Friday, 6 October 2017

সূর্যোদ্বয়ের ভোরে কবিতার সাথে সঙ্গম


সূর্যোদ্বয়ের ভোরে
কবিতার সাথে সঙ্গম

শ্যামল সোম বাঁশিওয়ালা

অলকানন্দা মন্দাকিনীর
সঙ্গম স্থলে কর্ণপ্রয়াগে
প্রাতে তোমাকে মানস নেত্রে
স্বপ্নে স্বর্ণ স্তনে শব্দের
চুম্বনে চুম্বনে রক্তাক্ত ঠোঁট,
রক্ত ঝরছে কাব্য পাঠে
শিশির ভেজা উষ্ণ শয্যায়।
কবিতার সাথে আশৈশব প্রেম,
" জল পড়ে, পাতা নড়ে " !
ছন্দে অছন্দের বাহুল্য হীন
আমি বেকুবের মতন কবিতা
তোমাকে গভীর আলিঙ্গনে
জড়িয়ে ধরে আদরে
আদরে, কাব্যিক এ মন
তোলে তুফান কবিতার
উত্তপ্ত দেহে করে লেহণ।
পৌরুষ  উড্ডীন অহংকারে
প্রোথিত বৃক্ষের চারা শুকায়।
অতৃপ্ত কবিতার চাপা কান্না
প্রতিধ্বনি শুনি নপুংসক হৃদয়ে।
শব্দের লহরী স্রোতে বহমান
যৌনবতীদের আমন্ত্রণে বিনম্র
প্রত্যাখান এ ক্রুদ্ধ নারীদের
উন্মুক্ত বসনে নগ্ন যৌন
আক্রমনে সমবেত প্রয়োগে
কবিতার ধর্ষনে বিহ্বল 
নিষ্ফল লিখন প্রয়াস।
অরণ্যে  পদ্ম যোনিতে
বিশৃঙ্খল বাক্যের
বিন্যাসে অক্ষরের বীর্য
পাতে অলকানন্দা স্রোতে  
ভাসে স্ফূর্তির অস্ফুট কাব্যের ভ্রূণ।

প্রেমিক প্রেমিকার কথোপকথন

প্রেমিক ও প্রেমিকার কথোপকথন।

শ্যামল সোম

পরী আছো কেমন?

পরী নই আমি, আমি নয়নিকা, তুমি কে?

হায় নারী এখন ছলনা?

এই সত্যই বলো না?

আমি তোমার প্রেম !

প্রেম! হি হি হি, বিশ্বাস করি না, প্রেম বহুল ব্যবহৃত শব্দ।

শব্দ শুনশুনতে পারছো না, সমুদ্রের ঢেউয়ের আছড়ে পড়াপড়ার শব্দ?

কৈ আমিতো কিছু শুনতে পারপারছি না।

কানে সব সময় হেড ফোন লাগিয়ে গান শোন, শ্রবণ শক্তি হারিয়ে ফেলছো।

জ্ঞান দিচ্ছ?

আমার পরী, কাল রাতে তোমাকে নিয়ে একটা স্বপ্ন দেখলাম।

কি স্বপ্ন দেখলে ? যে উতল হলো মন?

তুমি রাগ করবে?

কেন রাগ করবো কেন, কোন অশ্লীল, নগ্ন ?

প্রাপ্ত বয়স্কের জন্য, পরিনত মনের নিঃসংকোচ উপস্থাপন।

ধানাইপানাই ছেড়ে শুরু করো।

জ্যোৎস্নার আলোয় ভেসে যাচ্ছে নির্জন সমুদ্র সৈকত--

বাহঃ ! রাতে সমুদ্রের জলে ফসফরাস জ্বলে--

আমি একা শুধু তোমার কথা ভাবছি, তোমার রূপ অপরূপ, লাবণ্যের বন্যা
শরীরে ভরা নদীর যৌবন টল টল করছে, বহমান নদী হয়ে বহে যাচ্ছ সাগরের মোহনায়--

তারপর, জানো আবেগে আমার শরীরে শিহরণ--

সাগরের ঢেউয়ের তালে তালে নৃত্যের ছন্দে সাগর জল থেকে তুমি উঠে এলে, সিক্ত শুভ্র বসন,

এই আমার ভীষণ লজ্জা করছে, ভারি অসভ্য তুমি

তবে থাক এখানেই আজ।

না না তুমি বলো, তোমার শব্দে মায়াজালে আমি ভীত হরিণী,

ধীরে ধীরে তোমার চোখে চোখ রেখে আমি এগিয়ে এলাম, আমার স্পর্শে
থর থর করে কাঁপছে তোমার শরীর, জানু ভেঙে পড়ছে, তোমার ভেজা শরীর থেকে ঘ্রাণ ভেসে আসছে।
তোমার হাত ধরে নিয়ে এলাম সমুদ্রের সৈকতের ঝাউবনে, মুখ তুলে দেখি তুমি চোখ বুজে আছো, বড়ো বড়ো চোখের পাতায় আমার উষ্ণ ঠোঁটের স্পর্শে তুমি থর থর কাঁপছো। ধীরে ধীরে খুলে নিলাম তোমার সিক্ত বসন, মূর্তি ময়ী ভেনাসের মতো নগ্ন অপরূপ সৌন্দর্যে আমি মন্ত্র মুগ্ধ।
গভীর আলিঙ্গনে জড়িয়ে ধরেছি তোমাকে, আমার সারা শরীরে রক্ত দ্রুত সঞ্চালিত হচ্ছে, সুতীব্র কামনার আকর্ষণে আঁকড়ে ধরেছে ধরেছো তুমি আমার শরীর। শারীরিক এক আশ্চর্য টানে আমরা পরস্পরকে জড়িয়ে অনন্ত এক যাত্রা শুরু করলাম। মাঝে মাঝে শিৎকার ধ্বনি, র্স্বর্ণ স্তন বৃত্নে চুম্বনে শিহরিত তুমি, আমার ঘনিষ্ঠ আলিঙ্গনে দ্রুত শ্বাস প্রশ্বাস, উষ্ণতা, ঘর্মাক্ত শরীরী ভালোবাসা, ভীষন ভীষণ ভালোবাসি মেঘ বালিকা তোমাকে।
আমি তোমাকে একান্তে চাই, হে বিশ্ব সুন্দরী আমার জীবনের একা মাত্র আকাঙ্ক্ষিত প্রেম।

দেখা করার আগে প্রতিশ্রুতি চাই--

যে কোন সর্তে রাজী- কঠিন প্রতিশ্রুতি পালনের শপথ নিলাম।

সংযোজন - পরিশেষে পরিণাম --মেঘ বালিকা আদালতে দ্বারস্থ, প্রতিশ্রুত বিবাহের অঙ্গীকারে সহবাসে আজ সে ধর্ষিতা নির্যাতিতা। বিচারের অভিলাষে বছর বছর নারী অপেক্ষায় আছে।

Wednesday, 27 September 2017

ফেরারী প্রেম

ফেরারী  প্রেম

শ্যামল সোম

শ্রাবণী পূর্ণিমার চাঁদের জ্যোৎস্না ছিলে তুমি
সদ্য যৌবনে প্রারম্ভিক প্রেম ভালবাসার গল্প
মনে হলেও সত্যি একদিন পরস্পরের কাছে
কত কাছাকাছিই না ছিলাম, ঘনিষ্ঠ  সান্নিধ্য।
শ্রাবণে বর্ষায় সোনা ঝরা আসন্ন সন্ধ্যায় ধরে
হাত দুজনে কোলকাতার বহমান গঙ্গার ধারে
ঝমঝম বৃষ্টির জলে দুজনে ভিজেছিলাম সিক্ত
শিহরিত শরীরে শিহরণ বহমান রক্তের গভীরে।
পরস্পরের কাছ থেকে এই  দূরে দূরে থেকেও 
শ্রাবণী আমাদের কেন মনে মনে  এত অশ্রুপাত
সুখের স্মৃতি কেন আছড়ে পড়ে হৃদয়ের সমুদ্রে।
এত ভালোলাগাো ফোনে তুমি নিউজার্সি থেকে
গেয়ে শোনালে ,রবি ঠাকুরের গান, " দূরে কোথায় দূরে দূরে ! "
পুরাতন প্রেম হায় যদি মনে যায় মন নীরবে কাঁদে,
আমাদের হৃদয়, স্পর্শকাতর ভালোবাসা ফেরে
বারেবারে অনুভবে অনুরোরণ এই  আলোড়িত
দুজনার মন, শীতার্ত রাতে প্রথম প্রেমের উষ্ণ
আলিঙ্গন প্রথম চুম্বন ফাল্গুনের কৃষ্ণচূড়ার গাছে
গাছে লালে লাল হয়ে বসন্তের উত্তাল  এ বাতাসে।

Monday, 25 September 2017

সোহিনী সোহাগী আমার

সোহিনী সোহাগী আমার

শ্যামল  সোম

তুমি সেই চলে যাওয়ার পর
বাসা খাঁ খাঁ করছে এই  ঘর।
মনে পড়ে, সংসার স্মৃতির ঝড়
দৈনন্দিন ব্যথিত হৃদয়ে গোপন
বেদন তোমাকে মদ্যপ দৈত্যের
মতন শরীরে তন্ন তন্ন খুঁজছি
আমার হারানো প্রেম, কবিতা
লিখতে না পরার যন্ত্রনা সে ব্যথা
অক্ষমতা মদ্যপানে তৃষ্ণার্ত কবি
আর্তনাদ ক্রন্দন হাহাকার হুশ
হারিয় ঘুমিয়ে পড়তাম বহুদিন।
ছ’মাস নির্যাতন অত্যাচার সহ্য
না পেরে চলে গেলে সোহিনী তুমিই
তুমিই  ছিলে অনুপ্রেরণার যৌবন
প্রথম প্রেম সলজ্জ চোখে চোখ
পড়তেই দুজনের হৃদয়ের স্পন্দন।
আমরা ভালোবাসার ভেলায় ভাসা
সেদিন পরস্পরকে ভালোলেগেছিল
দুজনের হৃদয়ে জ্বলে উঠে রংমশালে
রঙিন  আলো আলোকিত জ্যোৎস্না।
সত্যই কেউই কাউকে ছেড়ে থাকতে
নিদারুন কষ্ট হচ্ছিল খুব জড়িয়ে কান্না
তোমার সে কান্নায় ছলাৎ ছলাৎ বহমান
নদীর ভাঙনে প্রচন্ড  হৃদয়ে ভূমিকম্প।
আমাদের যৌথ আবেদনে, সেই ফাল্গুনে
গোধূলি লগ্নে শুভক্ষণে মালা বদল দুজনে।
দস্তখত করে  দুজনে দুজনের দিকে মুগ্ধ
চোখে চোখ অপলক  দৃষ্টি স্বপ্নের  জলছবি।
গতমাসে বিবাহ বিচ্ছেদ শেষ  যবনিকা পতন।
মুহুর্তেই কোর্টের বিচারেঅপরিচিত ছন্দপতন
পরস্পরে দিকে নজর আলাদা বেক্কলে আমি
ফ্যালফ্যাল চোখ দেখছি রাগে কষ্টে থমথম
রক্তিম তোমার লাবণ্য মসৃণ মুখ শেষ হয়ে
গেল  এ দাম্পত্য নতুন করে সাজিয়ে নিও
নতুন কোন সাজে দিওরাঙিয়ে নতুন সে ঘর,
ঘরের ভেতর নতুন শুভ্র সুখ শয্যায় নূতন বর।
হঠাৎই তিন বছরের যৌথ ভালোবেসে বিবাহিত
দ্বৈত জীবন, কাশ্মীরে মধু চন্দ্রিমা আদরের
সোহিনী  আজও মনে পড়ে বর্ষায় শৈত্য  উষ্ণতা
কেন খোঁজে মন এত করি বারণ তবু মানে মন।

Friday, 22 September 2017

আত্মাভিমানীর ক্ষোভ

তারিখ 22-- 9--17

পুরুষ আমি আত্মাভিমানে ক্ষোভ  ( জনৈকা কবি কবিতা পাঠ  অনুপ্রাণিত)

শ্যামল  সোম

হাজার হাজার ধরে হাঁটছি কাব্যময়
সত্যই তোমার মত প্রেমময় নয় হৃদয়।
আমার অন্তত একটি কবিতা বিনিময়ে
দুঃসময় কাব্য কৈশোর যৌবনের দৈন্য!
অধরা আজো জরাজীর্ণ বৃদ্ধ বয়ষে নগ্ন
সত্য সত্যিই হলো অপর্ণা তোমার ঐ সুখে
আহ্লাদে এ রোমশ বুকে লুকিয়ে রাখা মুখে
ফিসফিস শুনি কানেকানে শব্দটি,ভালবাসি,
আলো মূহুর্তে ছড়িয়েপড়লো ভ্রমরচোখে ভাসি।
মায়াময় জ্যোৎস্নায় তোমার দেহ রোমাঞ্চিত
স্পর্শে, তুমিই সেই আমার আদরের কবিতা
ক্লান্তিকর আত্মবিলাপ রাতে  বৃথাই ব্যস্ততা।
ছড়ানো পরিত্যক্ত অসমাপ্ত ছেঁড়া যত লেখা
মদ্যপ মাতাল নেশাগ্রস্ত হই হলোনা তো শেখা।
অথচ তুমি অধ্যাপনা, আমাকে সামলে কখন
লেখো অপর্ণা জাদুকরী এমন কবিতা ভানুমতী
আমি ঈর্ষান্বিত এ মন প্রেমে দহণে ঋদ্ধ ঋতুমতী।
যুগেযুগে কন্যা তুমি লাঞ্ছিত বঞ্চিত কাব্য রচনায়
আশ্চর্য গুহা মানবী তুমিই  এঁকেছিলে গুহা চিত্র
প্রেমময়ী আত্মাভিমানে পৌরুষেরঅহংকার ক্ষুব্ধ
প্রেমে পরাজিত ব্যর্থ প্রেমিক নতজানু হই সম্মুখে।

দেশে দেশে শরণার্থী নানা সীমান্তে

দেশে দেশে শরণার্থী নানা সীমান্তে

শ্যামল  সোম

প্রকৃতি জন্য সংখ্যা ভারসাম্য
বজায় রাখতেই ভূমিকম্প ও
সুনামি গৃহযুদ্ধের আয়োজন,
আনুপাতিক জনসংখ্যা হার
প্রতিনিয়তই ক্রমশ এত  বাড়ছে।
খাদ্য শিক্ষা বাসস্থান মেধা কর্ম
এ জনযুদ্ধ করে বেঁচে থাকা।
নেই প্রকৃতি কাছে রেহাই নেই
স্রষ্টা বিধাতার বিচার প্রাকৃতিক
আক্রোশ প্রতিশোধ  এচোখে
বদলে ওচোখ রক্তাক্ত ইতিহাস
পুন উত্থানের হত্যা অন্তর্ঘাত
দেশমাতৃকার প্রিয় পুত্র ভয়াবহ
নিঃশংস হত্যা দেশেদেশ ঘটে
এ অভিশাপে ধ্বংস অনিবার্য
পাপে অভিশপ্ত কোটি কোটি
শত মূর্খ হত দরিদ্র শরণার্থী
নানান দেশে দেশে প্রাণ ভয়ে
সন্ত্রাসে পালিয়ে এসে অন্য সে
দেশে সীমান্তে ভিখারি মতন
শিবির ত্রাণের আশায় হাহাকার
পরজীবি দয়ায় দেশ ভাগাভাগি
পর ভুক্তভোগী মরা মাত্রই জানি
জানেন ক্ষীণ আলোয় থাকায়
হতভাগ্য শরণার্থী লুণ্ঠিত রয়--
মর্যাদা কারণ পাপে অতীতের
সন্ধানে আত্মসম্মান বিসর্জন
সর্বস্ব হারিয়ে পিতৃভূমি থেকে
বিতাড়িত হবার পর থেকেই
শুধুমাত্র বেঁচেছিলাম সংগ্রামে ।

আমার কবি কবি ভাব উদ্ভ্রান্ত প্রলাপ প্রবন্ধ

আমার কবি করি ভাব উদ্ভ্রান্ত প্রলাপ প্রবন্ধ

শ্যামল  সোম 

" আমি সেইদিন হবো শান্ত যবে উৎপীড়িতে
ক্রন্দন রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না!"
সৈনিক মহান বিদ্রোহী কবি লিখেছেন, আমি এক
বেকুব বস্তাপচা কটু গন্ধযুক্ত  আজেবাজে অশুদ্ধ
কবিতা না কোপ্তা লিখে লাইক পেয়ে দাঁত কেলিয়ে
বেমালুম ভুলে গেছি, যেমন ভুলে গেছি রবি ঠাকুর
" কবি যদি থাকে প্রাণ  তাই লহ সাথে --- "
"একই  বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান" হে কবি
ছেচল্লিশের দাঙ্গা রক্তাক্ত প্রান্তর দেখেই বাকরুদ্ধ?
আমি ইতিহাস বিস্মৃত কাব্য চর্চার নিঃসৃত  নিষ্ফল
প্রয়াস নেকামি ভালোবাসা না পেলেও প্রেমের
কবিতা লিখে দাঁতাল কবি নিজেই একা একা হাসি
ইতিহাসে অস্ত্রের ব্যবহার প্রস্তর যুগ থেকেই ছিল।
চিরকাল নারীরা শক্তিমান পুরুষের কবলে আদিম
যুগে পণ্য চ্যানেলে নীল ছবিতে  একবিংশ শতাব্দীর 
আজও বিজ্ঞাপনের মডেল ও মাদক চোরাচালান
নিরাপদ বোধে মারণাস্ত্র প্রয়োজন  বাজার দখল।
মুনাফা চাই চাই সহস্র কোটি মরলে পৃথিবী যাদের
তালুতে কি এসে যায় তাঁদের ? পদলেহন করি থাকি
বিদেশে সুখে ঐশ্বর্য প্রাচুর্যে আরামদায়ক জীবন
যাপিত জীবন থেকে বঞ্চিত, তাই শুধু  আমি হাহুতাশ
করি কাব্য চর্চা, না না সামরিক প্রশিক্ষণ নেই কিউবা
রোডেশিয়া লেবানন সিরিয়া ইরাক আফ্রিকার আমি কটা
দেশে নাম জানি মাতৃভূমি পলায়ন কত কোটি স্মরণাগত।
এই মাত্র নাম শুনলাম চেগুয়েভারা মতন,মাও সে তুঙ লাল
ফৌজের নেতৃত্বে বন্দুক  ও কলম চালাতেন জানাছিলো
না আজ 1948 সাল পর উন্নত শীল দেশের মধ্যে 
সম্পর্কিত নিবন্ধ শিরোনামে আজ সে দেশ না বাক
স্বাধীনতা ধর্ম পালনের সিদ্ধান্ত এ শেষ বলে দেশ
সে দেশ অলিম্পিকে সোনার মেডেল পায়,  যা চোখেও
দেখেনি অনেকে অস্ত্র ব্যবসা ইসরাইল রাষ্ট্রের নাগরিক
সামরিক শিক্ষা বাধ্যতা মূলক, মনে দারিদ্র ঘুষখোর লম্পট
Corupted ধনী কর্পোরেট জগতের ব্যক্তিত্ব অধিকারী
পরোক্ষ ভাবে রাষ্ট্র সমাজের পরিচালন করে, আমি
কবি কবি ভাব নিয়ে আঁতেলের মতন শব্দবাজি করি ।