Monday, 19 December 2016

আমার ভীষণ প্রিয় আবৃত্তিকার বন্ধু





আমার প্রাণের ভালো মানুষ  ( সংকলন )

   আবৃত্তিকার বদরুল আহসান খান, কবিতার সাথে
তাঁর আধ্যাত্মিক যোগে কবিতার করেন বসবাস।
তরুন
সাহিত্যিকদের কাছে এক প্রিয় নাম।

বর্তমান সময়ে যে কজন মানুষ কবিতাকে হৃদয়ের ধারন করে
আরো শ্রুতি মধুর ভাবে বাচিক শিল্পে রুপান্তর করার জন্য
নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছেন বদরুল আহসান খান
তাদের মধ্যে অন্যতম আবৃত্তিকার।

প্রবীন এই বাচিক শিল্পির জন্ম ২৭ মার্চ ১৯৪৯ সালে জামালপুর
জেলায়।

বাবা সরকারী কর্মকর্তার কর্মস্থলেরর সুবাদে শৈশবের বেশ কিছু
সময় কাটিয়েছেন চট্রগ্রাম ও রংপুর।

এর পরেই পরিবারের সাথেই স্থায়ী হন ঢাকায়। দশ ভাই ও দুই বোন
এর বড় এক সংস্কৃতিমনা পরিবারের বেড়ে ওঠা এই গুনিজন আবৃত্তিকারের।

কিশোর বয়স থেকেই তিনি বড় ভাই মন্জুরুল আহসান খানের
সান্নিধ্যে গনসংগীত ও কবিতা আবৃত্তির প্রতি বিশেষ আকৃষ্ট হোন।
দেশের অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক সংগঠন উদিচীর সাথে আছেন
প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই।

২৫শে মার্চ ৭১ সালের মক্তিযুদ্ধের শুরুর প্রথম প্রহরে
তিনি চামেলি বাগের নিজ বাসভবন পরিবারের সাথেই ছিলেন।
বাসাটি রাজারবাগের কাছে হওয়ায় সেই কালো রাতের
লোহমর্ষক স্মৃতি বুকে বয়ে বেড়ান আজো।

সংস্কৃতি মনা পরিবার ও বড় ভায়ের বাম দলের প্রতি অনুরাগের
কারনে তাদের পরিবার পাক বাহিনীর খারাপ লক্ষ্যবস্তুুতে
পরিনত হতেই পারতো,কিন্তু সৃষ্টি কর্তার অশেষ কৃপায় তারা রক্ষা পান।

মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজের পরিবারের অনেক সদস্য মুক্তি যুদ্ধে
সরাসরি অংশগ্রহন করলেও তিনি শারীরিক অসুস্থতার জন্য
মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহন না করতে পারার বেদনায় ব্যথিত
সে সময়ের বঞ্চিত মানুষের জন্য গনসংগীত ও দলসংগীত গেয়ে
বেড়ানো এই সংস্কৃতি প্রেমি মানুষটি।

সরকারী চাকুরে থেকে অবসর নেওয়ার পরও এই সুমিষ্ট ভাষি
আবৃত্তিকার সাহিত্য চর্চার অন্যতম শাখা কবিতা আবৃত্তির প্রতি
তার প্রগাঢ় ভালোবাসা তরুন কবি ও পাঠকদের কাছে
এক প্রিয় মানুষ হিসেবে সমাদৃত হয়েছেন।।

বিভিন্ন সময়ে তিনি প্রতিষ্ঠিত কবিদের কবিতা আবৃত্তি করে
ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন।কবিতা নিয়ে কাজ করেছেন বেতার
ও টেলিভিশনেও।

বর্তমানে তিনি তরুন কবিদের উৎসাহ দিতে নিঃস্বার্থ ভাবে
তাদের কবিতা আবৃত্তি করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়েছেন।
এছাড়াও আবৃত্তিকার বদরুল আহসান খান বিভিন্ন সাংস্কৃতিক,
সাহিত্য ওসামাজিক উন্নয়ন মুলক সংগঠনের সাথে জড়িত।
দেশের প্রবীন এই বাচিক শিল্পীর সুস্থতা ও দির্ঘায়ু কামনা করি।

আবৃত্তিকার বদরুল আহসান খান, তরুন সাহিত্যিকদের কাছে এক প্রিয় নাম।

বর্তমান সময়ে যে কজন মানুষ কবিতাকে হৃদয়ের ধারন করে আরো
শ্রুতি মধুর ভাবে বাচিক শিল্পে রুপান্তর করার জন্য নিরলস ভাবে কাজ
করে চলেছেন বদরুল আহসান খান তাদের মধ্যে অন্যতম আবৃত্তিকার।
সাহিত্য চর্চার অন্যতম শাখা কবিতা আবৃত্তির প্রতি তার প্রগাঢ় ভালোবাসা
তরুন কবি ও পাঠকদের কাছে এক প্রিয় মানুষ হিসেবে সমাদৃত হয়েছেন।।

বিভিন্ন সময়ে তিনি প্রতিষ্ঠিত কবিদের কবিতা আবৃত্তি করে ব্যাপক
প্রশংসিত হয়েছেন।

কবিতা নিয়ে কাজ করেছেন বেতার ও টেলিভিশনেও।

বর্তমানে তিনি তরুন কবিদের উৎসাহ দিতে নিঃস্বার্থ ভাবে তাদের
কবিতা আবৃত্তি করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়েছেন।
এছাড়াও আবৃত্তিকার বদরুল আহসান খান বিভিন্ন সাংস্কৃতিক,
সাহিত্য ওসামাজিক উন্নয়ন মুলক সংগঠনের সাথে জড়িত।
দেশের E0%A6প্রবীন এই বাচিক শিল্পীর সুস্থতা ও দির্ঘায়ু কামনা করি।

Friday, 16 December 2016

পাগলী ফিরে আয়

পাগলী আমার কীর্তন খোলা নদী

শ্যামল  সোম  বাঁশিওয়ালা

স্রোতে বহমান নয়
আমি সেই মজা নদী
তবুও হৃদয়ে পূর্ণ প্রেম।
পাগলী তুই  স্বপ্নে আয়
তুই  আমার কীর্তন খোলা
জোয়ার ভাসিয়ে দে পাগলী।
আমার চোরা স্রোতে প্রেম
তোর ঐ সলজ্জ চোখেচোখ,
পড়তেই হঠাৎই  ভূমিকম্প
ঐ ভূমিকম্প মাঝে কক্ষচ্যুত
মীম যমুনা না মেঘনা প্রচন্ড
বেগে বন্যা বন্য প্রেমে ঝাঁপিয়ে
উর্মি তোর আমার জোড়া স্রোতে
সে একুল ভেঙে ওকুল গড়ছে।
আমার স্পন্দন হয় আলোড়িত
ত্রিকোণ প্রেমে  তিনজনের মন
পরস্পরকে ভালোবেসে ধন্য
ধন্য ধন্য ধন্য ধন্য ধন্য হলাম।
ভালোবাসা যত করবি দান
অনায়াসে অনিন্দ্য  অনন্ত প্রেম
অমলিন পবিত্র পদ্মের মতন তুই।
আমার তোমার মীমের কাব্য
অলংকরণে চিত্রকল্পে ছন্দের
বিমূর্ত প্রতীক স্বরূপ গঙ্গা আমি
পদ্মা নদী আমার পদ্মাবতী তুই
সে মীম  যমুনা না ইছামতী নদী ?

তুমি সে আমি তিন নদীর মিলন সঙ্গম

শ্যামল সোম

পাগলী আর একবার ফিরে আয়
কসম আমার ভালোবাসার সত্যই
আর কখখন টাল মাতাল হবো  না
তিন সত্যি তোকে ছেড়ে আর কোথাও
কোন দিন তোকে একা ফেলে রেখে
এদিক ওদিক আর কভি নহি  যানা
বিবিজান কসুর মাফ কর দে প্যায়র
মহব্বত কি কসম-  পাগলী ফিরে আয়।

ফিরে দেখা ইতিহাস শ্যামল সোম

ফিরে দেখা ইতিহাস

শ্যামল সোম

আজ  বিজয়  উৎসবের  আনন্দে
মাতোয়ারা স্ফূর্তির ফোয়ারা উল্লাস
রঙিন ফানুস  উড়ছে  রাতের আকাশে
লেখা মা আমার বাংলাদেশ- 
শস্য শ্যামলা  বাংলাদেশ, শতসহস্র পরবাসী।
প্রবাসী প্রিয়জনের আগমনের সংবাদ নেই,
এঁনাদের পূর্ব পুরুষদের মুক্তি যুদ্ধে প্রাণ বিসর্জন
কালের অতলে তলিয়ে যাওয়ার ইতিহাসে শেষ।
সকল দেশের সেরা-
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে না কো তুমি,
সকল দেশের রানী সে যে -- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়
ভারতবর্ষের  অখন্ড ভৌগোলিক অবস্থানের
উপর নির্ভর করেই লেখা সমগ্র অবিভক্ত  সেই
বাংলা উপরে লেখা জানাই নেই --ধর্মের নামে
মুসলমানদের উপরে গোঁড়া হিন্দুদের অত্যাচার
অসহ্য জাতপাতের  অভিশাপে  অভিশপ্ত জীবন।
" সাঁরে জাঁহাসে আচ্ছা  হিন্দুস্থান আমারা "
মহান কবি ইকবাল প্রাণের ভয়ে কি চলে গেলেন কেন?
সীমান্তের  গান্ধী  শ্রদ্ধা ভাজন আবদুল গোফুর খান
সন্মান কতোটুকু  পেয়েছিলেন?
ক' জন মনে রেখেছেন ভাষা সৈনিক মাতিন সাহেবকে?
কলঙ্কিত ইতিহাসের বাস্তবায়ন দলিল  আজও  এ বৃদ্ধের মন
ভারাকান্ত  উনিশো পঞ্চাশ সাল মাতৃভূমি থেকে প্রাণের ভয়ে
পলায়ণ নির্লজ্জের মতন ভীষন কষ্ট পাই আমার কীর্তন খোলা
নদী আমার বুড়ি গঙ্গা আড়িয়াল খাঁ রাঙামাটি ও ময়মনসিংহ
সবই  এখন স্মৃতি জড়িত আবেগ, তাচ্ছিল্য করে হেসে ওঠে।
নাই নাই নাই নাই নাই শুধুই হাহুতাশ আর গোপনে অশ্রু বিসর্জন।
মাফ করবেন আপনাদের  আজ আনন্দের  দিনে আমার দুখের
ঝাঁপি খুলে বলে ব্যঙ্গ করে প্রাণ খুলে হাসুন, বিদ্রুপ করুন!
কিন্তু এই  শরণার্থী পলাতক  বৃদ্ধের একান্ত প্রার্থনা দেশকে
আন্তরিক ভাবে আত্মনিবেদন করে ভালোবাসুন আগামী
প্রজন্মের জন্য এক শস্য শ্যামলা বাংলাদেশ গড়ে তুলুন।

পুনশ্চ- :
আমি ধন্য হলাম সোনার বাংলাদেশের এক সোনার মানুষের লেখা
পড়ে মুগ্ধ হলাম অভিনন্দন জানাই।
আমার প্রিয়তম ভাইজান এই বাংলাদেশের এক জনপ্রিয়তার শীর্ষে
কবি Mohammedmusa Babul
উনি এই বৃদ্ধের প্রতি কৃপা করে  লিখলেন- ---:

আমি কৃতজ্ঞ  গুরু
তোমার ভালোবাসায়,
কেউ মাতৃভূমি কে প্রণাম
হৃদয় গহিন নেশায়।
তোমরাই ঐ শ্রেষ্ঠ সন্তান
দেশ মাতৃকার পাশে,
তোমার বুকের ব্যথা আমায়
কষ্ট দেয় সকল আশে।
এপার ওপার দুইপ্রান্তই
বাংলার অমৃত বন্ধনে বাধি,
একে অন্যের সুখেদুঃখে
ভালোবাসায় কাদি।
বিজয়োৎসব শুভকামনায়,
বঙ্গ বাঙালি এবং আপনার দীঘয়ূ
কামনা  করি।।

ভালোবেসে বাংলাদেশে

সুপ্রভাতে বিজয় দিবস স্মরণে
অভিনন্দন শতসহস্র, এই গ্রুপের
সবাইকে শুভেচ্ছা অফুরন্ত, ভালোবাসা
ও মুগ্ধতা জানিয়ে রাখি  ও সবার জন্য,
আমার আন্তরিক শুভকামনা রইলো।

ভালো মানুষের খোঁজে বাংলাদেশে

শ্যামল  সোম

শিকড়ের টানে বারবার ফিরে আসা,
ময়মনসিংহ  এ ফুলপুরা সে কিসের
সন্ধানে, সোঁদমাটির গন্ধে  আকুল মন
সোমেরশ্বরী  নদীর ঐ জলে দিয়ে ডুব
অতলে, স্মৃতি ভাসমান, মনের মুকুরে।
বাংলাদেশে, বাংলাদেশের মানুষ  আমি
ভীষণ ভাবে ভালোবেসে ফেলেছি, তবু
শৈশবেই এখানেই আমার বাল্যপ্রেম
গ্রাম্য শস্য শ্যামলা, চির সবুজ সত্তর
বছরের সেই শান্ত স্নিগ্ধ ভোরের আকাশে
বিস্তীর্ণ ধূ ধূ মাঠে সবুজের মাঝে রক্তিম সূর্য।
চাচা গোফুর আলি, নানু মনসুর ভাই, নানীর
নলেন গুর রসে পিঠা, ঢাকাই পরটা, ফিরনি।
রফিক, কামরুল, ফারুক, বিষ্ণুর সাথে দল
বেঁধে নৌকা বেয়ে ভেসে যাওয়া দূর থাইকা
শুনি, " ও বন্ধু কই গেলা রে, পরাণ হইলো
খান খান, মাইথা উপরেই  একই  আসমান
ও- ও- বন্ধু- রে - কই গেইলা রে----" !

" ভালো মানুষের খোঁজে বাংলাদেশে "
এই শিরোনামে একটি স্ফুলিঙ্গে জ্বলে
উঠলো আমার হৃদয়ের আকাশে এরই
উপলব্ধি করতে জেলা থেকে  জেলায়
চলেছি এক আপনাদের মতো পাশে পেয়ে
ভীষণ ভালো লাগলো।
একজন ভালো মানুষের সংস্পর্শে এসে
"আমার ভালোলাগার  ভালো মানুষেরা
খুব  ভালো থাকুন।

একান্ত শ্যামল  সোমভালোবাসে বাংলাদেশে

শ্যামল  সোম

ভালো মানুষের  খোঁজে আসি বারে
বারে এই বাংলায়  বাংলাদেশে,ফিরে
চলে যেতে হয়, কাঁটাতারের বেড়ার
ওপারে,কেন এত বেদনা  অবাধ্য সময়ে।
কেন ফিরে ফিরে  আসা,  ভেসে
ভেসে  গঙ্গা থেকে  রূপবতী  পদ্মায়।
ভালো মানুষের  খোঁজে কখন পাবনায় দিলু,
ঢাকায় ইতি, শায়লা, কুষ্ঠিয়ায় মা ফারহানা,
শাহাজাদ পুরে জননী হালিমার স্নেহ ছায়া,
মুসাফির  মতো কখন রংপুরে নাবিলা কাছে
সিলেটে  জননী সুফিয়ার আদর যত্নে অতিষ্ঠ,
বাবা ডাক শোনার অপেক্ষায়  কন্যাহীন পিতা
আমার হৃদয়ে।
ঢাকায় বদরুল ভাই  আপন ভাইয়ের
চেয়ে কাছে এক ভালো মানুষের কাছে
আসা, ঠিক  এ ভাবে ভালোবাসার
অমোক টানে সালেক ভাইয়ের কাছে
থেকে অযাচিত দান গ্রহন অনীহায়
প্রেমের  ধমকে চোখে জল টল টল করে।
অতিথি  দেব ভব, ভারতে শুনেছি সকর্ণে
প্যাকটিকাল বেদান্ত পূঁথীগত বিদ্যা নয়।
দৈনন্দিন  ব্যবহারিক জীবনে  প্রতিফলন
অতিথি রূপে পঞ্চাশ বছর  আসা যাওয়ায়
হাজার আমার মা, জননী বোনেদের  এবং
ভাইয়েদের নিমন্ত্রণে দু চার জনের আত্মার
কাছাকাছি থেকে অভিজ্ঞতা আপন হৃদয়ে
স্থায়ী বাস করছেন দিলদার বিনদাস আমি
ভালো সত মানুষের  এক এক জন মুজতবা,
প্রেমিক শিক্ষক, প্রেমের কাব্যের প্রতি টানে
প্রতি বছর ছুটে যাই, এই সব ভালো মানুষদের
এঁরা মনজুর মুরসেদ ভাই, অখন ভাইজানের
অকৃত্রিম ভালবাসা এ ঋণ  আজীবন রয়ে যায়।
প্রাক্তন অবসর প্রাপ্ত পুলিশ অফিসার তাঁর 
নাসির সাহেব সংস্কৃতভাষা শিখে সনাতনে ধর্ম
তত্ত্ব অনুসন্ধানে দেশ বিদেশের  অনুষ্ঠানে বক্তব্য
পেশ করে আনন্দে সদা হাস্য মুখ। 
ঐ মীরপুরে শিলুর কন্ঠে স্বরচিত কবিতা পাঠ
ছন্দের আনন্দে অপেক্ষায়  থাকে মন, প্রতীক্ষিত
জননী কখন তাঁর বাহাত্তর বছরের খোকা ফিরবে,
গোবিন্দ গঞ্জে শান্তা ও ডলির স্নেহের পরশ, পেতেই
ভালো মানুষের খোঁজে এই  আমার  পারাপার।

পাগলী তুই আমার কীর্তন খোলা নদী

পাগলী তুই  আমার কীর্তন খোলা নদী

শ্যামল  সোম  বাঁশিওয়ালা

স্রোতে বহমান নয়
আমি সেই মজা নদী
তবুও হৃদয়ে পূর্ণ প্রেম।
পাগলী তুই  স্বপ্নে আয়
তুই  আমার কীর্তন খোলা
জোয়ার ভাসিয়ে দে পাগলী।
আমার চোরা স্রোতে প্রেম
তোর ঐ সলজ্জ চোখেচোখ,
পড়তেই হঠাৎই  ভূমিকম্প
ঐ ভূমিকম্প মাঝে কক্ষচ্যুত
মীম যমুনা না মেঘনা প্রচন্ড
বেগে বন্যা বন্য প্রেমে ঝাঁপিয়ে
উর্মি তোর আমার জোড়া স্রোতে
সে একুল ভেঙে ওকুল গড়ছে।
আমার স্পন্দন হয় আলোড়িত
ত্রিকোণ প্রেমে  তিনজনের মন
পরস্পরকে ভালোবেসে ধন্য
ধন্য ধন্য ধন্য ধন্য ধন্য হলাম।
ভালোবাসা যত করবি দান
অনায়াসে অনিন্দ্য  অনন্ত প্রেম
অমলিন পবিত্র পদ্মের মতন তুই।
আমার তোমার মীমের কাব্য
অলংকরণে চিত্রকল্পে ছন্দের
বিমূর্ত প্রতীক স্বরূপ গঙ্গা আমি
পদ্মা নদী আমার পদ্মাবতী তুই
সে মীম  যমুনা না ইছামতীনদী ?

তুমি সে আমি তিন নদীর মিলন সঙ্গম

শ্যামল সোম

Tuesday, 13 December 2016

চলরে পাগলী পালাই অনু কাব্য গ্রন্থ 14-12-2016

চলরে পাগলী পালাই

শ্যামল সোম

চলরে পাগলী পালাই
আকাশ পথে মেঘের
খেয়া ভাসাই পরস্পরে
ফেরারী প্রেমের রূপসা
নদীর পারে মাটির ঘরে
ফিরবো না এ সংসারে
নিত্য  যেথা শিরশ্ছেদ
নির্যাতন অত্যাচারে
ভয়াবহ দূষণ পরিবেশে
কবি খুন হয়ে যান যেথা।