Tuesday, 18 April 2017

আমার কবিতা নাটক ফেসবুকে প্রেমের প্রতিশ্রুতি

সে আমার গোপন আরাধ্য প্রেম

শ্যামল  সোম

কীর্তনখোলা নদীর
বহমান স্রোতে পড়ে,
সূর্যোদ্বয়ের ভোরে
হীমেল হাওয়ায়।
কুয়াশার আড়ালে,
ঐ গাছের তলায়
থেকেই দেখেছিলাম,
তুমি মুখ ফিরয়ে
বহমান নদীর ধারে
দাঁড়িয়েছিলে,ভাবে
আত্মমগ্ন, ম্লান দৃষ্টি
নিয়ে বেদানার্ত সজল
চোখে দেখছিলাম
আমার হৃদয়ের
গোপন প্রেমের
স্বপ্নচারিনীকে।
এ জীবনের চলার
পথের  শেষে অনেক
দেরীতে শেষ লগ্নে কেন
এলে তুমি হে প্রেম ?
এসে আমাকে হে নারী
ভালোবেসে অনাদায়ে
ফেলেছিলে  আপন
মহিমায় মহিমান্বিতা।
আমার হৃদয়ের স্পন্দন
তুমি, এপ্রেম রেখে গেলাম।
কীর্তনখোলা  নদীর
স্রোতে ভেসে যাচ্ছি।
ভালো থেকো তুমি,
ভালো থেকো বাংলাদেশ
খুব ভাল  থেকো গো
আমার ময়মনসিংহ,
সোমেশ্বরী শীতলক্ষা,
কর্ণফুলী নদী, সুন্দরবনের
প্রত্যন্ত  গহীন জঙ্গলে
প্রাচীন গাছ গাছালি।
নিশ্চয়ই ফিরবো আগামী
জন্মে তোমাকেই পাবো
নিশ্চিত জেনো আমাদের
জন্মান্তরের প্রেম বৃথা
যাবে নাগো তুমি তো জানো
কি  ভীষণ  প্রানীত প্রাণে
ভালোবাসি তোমাকে।

বিভাগ -: পদ্য
তারিখ-: 18-4-17

মেঘ বালিকা বৃষ্টি হবি

শ্যামল  সোম

এই পাগলী  মেয়ে
তুই বৃষ্টি হবি?
বৃষ্টির শ্রাবণের
ধারা হয়ে অঝরে
পড়বি ঝরে আমার 
বুকের পড়ে।
বৃষ্টি তোর ধারায়
ভিজছি দে নগ্ন শরীর 
দে তোর দেহের
পরস্পরের
উত্তপ্ত চুম্বন;
অঝরে শরীর বেয়ে
কুল কুল করে বহে
যাচ্ছে সুখ, স্বাদ গলে
গলে  পড়ছে আশ,
বন্য  হৃদয়ের বাসনা।
গহীন গোপন যত
জমানো অবিশ্রান্ত
বেদনা নীল পদ্ম
ফুটছে ঐ দীঘিজলে।
বৃষ্টি তোকে জড়িয়ে
দু হাতে শক্ত ধরে
জোরে জাপটে বুকে
ভিজছি দুজনে
সর্বাঙ্গে আলোড়ণ।
তোর অভিমান,
অনুযোগ, অনুরাগ
তৃষ্ণার্ত তোর ঠোঁটে চুম্বনে,
লেহন করছি অশ্রু।
আমার ঘন আলিঙ্গনে
বৃষ্টি তোর ফোঁটা ফোঁটা
জলের স্পর্শে তারা ফুটছে
রাতে আকাশে।
জ্যোৎস্না আলোয়
আমি ফিরে পাচ্ছি
বেঁচে থাকার আনন্দ।

নির্বাসিত আমি

”যদি নির্বাসন দাও
আমি ওষ্ঠে অংগুরী ছোঁওয়াব
আমি বিষ পান করে মরে যাব
বিষন্ন আলোয় বাংলাদেশ
নদীর শিউরে ঝুঁকে পড়া মেঘ
প্রান্তরে দিগন্ত নির্নিমেষ
এ আমারি সাড়ে তিন হাত ভূমি--------------------” ( সুনীল গঙ্গোপধ্যায়)

অনুপ্রাণিত হয়ে লেখা

স্বদেশে নির্বাসিত আমি

শ্যামল  সোম

আমার এক মাত্র  অপরাধ অখন্ড ভারতবর্ষের
স্বপ্ন দেখে ছিলাম আমি, কোলকাতার শহীদ
মিনারের তলে, দিল্লীর অমর জ্যোতি সামনে।
মুম্বাই গেট অফ ইন্ডিয়ার প্রাঙ্গণে, কাশ্মীরের
পহেলগাঁও লিডার নদীর পাশে, উত্তরাখণ্ড এর
কর্ণ প্রয়াগ  অলকানন্দা  ও মন্দাকিনী সঙ্গম।

স্বর্ণ মন্দিরে, ফতেপুর সিক্রী,  ইমামবাড়া, পুরীর
সমুদ্রের  সৈকতে,
পাকিস্তানে রাউলপিণ্ডি , পাঞ্জাব, করাচি, লাহোরে
শালিমার গার্ডেন  এ
বাংলাদেশের ঢাকার ভাষা শহীদ মিনারে,কবির
নজরুল ইসলাম  এর স্মরণে সৌধ  এর সামনে।
শান্তি নিকেতন, গান্ধীজীর  সমরমোতি আশ্রমে
জনে জনে ডেকে বলে ছিলাম অখন্ড ভারতবর্ষে
তিন রাষ্ট্র  ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নিজস্ব তাঁর
সার্বভৌমিক  অধিকার বজায় রেখেও কেন এক
বিশাল শক্তিশালি, অখন্ড সার্বভৌম  রাষ্ট্রের গড়ো।

এ স্বপ্নদেখার অপরাধে এখন আন্দামানের সেলুলার
জেলে, লোহার শেকল  হাত পা বেঁধে শৃঙ্খলিত আজ
নির্জন সেলে একাকী আলো আঁধারে  সাত বাই পাঁচ
ঘরে ভয়ংকর  এক উন্মাদ কয়েদী মৃত্যুদন্ড কার্যকর
হতে দেরী হচ্ছে তিন দেশের ভালো মানুষের  সর্বোচ্চ
জনতা দ্বারস্থ আদালতে আমার মুক্তির জন্য যুদ্ধ  না
শুরু হয়, সেদিকে সতর্কতার  সাথে আয়োজন চলছে।
মৃত্যুর  আক্রমনের  পূর্বের অখন্ড ভারতবর্ষের স্বপ্ন
দেখুন,
নতুবা আরো পাঁচশো বছরের সন্ত্রস্থ  জীবন যাপন করুন।

ফেসবুকে প্রেমের প্রতিশ্রুতি    পদ্য গল্প নাট্য 

শ্যামল  সোম

নীল গলায় আবেগের মধু বর্ষন সংলাপ -----" ফেসবুকে তোমার সাথে  পরিচয় প্রথম আলোর সূর্যোদ্বয়ে রাঙা প্রভাতে মতন আমার অন্ধকারাচ্ছন্ন আমার হতভাগ্য ব্যর্থ প্রেমিকের  আত্মহননের পথে নগ্ন হয়ে গলায় দড়ি ঝুলে পড়ার ঠিক মূহুর্ত নীলা
ফেসবুকে স্ট্যাটাস আপডেট দেখেই তোমার মতন রক্তে যার কাব্য বহমান নদীর ভালোবাসা, সে তো বন্ধুত্বের  উষ্ণ হাতের
স্পর্শ করবেই। আমি কৃতজ্ঞ রইলাম নীলা!

নীলা--: অবিশ্বাস্য তোমার মতন স্বনামধন্য কবির ভালোবাসা প্রেম শুধু ঐশ্বর্য বৈভব  অর্থ বিলাসবহুল জীবন কাটানো
            জন্য  একটা ভুড়িওয়ালা মোটা মাঝ বয়ষি ছবি দেখে প্রৌঢ় মাথায় ঠাক, নীল তোমার ঐ এলো মেলো চুল
             গুলো চিরুনি দিয়ে আঁচলে দেবো ?
নীল --: চুল আঁচড়ে  কি করবে নীলা ? হৃদয়ের আঁচড়  এ ফালা ফালা হয়ে  গেছে বুক ভেতরে আগুন
            আমি মরতে চাই তোমার পা ছূয়ে প্রার্থনা করছি পটাসিয়াম দিতে তোমাদের  মেডিকেলে কলেজের ল্যাব  থেকে
             মুহুর্তেই  মৃত্যু বরণ করতে এসেছেন অসহ্য যন্ত্রনা আর সহ্য করতে পারছি না প্রেমের এ দহন আহ্ !

অসম্ভব কষ্ট এ জ্ঞান হারান নীল।
নীলা কান্নায় জ্ঞান হারায়।

সময়ের  সাথে পালটায় সম্পর্ক

শ্যামল সোম

শুভ নববর্ষের  আলোই
পালটে গেলো সম্পর্ক
ছিল নিছক বন্ধুত্বের  ইঙ্গিত
এখন গহীন প্রেমের  পিড়িত
এখন অরণ্যে আরণ্যক দুটি
আমরা ভিন্ন কুসুম একই বৃন্তে।
নিশ্চিত  আমি

শ্যামল সোম

পুরুষ তান্ত্রিক সমাজে পৌরুষ উড্ডীন
পতাকা উত্তোলিত, নারী জীবন সঙ্গিন
সন্ত্রস্তা উদ্বিগ্না, তবু জননীরা নিশ্চুপ সবাই।
পুরুষের গহীন প্রেম ভালোবাসা বিবাহের
প্রতিশ্রুতি,  রতিকান্তের এমন এ স্বভাবের,
পুরুষের মুড়গী পোষা, ক্ষুধা,  কর জবাই।

এ লেখা পছন্দ না হলে মুছে দিন, যা চিরকালীন
সত্য কঠিন বাস্তব দৈনন্দিন ঘটনার থেকেই এই লাইন।

পুনশ্চ-:  পুরুষের আজকাল কাজ নেই যৌন কর্মী
ধনশালিনীর আনন্দে  নারীদের কাছে ধর্ষিত হবার
পর্যাপ্ত  প্রচুর অর্থ বরাদ্দ  আছে, পরকীয়া প্রেম
বাজারে বিনোদনের মাধ্যম এর সব হাটের কাব্যে
তারই প্রতিছবি কাব্যর ফুলঝুরি
রংমশাল জ্বালতে পছন্দে করেন সবাই এখন রাতপরী।

সে রাতের প্রেমিকা

সে রাতে  প্রেমিকা ♡♡♡  শ্রুতি নাটক ♡♡♡

শ্যামল সোম স্বপ্নের বাঁশিওয়ালা

পার্ক স্ট্রিটে আলোয় আলোকিত  উজ্জ্বল
কোলকাতা বর্ষ বরণের উৎসবের রাত,
বন্ধুদের সাথে ব্লুরুম পাণশালা এক  এক
পেয়ালায় উল্লাস ধ্বনিত কোলাহলে ক্লান্ত।

সদর স্ট্রিটের আধো অন্ধকারে ট্যাক্সির খোঁজে
এদিক ওদিক দৌড়ে যাই হঠাৎই কানে আসে, মায়াবী কন্ঠ- -!

আসুন  আমার কাছে সাথে গাড়ি আছে,
উত্তাল কোলকাতা থেকে চলুন ভেসে যাই নিরুদ্দেশে।

চোখে চোখ পড়তেই মজল মন অসাধারণ রূপবতী
কটাক্ষে কামার্ত দৃষ্টি আকর্ষণ করার মোহিনী শক্তি

এই মুহূর্তটাই  চির সত্য সময় বহমান স্রোতে ডুব না দিয়ে
পাঁচবছর আমার নদীর পারে দাঁড়িয়েছিলে সোম
কত খুঁজেছিলাম তোমাকে আমার যা কিছু  আছে দেবো বলে,
কোথায় পালিয়েছিলে গো?

করবী তুমি  এখানে এত রাতে?

পুরুষের কি আজো একমাত্র  অধিকার একা
একা শয্যা সঙ্গিনী শঙ্খিনী খোঁজার?

না- না -ঠিক- তা -নয়--

এসো ধর হাত উন্মূখ  হয়ে আছি আমি

খুবই অবাক করে করবী দ্রুত গাড়ি চালিয়ে
কোলকাতা ছাড়িয়ে চলে যাচ্ছি।

করবী কোথায়  যাচ্ছি আমরা ?

জাহান্নাম এ -
- তবে এখন করবী নই তোমার  রুবি রায় বলেই ডাকবে কেমন,
এই সোম আলতো গালে একটা চুমু খেয়ে সোম শক্ত করে জড়িয়ে ধরো আমাকে শীতার্ত,
আমি চাই তোমাকে পুরুষ, চিরদিন নারীর চাওয়া না চাওয়া উপেক্ষিতা ধর্ষিতা, আজন্ম লালিত
স্বপ্নের পুরুষ ছিলেন তুমি, নিজের ক্যারিয়ার গড়ার জন্য উপেক্ষা  করেছো আমাকে, সম্রাজ্ঞী
আদেশ করছি তোমাকে হে পুরুষ মৃত্যুদন্ড পাবে গুপ্ত ছুরিকাহত হত তুমি-
- চুম্বন করো লেহন করো জিহ্বা- -  তৃপ্ত করো তৃপ্ত করো-- পতঙ্গ পুড়ে যাও আমার দেহের অনলে---

হায় অবোধ বালক জুরিখে এত বছর কাটিয়ে ওঠার চুম্বনে পারদর্শী  হলে না।
দেখাচ্ছি আগে গাড়ি ঐ গাছ তলায়  দাঁড় করি।

এসো পুরুষ কাছে এসো পুরাতন প্রেম সলজ্জ দৃষ্টি অপলক
চেয়ে থাকা অষ্টাদশী আজ নই --  সোম তোমার রক্ত করবী

আজ মরে গেছে, হাঁ হাঁ হত্যা করেছি  নিজের আত্মাকে---
বাদ দাও অতীতের স্মৃতি রোমন্থন  আজ নয়।

ভোগ করতে চাই তোমাকেই, আকন্ঠ  চুম্বনে রক্তাক্ত করবো
তোমার ঠোঁট লালে লাল রক্তিম দেহজ প্রেম
হে পুরুষ চলো আমার আদরের যৌবনের প্রথম প্রেমিক  আমার কুঞ্জ কাননে।

এয়ারপোর্ট রোডের ধারে বিলাস বহুল হোটেলের লাল রঙের
বেড রুমে ঢুকেই সপাটে দরজা বন্ধ করেই
আমাকে  সাপটে সরীসৃপের  জড়িয়ে চুম্বনে চুম্বনে মধুপান রত
রানী মৌমাছি শুষে নিচ্ছে অতৃপ্ত প্রেম।

সোম তুমি শুধুই বাজ পরা বটবৃক্ষের নির্মোহ উদাসীন
শিথিল শরীর নিষ্ফল প্রয়াসী কেন সোম?

করবী ভালোবাসায় সিক্ত হলে জাগে শরীর

বিশ্বাস  করি না শারিরীক সম্পর্ক সাথে মানসিক কোন যোগাযোগ নেই,
আমার শরীর পুষ্পিত হয় পুরুষের ঘ্রাণে কামনার আগুনে যৌন সুপ্ত
বাসনা পূর্ণ বা তৃপ্ত হই দূর্দান্ত দুর্বার দুরন্ত সহবাসে দীর্ঘ দিনের অভিশপ্ত
জীবনের  অভিজ্ঞতা।

করবী !  তুমি রক্ত করবী ফুলের আজও  সুন্দর-  তোমার ঐ পীনাভ ঈষৎ নিম্ন মুখি স্বর্ণ স্তন
নাভিমূলে কুন্দ ফুল হীরক খচিত দুল, শ্বেত মাখনে মাতনে থর থর কাঁপন তোমার জঙ্ঘা
ঘাগড়া চলি উন্মোচনের পরে তোমার ঐ স্বর্গের  অপ্সরী  রম্ভা উর্বশী  পদ্মিনী নগ্ন শরীরে
স্থির  ঝর্ণা মতন ত্রিভঙ্গ কামদেবী তোমার কাব্যিক দেহে ছন্দে ছন্দে যৌন আমন্ত্রণ জানান দিচ্ছে
পারদর্শিনী ষোল কলায় পূর্ণা  পসারিনী তোমার  নগ্ন রূপ দেখেই আমার প্রচন্ড নেশাগ্রস্ত
হবে গেছি বিশ্রামের জন্য নিদ্রায়  যেতে চাই ক্ষমা কর করবী।

করবী রক্ত করবী ঠোঁট আলত আপন দন্ত্য দংশিত নিষ্পলক চেয়ে আছে পরবর্তি  আক্রমনের
বাঘিনী প্রতীক্ষিতা এক সময়ের আদরের প্রেমিকা আমার রক্ত করবী।

Monday, 17 April 2017

ছোট নাটক বছর কুড়ি পরে


বছর কুড়ি পরে

শ্যামল   সোম

দীর্ঘ কুড়ি বছর পরে বিবাহ বিচ্ছিন্ন মিস্টার প্রদীপ  বাসু সাথে
বহু মূল্যবান হাতঘড়ি, ট্যাবলেটকম্পিউটার, পোষাক চকলেট।
নিউ জার্সি ঐ বিদেশ থেকে এসেছেন শেষ বারের মত ক্যানসার
আক্রান্ত হওয়ার মৃত্যু অবধারিত জেনে হঠাৎই  আত্মজা জন্য
মন উচাটন।
দুরাভাষে শেষ প্রার্থনা করেন  পূর্বতন পত্নী কাছে, কন্যার সাক্ষাৎকার
জন্য, বিবাহের বিচ্ছিন্না  পুরোনো বন্ধুত্বের সম্পর্ক ও মরণ রোগগ্রস্ত,
অরুনা যার সাথে  ছিল ভালোবাসার  ও একদা বিবাহের সম্বন্ধ ছিল।

শেষে এক গোধূলি লগ্নে  বৈকালে  অরুনার অবর্তমানে অরুনার 
অনুমতি  নিয়ে কন্যা মলি সন্তানের সাথে দেখা করতে এসেছেন
মিঃ বাসু মলির মায়ের এক বৃদ্ধ ঘনিষ্ঠ বন্ধুর  পরিচিত দিয়ে।

ধীরে ধীরে উন্মোচিত আলোকিত হচ্ছে  পিতা পুত্রী ভালোবাসার সম্পর্ক-

- এই নিয়ে নাটকের গল্প ।

মলি English music  no song instruments sound track সাথে   বাজান তালে একা  স্বপ্নের পরীর নাচছে।

নাচ দেখছিলেন মিঃ বাসু আনন্দ বিভোর --মলির নাচ থামলে বোতল  থেকে পান করে হাঁপাচ্ছে।

Mr Basu --: MY I coming Madam Mam ?

Moly ---: You

পিতা পুত্রী পরস্পরের  অপলক চোখে তাকিয়েই রয়েছেন।

প্রদীপ  বাসু খুঁজছেন তাঁর তিন বছরের বয়সের আত্মজা মলিকে - কুড়ি বছর আগের মলিকে।

মলি খুঁজছে ঝাপসা শৈশবের সেই  এক হাস্য উজ্জ্বল হারিয়ে যাওয়া বাপির   মুখ।

কি হল মিস্টার বাসু ভেতরে আসুন, মা আপনার কথা অনেক বলেছেন, আসুন বসুন কি,
কাজের লোককে বলবো,   চা না কফি ?

কিছুই না কিছুক্ষণ পরে আমাকে ফ্লাইটে ফিরে যেতে হবে, একটি বিজনেস টুরে আসা,  সময় নেই !

হাঁ !  মানুষের জীবন এত দ্রুত গতি এগিয়ে যাচ্ছে সময় অপচয় করার মতন কারুর সময় নেই ?

আসার পথে তোমার মায়ের সাথেই  মানে অরুনার অফিসের  কেবিনে লাঞ্চ করলাম, নানা রকম বাঙালি রান্না

নামী রেঁসতোরা হোটেল থেকে আনিয়াছিলেন  অরুনা নিজে পরিবেশন করে এত খাওলো  এখন পেট আঁই ঢাঁই।

মায়ের কাছে শুনেছি প্রেসিডেনসি কলেছে পরে দিল্লীর  আই টি আই  পর্যন্ত  আপনাদের মধ্যে   গভীর বন্ধুত্ব ছিল।

YOUR  Mother is really a great soul, you are lucky enough

Lucky ?   হা হা হা হা Thanks make lough--  but unfortunately  Mr. Basu I'm a laughing stock

Who's  father left her when I was mare a kid of three years. Fortunate fucking it

sorry Sir.

মলির তোমার জন্য  ও তোমার মায়ের জন্য  কিছু  Giefts এনেছি  ঐ তোমাদের জন্য  কিছু Furfumes  dresses
Dell's  Tablate come computers,  IPhone  and a cute Barbeie girl  only  for you ! কাজের লোকের হাতে ঐসব

কেন মিঃ বাসু নিজের হাতে উপহার এত বছর পরে তুলে দিতে  সংকোচ- -

Mr. Basu now I'm not  kid আমাকে পুতুল দিয়ে ভোলাবার চেষ্টা করবেন please

Only for parent's igoism vanity  supuretiry  complex  class it's  turned  to me a curse

বিবাহ বিচ্ছিন্ন মা বাবার সন্তানের জন্ম  আমার মতন অভিশপ্ত  শৈশব থেকেই বুকে একটা অসহ্য যন্ত্রনা বহন করে বেড়াচ্ছি।
সব বান্ধবীদের  দেখতাম দুর্গা পুজো, বড় দিনে খৃষ্ট মাসে, জন্মদিনে কত আদর ভালোবাসা বাবার হাত ধরে হাঁটা

বাবাকে জড়িয়ে শুনে থাকা বাড়ির শরীরের ঘ্রাণ  জানেন ক্ষীণ স্মৃতি  চোখে জলে একা একা বাবা আমার বাপি
জন্য   খুব খুব কাঁদতাম,

সরি রাবিশ আপনার কাছে এ সব আবেগ -- really  I'm a sentimental fool. I apologise please
forgive me Sir

( ঝরের পূর্বাভাস প্রদীপ  বাসুর চোখে জমছে মেঘ বাষ্প  আচ্ছন্ন  টল টল করছে অশ্রু Tears )

আশ্চর্য ব্যাপার  আপনার চোখ ছলছল করছে কেন Tears strange
অন্য কোন  এক পুরুষ পিতা সে তো আবার অরুনার স্বামী তা স্ত্রী
সঙ্গে একসাথে থাকতে  পারলেন না, তার  নিশ্চয়ই কোন কারণ ছিল।

-  তা সন্তানের জন্য আজকাল কেউ কার জীবন বিপন্ন করতে
জীবনের  আনন্দ নষ্ট করে রাতদিন অশান্তির আগুন ঝলসে কে যেতে চাইবে বলুন?

প্রত্যেকেই যে যার জীবনটা নিজের মতই
উপভোগ করতে চায় -- এতে কোন অন্যায় দেখি না,
এখন তো --এখন বেশ মানিয়ে নিয়েছি।

এখন তো আমি অনেক বড় হয়ে গেছি বাপি!

ওহ বাপি ডাকার অধিকার তো আমার নেই তাইনা  মিঃ বাসু প্রদীপ বাসু,

(আচমকা ধাক্কা টা সামলাতে প্রদীপ বাসু চোখে মুখে বিপন্নতা  বিষন্নতা ভয়ার্ত চোখে তাকিয়ে আছেন )

মলি (  হিংস্র বাগিনীর মতন--)   তা হঠাৎই  এই বন্ধুর ছদ্মবেশ নিজে আত্মজা কে
দেখার বাসনা জাগতে সুদূর নিউ জার্সি থেকে আঠার ঘন্টা  ফ্লাইট  চেঞ্জ  করে কেন এলেন ?

কুড়ি বছর পড়ে ?
কি হলো
হলো কি
বাক রুদ্ধ

YOU imposter Burstued  মজা দেখতে এসেছো life is fucking fun !  মজা

মলি  আহ্  Will you stop please please

No  never !  return you have to  my childhood Mr. Basu I would not spare  you.

আমি চোদ্দ বছর বয়সে মায়ের
লুকিয়ে রাখা Elbam photographs  
তোমার সব চিঠি  পড়ে শুধুই  কাঁদতাম  বাপি
But now my eyes were dryed no tears would fall,

আমার চোখের সব জল শুকিয়ে গেছে বাপি !

বাপি ! বাপি what's happening are all right!

জল, জ ল এই পার্সে tablet দাও  মলি খুব দ্রুত জল ও tablet খাওয়ায় --
দ্রুত  মোবাইলে মা অরুনাকে রিং করে

মা মা মা গো বাপি কেমন করছে মা ছটফট করছে মা

কি বললে তুমি বারণ করেছিলে-- কেন কেন সত্যটা  বলোনি--

কি আমি আমি বাপি সাথে দেখা করতে অস্বীকার করতাম।

হাঁ হাঁ  মা মা ভীষণ আঘাত করে কথা বলেছি এত বছরের জমা ব্যথা উগরে দিলাম আমি

Mother i have  killed killed  him,  oh yes Dr, Chattertterjee Cadiolojist ফোন করছি ।

ডাক্তার  uncle  please come come  run up

Quick--  ও মা আগেই ফোন করেছিলেন, আপনাকে !  ও বেল ভিউ নার্সিং হোম থেকে Ambulance আসছে ?

So kind you

আসন্ন মৃত্যু যন্ত্রনায় শ্বাস প্রশ্বাস সচল রাখতে কষ্ট হচ্ছে  -- Mr. Basu র

মলি ! মা  -আমার- তুই- ক্ষমা-  কর-- আ আ আমি -  ক্যানসারে -

ওহ  আক্রান্ত হওয়ার পর বাইপাস সার্জারি হল!

আমার এ পৃথিবীতে - আ আহ্ আহ্

তুই ছাড়া কেউ নেই মা

বড় দেখতে ইচ্ছে  হচ্ছিল মা 

কাজ কাজ কাজ নিয়েই ছিলাম হঠাৎই  আহ্ আহ্ ---!

বাপি বাপি বাপি বাপি বাপি  কথা বলো না !

আহ্ আহ্ আহ্ 

দূর থেকে Abulence গাড়ির সাইরেন বাজিয়ে ছুটে আসছে নেপথ্যে সাউন্ড  শোনা যাচ্ছে।

Sunday, 16 April 2017

বছর কুড়ি পরে নাটকের গল্প

বোন ইচ্ছে  আছে -- আগামী বছরে একুশের ভাষা দিবস অনুষ্ঠানে ঢাকার  এক নাতনির সাথে দুজনে  মিলে মিশে, মঞ্চস্থ করবো, বিভিন্ন  অনুষ্ঠানে
ভালোবেসে যদিও  রক্ত  বা ধর্মের  সম্পর্ক নেই ।

বাংলাদেশের  যে আমার মেয়ে আছে তাদের সাহায্য নিয়ে এই ছোট্ট  অনু নাটকটি মঞ্চস্থ করার চেষ্টা করবো। বাবা স্বপ্ন কন্যা ছেড়ে  চলে যেতে হয়েছিল পরিস্থিতির চাপে

কুড়ি বছর ধরেই লালন করেছিলেন  পিতৃ সনেহ, মান  অভিমানে
কষ্ট পেয়েছেন কন্যা সন্তানের জন্য।

বছর কুড়ি পরে

শ্যামল   সোম

দীর্ঘ কুড়ি বছর পরে বিবাহ বিচ্ছিন্ন মিস্টার প্রদীপ  বাসু সাথে
বহু মূল্যবান হাতঘড়ি, ট্যাবলেটকম্পিউটার, পোষাক চকলেট।
নিউ জার্সি ঐ বিদেশ থেকে এসেছেন শেষ বারের মত ক্যানসার
আক্রান্ত হওয়ার মৃত্যু অবধারিত জেনে হঠাৎই  আত্মজা জন্য
মন উচাটন।
দুরাভাষে শেষ প্রার্থনা করেন  পূর্বতন পত্নী কাছে, কন্যার সাক্ষাৎকার
জন্য, বিবাহের বিচ্ছিন্না  পুরোনো বন্ধুত্বের সম্পর্ক ও মরণ রোগগ্রস্ত,
অরুনা যার সাথে  ছিল ভালোবাসার  ও একদা বিবাহের সম্বন্ধ ছিল।

শেষে এক গোধূলি লগ্নে  বৈকালে  অরুনার অবর্তমানে অরুনার 
অনুমতি  নিয়ে কন্যা মলি সন্তানের সাথে দেখা করতে এসেছেন
মিঃ বাসু মলির মায়ের এক বৃদ্ধ ঘনিষ্ঠ বন্ধুর  পরিচিত দিয়ে।

ধীরে ধীরে উন্মোচিত আলোকিত হচ্ছে  পিতা পুত্রী ভালোবাসার সম্পর্ক-

- এই নিয়ে নাটকের গল্প ।

Saturday, 15 April 2017

উদাসী বাউলের বিলাসী বিলাপ।

উদাসী বাউলের বিলাসী বিলাপ

শ্যামল   সোম

ভরা ভাদ্র মাসে ঝরঝর পড়ছে বৃষ্টি, কালুর দোকানে চাটাই পরে উপু বসে এ পাইট কালি মার্কা বোতল আর ঐ ছোলা সেদ্ধ  চুক চুক চুক চুক করে সাবাড়।
নেশা শালা, ঐ শালা লেশা হলো নিজের গো, মনের আনন্দ, জেনে শুনে করছি পান, জ্বলে বুকের ভিতর আগুন, এ আগুন নেভানোর জন্য  মদ্য  চোলাই  পান  আকন্ঠ পান, নীলক্ন্ঠ  --- হা হা হা হা !

বুকের মধ্যেই বেদন বেদনা ব্যথা এ ব্যথা

নিজেকে মেলে ধরতে পারলাম কৈ, বেনো ঢুকে নেপোও মারলো দৈ।
বাবুরা এখন লম্বা চুল দাড়ি রেখে রঙ বেরঙের  পাঞ্জাবী  বাহারী পোষাক সৌখিন বাউল  সেজে  বাউল
সহজিয়া নাচছে বাহারী শাড়ির আঁচল বাতাসে ওড়ে -- ঝম ঝম করে বৃষ্টির পানির মতন টাকা ঝরে।

তিরিশ বছরের সাধন কুম্ভক  শ্বাস প্রশ্বাস  কারসাজি সাত সুরের দমের বাজি ঐ মৌরাক্ষী নদীর জলে ভেসে
গেলো গো।
উতাল  মাতাল  নদী ভাঙছে  পার ধস ধস করে ধসে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ছে মাটি গ্রাস করে নিচ্ছে  পায়ের
তলার মাটি জমীন- ------  মানব জমীন আবাদ করলে বলতো সোনা
দূর দূর আমার ভেতর কোন প্রতিভা ই ছেল না  ঐ এক চাকাতে  চলছে জীবন গাড়ি   গাড়োয়ান ভাইরে

নেশা ছুটে গেল এত আবোলতাবোল  বক বক করলে --- নেশা আর থাকে ?  
মানইসে  লেশা করে ক্যান, ক্যান লেশা করে মজা ভারি মজা, ঐ মণিপুরি  গাঁজা বালুজের গাঁজা এক এক দ্যাশে
গাঁজার স্বাদ আলাদা করা গাঁজা কলকে তে ভরে  ছিলিম দম মাইরা দেও এক লম্বা এক টান ফটাস কইরা ফাইটা গেল
মনের পর্দা আসমানে ফানুসের মতন ভাসে শরীর
শরীর ভাসে না শরীর থেকেই বেরিয়ে যায় আত্মা অচিন পাখি আকাশে মেঘের আড়ালে ভাসে।

" খাঁচার ভিতর অচিন পাখি
ক্যামনে আসে যায়---

দুঃখ ভুলতে নেশা করে, হা হা হা 
আমার আবার দুঃখ কি
আমার দুখের বাস, জন্ম থেকেই বাপ মরলেই মা পালালো  অনাথ পথে পথে ঘুরতে ঘুরতে কখন মেলার চায়ের দোকানে
বাসুন মাজি, বয়স  পাঁচ পাঁচজনে যা কাজ বলে করতাম, অজয়  নদী থেকে জল তুলে আনি।
অজয় নদী তখন যোয়ান  মরদ, দুকুল ছাপিয়ে বহিছে --- আবদুল মিঁয়াও নৌকা পাল তুলে হাল ধরে গান ধরেছে
" আমায় ভাসাইলি রে আমায় ডুবাইলি রে অকুলীন দোরিয়ায়- - কুল নাই কিনারা নাই ---

না না লেশা  জমে গেলি  আহা কে আমি আর  কে বাদশা
ট্যাকে গোঁজা ছিল সোনার মেডেল পুরস্কার পেয়ে ছিলাম বীরভূম জেলার হাকিম সাহেব লাল ফিতে গলায়
পড়িয়েছিলেন, গান শুনে বাহবা পাওয়ায় গর্বে বুক পাঁজরে বান ডাকছে -- নিজে গান নিজেই শুনে আহ্লাদে আটকান।
আমাকে সাত জেলার বাউল প্রেমিকেরা মান্যি করে আমি তখন গণ্যমান্য ব্যক্তি বাউল রাজা আমি দ্বৈপায়ন দাস।
চল্লিশ বছর আগে সৌখিন বাউল পড়াশোনা জানা  ভদ্রলোকের শেকড়ের গান বাউল সখের ছিলো না।
বাউল সেজে লম্বা চুল রেখে চোখ বুজে বাউল গান গাইলেই বাউল হওয়া অত সহজ নয় গো বাপধন।
ফকিরি বাউল হতে গেলে দীর্ঘ বহু বছর ধরেই সাধন করতে হয়।
" সময় গেলে  সাধন হবে না
সময় থাকতে সময়ের সাধন কেন করলে না "

ঐ দেখ বাতাসী এসে হাজির এখন  আমাকে তুলে বুকে করে জড়িয়ে ধরে পরম মমতায় মাতৃস্নেহে ঘরে নিয়ে যাবে।
বাতাসী  ছেল করিম ভায়ের কন্যা চৌদ্দ বছরের কন্যা রূপের বন্যা বিশ বছরের ছোট  ও বেটি যে প্রেমের ফাঁদ পেতেছিলো -- মেয়ে মানুষ ষোল কলা ছলা কলা জন্ম থেকেই জ্ঞানি।
পীরিতি  কাঁঠালের আঠা ও আঠা লাগলে পরে ছাদে না।
কখন পীরিতি  হলো মাইরি  বলছি জানতে পারি নাই।
বাতাসী গলা ছিল খাসা -- আসরে গাইতো -- " চাঁদের গায় চাঁদ লেগেছে -----"

 রতন আমার কাছে তিন  বছর আছে, বাউল গান শিখবে এ কি অ আ ই ঈ শেখানো যাবো ?
সাধন করতে হয় গো --
রতন জনমজুর কাজ কাম করে  আবার বাতাসীও মাঠে খেতে ধান রুইতে ফসল কাটতে যায় -- টাকা রোজগার করে সংসার চালায় দুজনে।
আমি ঐ মাছ ধরার জাল বুনে -- চাটাই মাদুর  বুনে কটা টাকা পাই নেশা ভাঙ্গ করতে হাত চিত্র না করতে বাতাসী টাকা দেয়। ভালোবাসা আমাকে,  তাকেও তো শরীরের তাপ নেভাতে বাসনা পূর্ণ করতে একটা
যোয়ান মরদ লাগে --  রাতের বেলায় আকাশে তাকিয়ে দেখি চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে --!
ঘরের ভেতর থেকে কানে আসে বাতাসী আমার আদরের  ভাসছে শিৎকার ধ্বনি- -  রতন এর ফোঁসফোঁস
বিষধর সাপের ছোবল মারছে বাতাসী খিলখিল করে হাসছে -- নূপুরের  আওয়াজ শুনে আমোদ হয় আমার।
আশ্চর্য  নারীর মন একজনের এই আমার  সাথে প্রেম  আত্মিক সম্পর্ক
আবার শরীরের জন্য  ডাকে রতন কে  রতন এ রতন চেনে গো।
তবে কিন্তু  ওদের প্রাণে দয়া মায়া আছে -- আমার মতন বুড়ো হাবড়াকে যে গলা ধাক্কা ঘর থেকে বেড়
করে দেয় নি এ আমার পরম সৌভাগ্য ।
বাতাসী সত্যিই সত্যই  ভালোবাসে -- লতার মতন আমাকে জড়িয়ে  ঐ হাসনুহানা ফুলের বাতাসী শরীরের গন্ধ
পুরুষ  আসবেই -- বাতাসীর  ভরা যৌবন যৌবনে দৈন্য জরাজীর্ণ অসুস্থ জরাগ্রস্ত বৃদ্ধকে দিয়ে চলে না।
এ হচ্ছে  দেহতত্ত্ব  ---!

সাঁইজীর ঐ বাউল গান  ঐ বছর বিশেক আগে অজয়  নদীর
পারে কেঁনদুলি মেলায়,  আমাদের  আঘরায় দুম লেগেছে সাঁইজীর গান আহা ওস্তাদের  কি গলা যেন সাত সুরে ডাকে সাত সাতটা পাখি।