Tuesday, 31 January 2017

আত্ম প্রকাশের আত্মকথন দ্বিতীয় ভাগ

এ ভাবেই  নৈঃশব্দে আলোড়ণ না তুলে ঘোলা
জলে বসত করে শেষ হয়ে যাবে আমার ব্যর্থ ব্যথিত জীবন?
মাঝে মাঝেই প্রতীক্ষিত মন প্রশ্ন করে কেন কেন এলি এ সংসারে?
ঈশ্বরের স্মরণাগত হই, ঈশ্বর ছাড়া আর কে  আছেন একান্ত  আপন ?
ঈশ্বরের  কাছে সর্বদাই   স্মরণার্পণ,  আত্মসমর্পণ, প্রার্থনা করি --
হে প্রভু  সারা জীবনে দারিদ্র, অল্প  শিক্ষা, লোকের তিরস্কার  তীবর ভর্ৎসনা
হাবাগোবা লোক চিরদিন লাঞ্ছনা নির্যাতন অত্যাচার শৈশব থেকে এই বৃদ্ধ
বয়স পর্যন্ত  অপরাধ--  বাস স্থান চূর্ণ বিচূর্ণ বিচ্যুত,   জাতপাতে অচছুৎ
শিক্ষিত নই, দারিদ্রের কলংকৃত দাগ পাথর বৃষ্টির  আঘাতে  আঘাতে জখম
মন, শরীরে রক্তাক্ত ক্ষত হতে হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণ  এ ভাবেই জীবন যুদ্ধে কখন
কলেজ স্ট্রিট  পেছনে ছাপাখানায় মুঠের কাজ কৈশোরে বস্তাবন্দী বই বহে
যেতে হত প্রকাশকদের আস্থানাতে, উনিশো ষাট সালে দশম শ্রেণীর ছাত্র কিন্তু
দারিদ্র্য  তখন সাত ভাই বোন অভাবের সংসারে পড়াশোনা বিলাসিতা নিসপ্রয়োজন
নিস্পৃহতা সবাই উদাসীনতা আজ ও কাঁদে মন।

ঈশ্বরের অশেষ  কৃপায় ঐ হাড়ভাঙা খাটুনি পরে, শেষে পাওয়া গেল কারখানার শ্রমিকের কাজ।
ঈশ্বরের আনুকূল্য  এ প্রাইভেটে স্কুল থেকে কলেজ কয়েক মাস সেই বঙ্গবাসী কলেজে কফি হাউসে
নামী কলেজ প্রেসিডেনসি কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের জমায়েত কবিতা পাঠ কফি হাউসে সাহিত্য চর্চা
স্প্যানিশ কবি পাবলো নেরুদার, কাব্য ও লোকনাথ ভট্টাচার্য  রযাঁবো চিলি বলেভিয়া কোলকাতার
বই মেলার  এবারের 2017 আমন্ত্রণ দেশ।
স্প্যানিশ কবির পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কবির কবিতা অনুবাদ মানবেন্দ্র  ব্যানার্জি, সুনীল গাঙ্গুলি
পরিচিত পত্রিকা বুদ্ধদেব বসুর  কবিতা পত্রিকা তে প্রকাশ পেতো বিদেশী কবির কবিতা।
কালিদাস নাগ দাদু মায়ের কাকা বন্ধু ছিলেন উনি কাকুলি নামে ছন্দ মিলনে চাঁদ তারা ফুল কুলকুল
কবিতা লেখেন ফুলে ফুলে লাইকে লক্ষ লাইক মন্তব্যে গদগদ  অশ্লীল লাগে যখন দেখি কেউই মহিলা কবির
পোষ্ট করা নিজের ছবি কবিতা পোষ্ট করেন ফেসবুকে  অশালীন মন্তব্য পড়ে লজ্জিত বোধ করি
এই জন্য  অনেকেই আমাকে ব্লক  হ্যাক করছেন প্রতিবাদে ভাষা এখন চাষের ভাষা।
সংসারের হাল ধরতে হলো, লেখালিখি লিটিল ম্যাগাজিন সাহিত্য বাসরঘর  এ প্রবেশ নিষেদ।
বাঙালি মানেই কাঙালি সব জায়গাতেই  দলাদলি এই নিলে বাঙালি  আত্মঘাতী বাঙালি।

Sunday, 29 January 2017

আত্মকথন, কবিতা দুটি

ফিরতে চাই বাংলাদেশে

শ্যামল  সোম

বাংলাদেশের এক
বোনের ডাকে
সাড়া দিতে।
আমি যাচ্ছি
আমি যাবো
আমাকে যেতেই হবে বোন
প্রথিত  আছে শেকড়ের টান।
তুই বল বোন
সত্যি  করে বল,
এই আমার ছূঁয়ে
কে না ফিরতে
অতীতের স্মৃতিতে?
মরার আগে মন কি চায় না
ছূঁতে চায় মাটি, মাটির ঘ্রাণ
একবার ফেরাও জননী।
বোনের ডাকে ফিরতে মন
সে ডাক কি ফেরানো যায় ?
আমার চঞ্চল মন কেমন করে
ছুঁই ছুঁই জল, জল জলের
ভেতরে জল কলকল ঘোরে।

শ্যামল সোমের  তুমিই আমার কবিতা  (19শে নভেম্বর 2016 )

বাঁশিওয়ালা

তুমিই জীবন্ত কবিতা সুলেখা
শিশির ভেজা অপরাজিতা
পূর্ণ এ চাঁদের মায়ায় জ্যোৎস্নায়
হে স্বপ্নের কবি তোমার কবিতায়
ছন্দে ছন্দে মুগ্ধতায় হৃদয়ের সমুদ্রে,
ঢেউয়ের মত আঁচড়ে পরে এক একটি
শব্দে জাগে প্রতিটি রোমকূপে শিহরণ
বহমান রক্তে শিরায় শিরায় আলোড়ন।
মন চায় তারকাঁটার সীমা রেখা পেরিয়ে
যথারীতি যথাযোগ্য প্রমাণ পত্র দেখিয়ে
ছুটে আমার ফেলে আসা সোনার
বাংলাদেশে আমার স্বদেশ !
জন্মভূমির শেকড়ের টানে সত্তর
বছর ধরে কখন দাদু কখন বাবার
সাথে পরবর্তী  কালে একাই শৈশবের
স্মৃতি বিজড়িত বিমোহিত ময়মনসিংহ
মুক্তা গাছা গ্রাম নীল দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে
সবুজের সমারোহ এ আজ ধানের শীষে
রৌদ্র ছায়ায় লুকো চুরি খেলা রে ভাই
লুকোচুরির খেলা, কেন তোমাকে দেখলেই
মনে হয় কবি তুমিই যেন শৈশবের খেলার
সাথী আমার আয়েশা আখতার এর আব্বু
মোক্তার হোসেন সাহেব আমার দাদুর ঘনিষ্ঠ
দোস্ত ! দোস্তি  কাকে বলে দেখে ছিলাম
পঞ্চাশ সালে উনি নিজে জান কবুল করে
আমাকে বুকে জড়িয়ে পরিবারের সকলকে
কাঁটাতারের বেড়ার  এপারে পাঠিয়েছিলেন
আজও শ্রদ্ধায় হই নতশির তিনি মমিন মানুষ।
ভাবাবেগে স্মৃতি চারণ মাফ করে দিও কবি
তোমার কবিতায় ফিরে দেখি স্বপ্নের দেশ
মানুষের জীবন বিন্যাসের প্রতিচ্ছবি কাব্যিক
কাব্যের অলংকরণে মোহাচ্ছন্ন এ প্রতীক্ষিত
পাঠক প্রেমিকের হৃদয়ে প্রেমিকার মন উৎফুল্ল
হউক, কাব্যের দেবী প্রাণিত প্রাণের অফুরন্ত
ভালোবাসার নিও, শুভেচ্ছা জানাই  অভিনন্দন।

আত্মপ্রকাশের আত্মকথন

  [এ বলদের মতন লিখছি রঙে ঢঙে, ছিলিমে লম্বা টান, এ গাঁজাখুরি গপ্পো  কেউ কেউ আবার  দাঁতাল, গাঢ়ল, গোলাপ জলে কৈ ধরতে,  খেই ধরেতেই থৈ পাবেন না।]

শ্যামল সোম

নির্লজ্জের মতন উন্মোচিত হোক আমার ঐ রাস্তায় ঘোরা ঘুরি করা লেড়ি কুত্তার বাচ্চা মতন বেড়ে পরগাছা বেয়ে উঠছি।

জৈবিক নিয়মে  জন্ম হল যেমন পশুরা জন্মায় তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন পরাধীন অখন্ড ভারতবর্ষের বিভিন্ন
প্রান্তে প্রান্তরে বিভিন্ন ধরনের দল দলা দলি তখন ছিলো হাজার হাজার দাসত্ব  দাস সুলভ মন বৃত্তি এ প্রস্তর যুগ
এখন এই একবিংশ শতাব্দীর সভ্যতার অভিশপ্ত জীবন অদৃষ্ট গত জন্মের  পাপ মুখ হাত ধূয়ে সাফ।
এই গত কালই  শুনলাম ভারতবর্ষের লোক সংখ্যা  ঐ জন্তু জানোয়ার মতন যখন যে দল তু তু করে ডাকছে
আমি পথের কুকুরের লেজ  নাড়তে নাচাতে যৌবনে আমিও  হেঁটে ছিলাম মিছিলের সাথে ভেবেছিলাম
অনশন বন্দি  যারা ভাগ্য হত, জীবন পরিবর্তন  শ্রেণী হীন শান্ত স্বর্গীয় আনন্দের মঙল  লোকে ফেরানো মানুষকে
যেখানে মানুষের মধ্যে পরস্পরের বিরুদ্ধে ধর্মের ধ্বজাধারী, হাতে নিয়ে খোলা  তরোয়াল ত্রিশূল, আধুনিক, আনুবিক
অজস্র মারণাস্ত্র এখন বিভিনন আকারে ঘরে ঘরে শহরে গ্রামে  দেশে দেশে বিদেশে সব দেশেই মজুত করছে
সেই প্রাগ  ঐতিহাসিক  ছোট গোষ্ঠীর যাযাবর জীবন যাপন  আবার কি শুরু হবে।

পাগলের প্রলাপ মনের থেকে ঝেড়ে ফেলুন- গালে একদলা থুতু  আমার দিকে ছুঁড়ে দিয়ে, পাথর ছোঁড়ার ছুঁড়তে থাকুন।

আমার মত পাগলের কিছু মনের কথা আপন মনে বকবক করছি, পৃথিবীর সকল ধর্মের প্রতীক স্বরুপ স্রষ্টা  এক
অভিন্ন  এই বিশ্বের ব্রক্ষ্ম  যাকে বিভিন্ন ধর্মের পরম পিতা মেহেরবান, গর্ড, আগুন, নির্বাহী নির্মোহ নির্বাণ ধ্যানস্থ বুদ্ধদেব
ঈশ্বরের অস্তিত্ব  বা না অস্তিত্বের হীনতা সম্পর্ক নিশ্চুপ  ছিলেন। কারণ ঈশ্বরের অস্তিত্ব  অনুভব করতে প্রাণিত প্রাণের
গহ্বরে প্রতিনিয়ত তাঁর সন্ধান করতে নির্জনে সাধন করতে হায়।

হঠাৎই করেই ভেসে আসে পরম পিতার পরম ব্রহ্ম সত্য স্বরুপ অমোক  বাণী যে বাণীর প্রতিধ্বনি শোনা যায়
বিভিন্ন ধর্মের সাধু ঋষি  সাধক, ঈশ্বরের পুত্র - ধর্ম প্রবর্তক  বহু ধর্ম প্রবর্তক  আবির্ভূত হন কালে কালে,
তাঁদের অনেকেই  বলেছিলেন -- হে পরম পিতা স্রষ্টা আপনি আমাকে আশীর্বাদ করুন- -" যেন আপনার  আপন জ্যোতি
আলোতে  আমার চোখ, কান, মুখ ধৌত করুন, যেন আমি কোন অপ্রিয় অসত্য তথ্য অসুন্দর কিছু দেখতে
শুনতে, বা আমাকে বলতে না,  না হয়।

আমাকে এই তমসাচ্ছন্ন অন্ধকার  থেকে প্রাণের প্রভু  আপনি আমাকে জ্ঞানের  আলোকে নিয়ে চলুন।
" LET THEIR LIVES TO BE OR THERE PLACE TO  BE LIGHTED "

অদৃষ্ট ভাগ্যের নির্মম পরিহাস মনুষ্য জন্ম বৃথা গেল, আমার জন্ম ক্ষণে প্রতিক্ষণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন
বিভিন্ন রণাঙ্গনে চলছিল বোমারু বিমানের  বোমা বিস্ফোরণ জ্বলে উঠছিল  আগুন সে আগুনে ভস্মীভূত
ইমারত  উপাসনা আলয়ে  আজও  যেমন হয়-  চিরদিন শক্তিমান কাছে সর্বদাই দূর্বলেরা পরাস্ত বিব্রত
সন্ত্রস্ত উদ্বিগ্ন পলায়ন রত প্রাণের ভয় মানুষ ইজ্জত মান নারীদের নির্যাতন অত্যাচার সহ্য করতে আবাহন
কাল থেকে আজ পর্যন্ত।
ভয়ার্ত  পলাতক শরণার্থী  এই মুহূর্তেই পালাচ্ছেন স্বদেশ থেকে বিদেশে।

চলছেই---  চরৈ বতে

শ্রীচরণেষু জননী

শ্রীচরণেষু  জননী

শ্যামল  সোম

তুমি  কেমন আছো মা, কেমন আছে আমার জন্মভূমি, আমার ফেলে আসা গ্রাম, কেমন গাঢ়  অঞ্চল পার্বত্য চট্টগ্রাম,
সিলেট, জানো মা এই সিলেটের মানুষ  জাহির, নামটি গোপন রাখলাম, লন্ডনে বসবাস, তিন পুরুষ ধরে, ইংরাজী ভাষাই লেখেন। বিখ্যাত  সাহিত্যিক এ আদি নিবাস ছিল  সুন্দরী  সিলেটে।
ভীষণ ভালো মানুষ গত  2015 সালে এসে ছিলেন, কোলকাতার  ব্রিটিশ কাউন্সিল
সৌজন্যে, উনি অসামান্য  বক্তৃতা দিলেন, এই বিষয়ের উপরে, লেখকের স্বাধীন চিন্তা ও পারিপারশিকতা পরিস্থিতি কতটা সাহিত্যিক কলমে বা মনে প্রভাব ফেলে-- খুব দর্শন সূলভ,  পরিসংখ্যান ইত্যাদির পরে নির্ভর করে আপন ভঙ্গিমায়
মনের কথা ব্যক্ত করেছিলেন, মুগ্ধ  হয়ে  শুনছিলাম, ওঁনার সাথে কথোপকথন কোলকাতার  একটি দৈনিক সংবাদ পত্রে আমার সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছিল।
একটি প্রশ্ন শুনে উদাস হয়ে গিয়েছিলেন  ইংরাজী ভাষায় সাহিত্যিক, " কখন কি পড়ে মনে আপন শেকড়ের সন্ধানে ?"

ইংরাজী ভাষায় লেখেন তবু গোপনে মনের কোনে এই সিলেটের জন্য কেন কাঁদে প্রাণ নিভৃতে নির্জনে একাকিত্বের মাঝে ?

মাগো আমি ভাষাহীন সাহিত্যিক নই আমার জ্ঞান খুবই সীমিত  অতি সাধারণ সামান্য দিন দরিদ্র মানুষের কেন কাঁদে প্রাণ
ময়মনসিংহ সোমেশ্বরী নদী, ব্রক্ষ্ম পুত্র নদী, বিশ্বখ্যাত শিল্পী জয়নাল আবেদীন সংগ্রহ শালার পাশ দিয়ে বহে যায়
বহমান নদী বা নদের দিকে তাকিয়ে কেন যেন রক্ত ক্ষরণ এর প্রপাত  আছড়ে, পড়ে পড়ল আমার হৃদয়ের গহীন অরণ্যে?

চিরদিনের জন্য ফেলে আসা সোনার দেশ বাংলাদেশের জন্য ক্ষোভ, আমার  কষ্ট এর কথা লেখার  মনের ব্যর্থ প্রয়াস।    আমার বিক্ষিপ্তমন খুব খারাপ যখন মৃত্যুর পদধ্বনি শুনি প্রতিনিয়ত, শেষ বয়সে  মৃত্যুর ডাক শুনি,  তখন ভাবি আর একবার, এই শেষবার শেকড়ের টানে ছুটে গিয়ে জড়িয়ে শৈশবের অপূর্ণ স্বপন, শৈশবের সাথী  গাছটিকে আলিঙ্গন করি।

হতভাগ্য আমি  আর বোধায় ফেরা হলো না, মা মাগো নদী-জননীদের কাছে?
মাগো ভালো নেই আমি,

তুমি ভালো থেকো মা।

তোমার  পলাতক শরণার্থী  সন্তান

অনেকেই জিজ্ঞেস করেছেন কেন যাই বাংলাদেশে -- আবেগ প্রবণ সত্যি একটি আমি বেকুব বেক্কল বেল্লিক বোকা তাই।

আপনাদের মত মানুষদের কুর্নিশ জানাই 
অসামান্য সব মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞ রইলাম
মঙল হোক আপনার সাহিত্যিক আপনারা বলুন
কেনো আমার প্রতি বছর ছুটে ছুটে যাওয়া মাটি
মাটির বুকের ভেতর বন্দি  যে লুকিয়ে অপার্থিব
স্নেহ ভালোবাসা আমার প্রতি আমি মাটির বুকে
কান পেতে শুনি, আদরের ডাক কেমন আছিস
শ্যামল? ভালো নেই মা -- আশীর্বাদ করো মা মাগো।

Friday, 27 January 2017

আত্মপ্রকাশের আত্মকথন শ্যামল সোম

আত্মপ্রকাশের আত্মকথন

  [এ বলদের মতন লিখছি রঙে ঢঙে, ছিলিমে লম্বা টান, এ গাঁজাখুরি গপ্পো  কেউ কেউ আবার  দাঁতাল, গাঢ়ল, গোলাপ জলে কৈ ধরতে,  খেই ধরেতেই থৈ পাবেন না।]

শ্যামল সোম

নির্লজ্জের মতন উন্মোচিত হোক আমার ঐ রাস্তায় ঘোরা ঘুরি করা লেড়ি কুত্তার বাচ্চা মতন বেড়ে পরগাছা বেয়ে উঠছি।

জৈবিক নিয়মে  জন্ম হল যেমন পশুরা জন্মায় তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন পরাধীন অখন্ড ভারতবর্ষের বিভিন্ন
প্রান্তে প্রান্তরে বিভিন্ন ধরনের দল দলা দলি তখন ছিলো হাজার হাজার দাসত্ব  দাস সুলভ মন বৃত্তি এ প্রস্তর যুগ
এখন এই একবিংশ শতাব্দীর সভ্যতার অভিশপ্ত জীবন অদৃষ্ট গত জন্মের  পাপ মুখ হাত ধূয়ে সাফ।
এই গত কালই  শুনলাম ভারতবর্ষের লোক সংখ্যা  ঐ জন্তু জানোয়ার মতন যখন যে দল তু তু করে ডাকছে
আমি পথের কুকুরের লেজ  নাড়তে নাচাতে যৌবনে আমিও  হেঁটে ছিলাম মিছিলের সাথে ভেবেছিলাম
অনশন বন্দি  যারা ভাগ্য হত, জীবন পরিবর্তন  শ্রেণী হীন শান্ত স্বর্গীয় আনন্দের মঙল  লোকে ফেরানো মানুষকে
যেখানে মানুষের মধ্যে পরস্পরের বিরুদ্ধে ধর্মের ধ্বজাধারী, হাতে নিয়ে খোলা  তরোয়াল ত্রিশূল, আধুনিক, আনুবিক
অজস্র মারণাস্ত্র এখন বিভিনন আকারে ঘরে ঘরে শহরে গ্রামে  দেশে দেশে বিদেশে সব দেশেই মজুত করছে
সেই প্রাগ  ঐতিহাসিক  ছোট গোষ্ঠীর যাযাবর জীবন যাপন  আবার কি শুরু হবে।

পাগলের প্রলাপ মনের থেকে ঝেড়ে ফেলুন- গালে একদলা থুতু  আমার দিকে ছুঁড়ে দিয়ে, পাথর ছোঁড়ার ছুঁড়তে থাকুন।

আমার মত পাগলের কিছু মনের কথা আপন মনে বকবক করছি, পৃথিবীর সকল ধর্মের প্রতীক স্বরুপ স্রষ্টা  এক
অভিন্ন  এই বিশ্বের ব্রক্ষ্ম  যাকে বিভিন্ন ধর্মের পরম পিতা মেহেরবান, গর্ড, আগুন, নির্বাহী নির্মোহ নির্বাণ ধ্যানস্থ বুদ্ধদেব
ঈশ্বরের অস্তিত্ব  বা না অস্তিত্বের হীনতা সম্পর্ক নিশ্চুপ  ছিলেন। কারণ ঈশ্বরের অস্তিত্ব  অনুভব করতে প্রাণিত প্রাণের
গহ্বরে প্রতিনিয়ত তাঁর সন্ধান করতে নির্জনে সাধন করতে হায়।

হঠাৎই করেই ভেসে আসে পরম পিতার পরম ব্রহ্ম সত্য স্বরুপ অমোক  বাণী যে বাণীর প্রতিধ্বনি শোনা যায়
বিভিন্ন ধর্মের সাধু ঋষি  সাধক, ঈশ্বরের পুত্র - ধর্ম প্রবর্তক  বহু ধর্ম প্রবর্তক  আবির্ভূত হন কালে কালে,
তাঁদের অনেকেই  বলেছিলেন -- হে পরম পিতা স্রষ্টা আপনি আমাকে আশীর্বাদ করুন- -" যেন আপনার  আপন জ্যোতি
আলোতে  আমার চোখ, কান, মুখ ধৌত করুন, যেন আমি কোন অপ্রিয় অসত্য তথ্য অসুন্দর কিছু দেখতে
শুনতে, বা আমাকে বলতে না,  না হয়।

আমাকে এই তমসাচ্ছন্ন অন্ধকার  থেকে প্রাণের প্রভু  আপনি আমাকে জ্ঞানের  আলোকে নিয়ে চলুন।
" LET THEIR LIVES TO BE OR THERE PLACE TO  BE LIGHTED "

অদৃষ্ট ভাগ্যের নির্মম পরিহাস মনুষ্য জন্ম বৃথা গেল, আমার জন্ম ক্ষণে প্রতিক্ষণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন
বিভিন্ন রণাঙ্গনে চলছিল বোমারু বিমানের  বোমা বিস্ফোরণ জ্বলে উঠছিল  আগুন সে আগুনে ভস্মীভূত
ইমারত  উপাসনা আলয়ে  আজও  যেমন হয়-  চিরদিন শক্তিমান কাছে সর্বদাই দূর্বলেরা পরাস্ত বিব্রত
সন্ত্রস্ত উদ্বিগ্ন পলায়ন রত প্রাণের ভয় মানুষ ইজ্জত মান নারীদের নির্যাতন অত্যাচার সহ্য করতে আবাহন
কাল থেকে আজ পর্যন্ত।
ভয়ার্ত  পলাতক শরণার্থী  এই মুহূর্তেই পালাচ্ছেন স্বদেশ থেকে বিদেশে।

চলছেই---  চরৈ বতে

শক্তি চ্যাটার্জি জীবন ও কবিতা

https://youtu.be/heLetu5Vaao

Wednesday, 25 January 2017

তোমার প্রেমে বৃক্ষ আমি আজ।

শ্যামল  সোম                   ( এ কবিতাটি আমার  প্রিয় কবি   শেলী হক  মহাশয়া কে উৎসর্গিত এ অর্ঘ্য)

প্রাচীন বৃক্ষের ডালে
বহু দূর হতে উড়ে এলো
দোয়েল, হঠাৎই আগমনে
উদ্বেলিত আপ্লুত
বৃদ্ধ বৃক্ষের ডালে নবিন
সবুজ পাতা পাতায়
আবির্ভূত হলো আমার
হৃদয়ের কবি পঠে আঁকা
ছবি কাব্যর দেবী
অহেতুকী কৃপা প্রেম
ভয়ার্ত, নয়নে  নয়ন 
বৃক্ষের দেহে কম্পন, 
উঠল ঝড় এলো ডাল পালা,
বিপর্যস্ত বৃক্ষের বুকের
কোঠরে  দোয়েল  জড়ায়ে
সে আছে, বাধা ছাড়ায়ে যেতে
চায় তবু কেন ছন্দে ছন্দে
দোলে দোয়েল গেয়ে গান।
হে কবি তোমার কাব্যের
পুষ্প পুষ্প মুকুলিত  উদ্যানে
ফুটে উঠল প্রেমের ফুল সে
সে করে কোন মারাত্মক ভুল?
বৃক্ষের হৃদয় কেন তোমার
আপন হাতের দোলায়
দোলাও দোলাও বৃক্ষের 
অশান্ত  শোকাচ্ছন্ন  মন?
যৌবনে কোন এক জ্যোৎস্না
রাতে দুলেছিনু বনে
এই কি সেই  বৃক্ষের ডালে,
বাজ পরা দগ্ধ এ বৃক্ষ।
হারায়ে গিয়েছে সুতীব্র প্রেম
সলজ্জ চোখে চোখ ঘণ ঘণ
শিহরণ বহমান রক্তে আগুন
নিভে গেছে  অকাল বর্ষনে।
আজ এ পৃথিবীর গভীরতর
অসুখ  অসুস্থ  আমার মতন।
এ জরাজীর্ণ বৃক্ষ  ডালপালা
মেলে জড়িয়ে ধরতে তোমাকে
চায় আকাশের চাঁদ, বদ্ধ উন্মাদ
উদ্যম হীন জরাগ্রস্ত বৃদ্ধ বৃক্ষের
ঝুরি  নেমে গেছে মাটির গভীরে 
কেন  যায় আরো গভীরে যায়,
সে কিসের ভগ্ন মায়াবী চোখের
ইশারায়, ফিরিয়ে নিয়েছি মন।
মাটি বুকের ভিতর বন্দি  যে জল
মাটি পায়না তাকে, বৃক্ষের প্রেমে
পড়ার ব্যর্থ প্রয়াস।
পরিহাসে আজ হাস্যাস্পদ
সবাইর কাছে  বিষন্ন
বৃক্ষ শোনে  গান, নিমগ্ন
আত্মহনন পূর্ব মূহুর্তে,  শেষে
ছেড়ে দীর্ঘশ্বাস  অব্যক্ত উক্তি
" কল্যাণ হোক  দোয়েলের "
" পাখী মৃত্যুর পথে পথ যাত্রীকে 
যে শুনিয়েছিলে গান," কৃতজ্ঞ আমি।

জননী আমার মাগো

আজি সুপ্রভাতে আমাদের মা
ছাড়া আর কেউ আছে আপন
এ তো ঠিক, মায়ের কাছে শেখা
এই সত্যের সাথে এ জীবন যাপন
আমার প্রাণ ঢালা ভালোবাসা ছাড়া
এ জরাগ্রস্ত বৃদ্ধের কিছু  কি আছে?
এক নদী অশ্রু রয়েছে এই চোখে।

সুস্বাগতম সুপ্রভাত ছুটির নিমন্ত্রণে সবাইকে করি আমন্ত্রণ।
আজ 25--2---2017   শুভ উদ্বোধন কোলকাতার বই মেলার
মাত্র  দশ দিন -অপেক্ষা রইলাম আপনাদের সকলের জন্য  শ্যামল  সোম
মোবাইল ফোন  নম্বর 0918697127701 WhatsApp 0918697127789

নারীদের সন্মান প্রদর্শন করেই
মাতৃ রূপ দেখি মুগ্ধ হই স্নেহ
ভালোবাসাই তাঁদের কাছেই পাই।
বোন প্রাণ ঢালা ভালোবাসা ছাড়া
এ বৃদ্ধের আর কিছু  কি আছে?
এক নদী অশ্রু রয়েছে এই চোখে।
এ অশ্রু নদী নদী বহমান স্রোতে
মনের যত গ্লানি অভিমান ভেসে
যাক তোমার যত মনের কষ্ট আসে।

MOTHER'S DAY IS MY EVERYDAY
MAY MY BELOVED MOTHER LIVES
LONGER THAN ME.
I EXPRESS MY DEEP GRATITUDE TO LIVING OWN
MOTHER WHO GAVE BIRTH ME,  I AM FORTUNATE
THAT MY MOTHER LIVES WITH ME.