,
ধার্মিক পারস্পরিক
কলোহ বিদ্বেষ 
অন্তরদ্বন্দ নির্মাণ
এত প্রতিকূলতা
মাঝেও প্রেমের
বন্যার স্রোতে পাইলে
এসে পাগলি
তুই  নেত্রকোন
থেকে ঢাকা হয়ে এই
লন্ডনের হিথরো
বিশাল বিমান বন্দরে
নির্দৃষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট
লাউঞ্জে দাঁড়িয়েছি,
দূর নক্ষত্রের ক্ষীণ
আলো প্রকাশে মন
প্রাণ  উৎফুল্ল তোকে
দেখেই এ কম্পন।
আমার কাছে
বিমানে উড়ে  আসার
ক্লান্ত শরীর মনে
চাপা ক্ষোভ জেট ল্যাগ।
তোকে বিমর্ষ বিষন্ন
ক্রন্দন রক্তচোখে এ
শুষ্ক মলিনতা, নত মুখ,
ট্রলি ঠেলে আসছিস
এগিয়ে উৎসুক চোখে
খুঁজছিল আমাকে
ভয়ার্ত কালো হরিণীর
চোখেচোখ পড়তেই
ভূমিকম্প স্পন্দন
আলোড়িত দুজনার মন।
কাছেই এসেই গভীর 
আলিঙ্গন পরস্পরে
দু জনের চোখ হতেই
অবিশ্রান্ত  জল প্রপাত।
আক্রান্ত  ভালোবাসায়
সিক্ত আমার হৃদয়।
" তুমি সত্যিই  এতো ভালোবাসা ?
" মৃদু হাস্য
মুখে," ওরে  পাগলী 
ভালোবাসা নিত্তি মেপে,
প্রেমের মুহূর্তে মাহাত্ম্য  
অত কী হিসেব কষে হয় ?
জীবনে হঠাৎই  যখন
পাগলের মত 
আসে এক্কেবারে
সমুদ্রের ঢেউয়ে ভাসায়।
সমুদ্রের ঢেউ প্রচন্ড
বেগে তেড়ে এসে আবর্তিত
ঢেউয়ে ঘূর্ণাবর্তে উঠেছিল বিষ,
" আমি জেনে শুনে বিষ
করেছি পাণ প্রাণের
আশা ছেড়ে 
সে ভালোবাসার বিষ করেছি পাণ।"
পাগলী স্বপ্নের রাজকন্যা
নীল পরী চলন্ত গাড়িতে
আগুন ঊষসী উষ্ণ দেহ
স্পর্শ, আলিঙ্গনে কামার্ত
পাগলীর উত্তপ্ত  আগ্রাসী
চুম্বনের সমৃদ্ধ  অতীতের
সে  স্মৃতি পঞ্চাশ বছরের
পরও এ চলচ্চিত্রায়ান।

চলরে পাগলী আজ রাতেই পালাই

চলরে পাগলী আজ রাতেই পালাই 
কাব্য গ্রন্থ  এ প্রকাশিত
মেঘ বালিকা বৃষ্টি হবি

শ্যামল  সোম

এই পাগলী  মেয়ে
তুই বৃষ্টি হবি
বৃষ্টির শ্রাবণের
ধারা হয়ে অঝরে
পড়বি ঝরে আমার 
বুকের পড়ে।
বৃষ্টি তোর ধারায়
ভিজছি দে নগ্ন শরীর 
দে তোর দেহের
পরস্পরের
উত্তপ্ত চুম্বন;
অঝরে শরীর বেয়ে
কুল কুল করে বহে
যাচ্ছে সুখ, স্বাদ গলে
গলে  পড়ছে আশ,
বন্য  হৃদয়ের বাসনা।
গহীন গোপন যত
জমানো অবিশ্রান্ত
বেদনা নীল পদ্ম
ফুটছে ঐ দীঘিজলে,
বৃষ্টি তোকে জড়িয়ে
দু হাতে শক্ত ধরে
জোরে জাপটে বুকে
ভিজছি দুজনে
সর্বাঙ্গে আলোড়ণ।
তোর অভিমান,
অনুযোগ, অনুরাগ
তৃষ্ণার্ত তোর ঠোঁটে চুম্বনে,
লেহন করছি অশ্রু,
আমার ঘন আলিঙ্গনে
বৃষ্টি তোর ফোঁটা ফোঁটা
জলের স্পর্শে তারা ফুটছে
রাতে আকাশে, 
জ্যোৎস্না আলোয়
আমি ফিরে পাচ্ছি
বেঁচে থাকার আনন্দ।

শ্যামল সোমের ব্লগ

সে আমার গোপন আরাধ্য প্রেম

শ্যামল  সোম।

কৃতজ্ঞতার সাথেই
সেই মানবীর প্রতি
সম্মান জানাইযিনি
এ বৃদ্ধের মনে স্বপ্ন
বপন করে অনুপ্রাণিত করেন।
আপনাদের জানাই
অভিনন্দন কল্যাণ হোক
আপনাদের সবার।
সূর্যোদ্বয়ের ভোরে
হীমেল হাওয়ায়
কুয়াশার আড়ালে,
ঐ গাছের তলায়
থেকেই দেখেছিলাম
তুমি মুখ ফিরয়ে
বহমান নদীর ধারে
দাঁড়িয়েছিলে,ভাবে
আত্মমগ্ন, ম্লান দৃষ্টি
নিয়ে বেদানার্ত সজল
চোখে দেখছিলাম
আমার হৃদয়ের
গোপন প্রেমের
স্বপ্নচারিনীকে,
এ জীবনের চলার
পথ শেষে অনেক
দেরীতে  অনেক কেন
এলে তুমিই
এসে আমাকে
ভালোবেসে
ভাসিয়ে দিলে
অকুল দোরিয়ায়
সেথা কুল নাই
কিনারা নাই,
ভাঙা নায়ে
ভাসাইলিরে,
আমার সীমাহীন
প্রেম রেখে গেলাম
মেঘনা নদীর
স্রোতে ভেসে যাচ্ছি,
ভালো থেকো তুমি,
ভালো থেকো বাংলাদেশ
আমার ময়মনসিংহ,
সোমেশ্বরী শীতলক্ষা,
কর্ণফুলী সুন্দরবনের
প্রত্যন্ত জঙ্গলে
প্রাচীন গাছ গাছালি।
নিশ্চয়ই ফিরবো আগামী
জন্মে তোমাকেই পাবো
নিশ্চিত জেনো আমাদের
জন্মান্তরের প্রেম বৃথা
যাবে না না না না
না না ভীষণ ভীষণ
ভালোবাসি তোমাকে।