Saturday, 18 March 2017

LET ME LIVE, I WON'T LEAVE THIS BEAUTIFUL GLOBE

Drug addicted  Taniya have tried to commit to suicide cutting her wrist

Oh leave me, don't try save my life
Who the fuck of hale, how dare you
Touch me do you want to rave me ?
Yes yea I have cut my nerve wrist
Don't try to come neare I know desire
Fucking old man do you suck my pushy?

Oh Taniya my dear mother please let the nurs do to stich
The wound to stop leakage blood, you are sinking to death.

Taniya--: Death Let the Death come ! come ! embrace me, kiss me Oh my beloved,

Donch you know what  a man you are , oh i get it Oldman,
Oh Yeas I took drug to drugged the  Death -- I just want to leave hale-----  the globe
Oh don't touch my hair morfia injection pushed me to sleep but listen me I I won't
Oh whatever maybe you are nice Oldman it's pleasure to me after the  very long far from
Child hood when my died father --- oh my  my heartfelt beloved father why why leave me
Alone lonely the alone from the age of  twelve to twenty years eight years each and every
One succed by blood raved me and mind of mine --  are you angle OR GOD MASSANGER ?

Friday, 17 March 2017

গদ্য ও পদ্য আমার পথের আড়ালে

গদ্য কবিতা
তারিখ--: 14---3--- 17

আমার নদী সাথেই প্রেম

শ্যামল সোম

নদী তোমার জলের ভেতরে জল
স্পর্শে শিহরণ শারিরীক তারুণ্যে
উত্তাপে নদীর বহমান স্রোতে অতল,
জল আহ্বানে অরণ্যে কলি ফুটছে।
রূপে গুনে দু নয়নে অনলে জ্বলছে।
জলের আলিঙ্গনে যেই দিয়েছি ডুব
নদী তার ঘূর্ণাবর্ত টানতেই এ নিশ্চুপ।
অবগাহনে কাব্যের স্বপ্নে নিমগ্ন সহবাস
নদী শারিরীক যূঁই  ফুলের ঘ্রাণে সুবাস
নদীই বন্যা আদরের নদীর সাথে বসবাস।

বিভাগ গদ্য কবিতা
তারিখ ---: 14--3-17

তুমিই আমার কবিতা         ( জনৈকা কবির স্মরণে)

বাঁশিওয়ালা  শ্যামল সোম

তুমিই জীবন্ত কবিতা সুলেখা
শিশির ভেজা অপরাজিতা
পূর্ণ এ চাঁদের মায়ায় জ্যোৎস্নায়
হে স্বপ্নের কবি তোমার কবিতায়।
ছন্দে ছন্দে মুগ্ধতায় হৃদয়ের সমুদ্রে,
ঢেউয়ের মত আঁচড়ে পরে এক একটি
শব্দে জাগে প্রতিটি রোমকূপে শিহরণ
বহমান রক্তে শিরায় শিরায় আলোড়ন।
মন চায় তারকাঁটার সীমা রেখা পেরিয়ে
যথারীতি যথাযোগ্য প্রমাণ পত্র দেখিয়ে
ছুটে যাই আমার ফেলে আসা সোনার
বাংলাদেশে আমার ফেলে আসা স্বদেশ !
জন্মভূমির শেকড়ের টানে সত্তর
বছর ধরে কখন দাদু কখন বাবার
সাথে পরবর্তী  কালে একাই শৈশবের
স্মৃতি বিজড়িত বিমোহিত ময়মনসিংহে।
মুক্তা গাছা গ্রাম নীল দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে
সবুজের সমারোহ এ " আজ ধানের শীষে
রৌদ্র ছায়ায় লুকো চুরি খেলা রে ভাই
লুকোচুরির খেলা", কেন তোমাকে দেখলেই
মনে হয় কবি তুমিই যেন শৈশবের খেলার
সাথী,  আমার আয়েশা আখতা, এর আব্বু
মোক্তার হোসেন সাহেব আমার দাদুর ঘনিষ্ঠ
দোস্ত ! দোস্তি  কাকে বলে দেখে ছিলাম।
পঞ্চাশ সালে উনি নিজে জান কবুল করে
আমাকে বুকে জড়িয়ে পরিবারের সকলকে
কাঁটাতারের বেড়ার  এপারে পাঠিয়েছিলেন,
আজও শ্রদ্ধায় হই নতশির তিনি মমিন মানুষ।
ভাবাবেগে স্মৃতি চারণ মাফ করে দিও কবি
তোমার কবিতায় ফিরে দেখি স্বপ্নের দেশ।
মানুষের জীবন বিন্যাসের প্রতিচ্ছবি কাব্যিক
কাব্যের অলংকরণে মোহাচ্ছন্ন এ প্রতীক্ষিত
পাঠক প্রেমিকের হৃদয়ে প্রেমিকার মন উৎফুল্ল
হউক, কাব্যের দেবী প্রাণিত প্রাণের অফুরন্ত
ভালোবাসার নিও, শুভেচ্ছা জানাই  অভিনন্দন।

বৃষ্টিস্নাত তুমিই

শ্যামল  সোম

বৃষ্টির জলে থৈ থৈ প্রেম
বৃষ্টি তোর ভালোবাসার
ঘামের ঘ্রাণে স্মৃতি সুষম
অক্ষয় আজও  এ প্রাণে।

বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদে,
আপনারে নিয়ে তবুও পড়ে সে ফাঁদে।
প্রেমের পথে ক্ষত চিহ্ন মেয়ে বেপরয়া
ভালোবাসার কাঙালিনী প্রেমের হাওয়ায়
সুখের খোঁজে পথের বাঁকে হারায় হায় হায়।

সুমী বোন ভালোবাসায় ভালোবেসেই আছি কল্যাণে ক্রান্তি,
বন্ধুত্বের হাত ধরে জীবনের চলার পথে না যেন আসে ক্লান্তি,
নারী আর কবিতার প্রতি  ভালোবাসা বহে আনবে বিশ্ব শান্তি
এই  বাতাবরণে আগামী প্রজন্ম বুঝবে অতীতের  ভুল ভ্রান্তি।
এ ভাবেই ফুটে ঝরে গেছে মেয়ে
আপদ গেছে বলে হেসেছে সকলে
বিপদ পদে পদে পথে রয়েছে বিছায়ে
তোর ঘুম হীন চোখ জ্বলে উঠল অকালে।

কৃতজ্ঞ রইলাম আপনাদের সকলের কাছেই অনুপ্রাণিত হই।
আমার নূতন ছড়ার পাতা উৎসর্গ করলাম আমার ছোটমাকে

ছড়ায় ছড়ায় ভরিয়ে দিতে হিমসিম
এ আমার তোড়ায় বাঁধা ঘোড়ার ডিম।

বিভাগ গদ্য কবিতা
তারিখ ---: 14--3-17

তুমিই আমার কবিতা         ( জনৈকা কবির স্মরণে)

বাঁশিওয়ালা  শ্যামল সোম

তুমিই জীবন্ত কবিতা সুলেখা
শিশির ভেজা অপরাজিতা
পূর্ণ এ চাঁদের মায়ায় জ্যোৎস্নায়
হে স্বপ্নের কবি তোমার কবিতায়।
ছন্দে ছন্দে মুগ্ধতায় হৃদয়ের সমুদ্রে,
ঢেউয়ের মত আঁচড়ে পরে এক একটি
শব্দে জাগে প্রতিটি রোমকূপে শিহরণ
বহমান রক্তে শিরায় শিরায় আলোড়ন।
মন চায় তারকাঁটার সীমা রেখা পেরিয়ে
যথারীতি যথাযোগ্য প্রমাণ পত্র দেখিয়ে
ছুটে যাই আমার ফেলে আসা সোনার
বাংলাদেশে আমার ফেলে আসা স্বদেশ !
জন্মভূমির শেকড়ের টানে সত্তর
বছর ধরে কখন দাদু কখন বাবার
সাথে পরবর্তী  কালে একাই শৈশবের
স্মৃতি বিজড়িত বিমোহিত ময়মনসিংহে।
মুক্তা গাছা গ্রাম নীল দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে
সবুজের সমারোহ এ " আজ ধানের শীষে
রৌদ্র ছায়ায় লুকো চুরি খেলা রে ভাই
লুকোচুরির খেলা", কেন তোমাকে দেখলেই
মনে হয় কবি তুমিই যেন শৈশবের খেলার
সাথী,  আমার আয়েশা আখতা, এর আব্বু
মোক্তার হোসেন সাহেব আমার দাদুর ঘনিষ্ঠ
দোস্ত ! দোস্তি  কাকে বলে দেখে ছিলাম।
পঞ্চাশ সালে উনি নিজে জান কবুল করে
আমাকে বুকে জড়িয়ে পরিবারের সকলকে
কাঁটাতারের বেড়ার  এপারে পাঠিয়েছিলেন,
আজও শ্রদ্ধায় হই নতশির তিনি মমিন মানুষ।
ভাবাবেগে স্মৃতি চারণ মাফ করে দিও কবি
তোমার কবিতায় ফিরে দেখি স্বপ্নের দেশ।
মানুষের জীবন বিন্যাসের প্রতিচ্ছবি কাব্যিক
কাব্যের অলংকরণে মোহাচ্ছন্ন এ প্রতীক্ষিত
পাঠক প্রেমিকের হৃদয়ে প্রেমিকার মন উৎফুল্ল
হউক, কাব্যের দেবী প্রাণিত প্রাণের অফুরন্ত
ভালোবাসার নিও, শুভেচ্ছা জানাই  অভিনন্দন।

হে আমার প্রিয় স্বাধীনতা

হে আমার প্রিয় স্বাধীনতা

নীলাঞ্জনা  নীড়

★ আমার সাক্ষ্য  মানলেও মানতে পারো★
---------------------------------------

হে প্রিয় স্বাধীনতা, তোমার
শুভ জন্মের পঁচিশ বছর
তখন আমি  কিশোরী।
স্বচক্ষে দেখেছি অপ্সরী
তুমি ভরা যৌবনা তরুনী
আমার স্বদেশ বাংলাদেশ--
প্রারম্ভিক দৈন্য - দশায়
স্বা- ধীনতা ধুলায় লুঠায়।
অনুউর্বর অবরুদ্ধ  দেশ
যৌবনের যূবকেরা 
তখন অনাহারে- অর্ধাহারে
দলিত- মোথিত ক্ষুধার্ত।
হাহাকারে এক মুঠো আহার
খাদ্য যোগান সবই যুদ্ধসম,
কালো বাজারে আড়তে।
তোমার যৌবনের যুবকেরা
রুখে প্রতিরোধ গড়বে কি করে?
আমি তো কিশোরী,
দু- চোখ মেলে দেখেছি,
গগন চুম্বী অট্টালিকা, ক্ষেত  ফসলের
মাঠ-ফেটে চৌচির, আশার
ধূধূ বালু- মরুপ্রান্তর,
কোথাও নেই একফোটা
তৃষ্ণার্ত এর পিপাসিত পানি।
হে স্বাধীনতা, স্বাক্ষয না মানলেও
মানতে পারো, তোমার ঔদ্ধত্য যৌবন।
দেশের যৌবনের যুবকের পড়নে
ছিলো শত ছিন্ন জীর্ণ বসন
নেই বসবাসের ভালো আবাসন,
কত নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে তারা,
তোমার যৌবনের অভিসারে
যাওয়া না ছিল সঠিক সময়
স্বাধীনতা যৌবনের দৈন্য- দশায়।

স্বাধীনতা তোমার যৌবনকে ছাড়িয়ে
আমি কিশোরী থেকে হয়ে উঠেছি যুবতী,
এখন তুমি তো পড়ন্ত বিকেলে।

এখন তোমার কিছু যুবকেরা
নানা পথে পেয়েছে সবকিছু,
হে স্বাধীনতা তুমি হারিয়েছো যৌবন।

মেয়ে মানুষের লাশ


গদ্য কবিতা

তারিখ- -: 17 -3- 17

মেয়ে মানুষের লাশ         ( সনামধন্যা কবি কৃষ্ণা  বসু লেখা বিখ্যাত কবিতা অনুপ্রাণিত হয়ে লেখা )

শ্যামল  সোম

মরা চাঁদ গেছে বুঝি বেনো জলে ভেসে
আধো অন্ধকারে নয়নজুলির খালে ভাসে।
মেয়ে মাইনষের লাশ চিত হয়ে শুয়ে আছে
পরনে ময়ুর কন্ঠি রঙের সিল্কের শাড়ি রক্ত
রাগ রঙে ব্লাউজ, চুলের জড়ানো যূঁই ফুলের
মালা সবই বেসামাল এতই  এলোমেলো চুল।
ভেঙেছে খোঁপা অর্ধ নগ্ন যৌনবতীর দংশিত
মোথিত শরীর ক্ষুধার্ত লোলুপ হায়নার দলিত
ধর্ষনে ধর্ষনে বিহ্বল প্রেমিকার তোড়ায় বাধা
ঘোড়ার ডিম হাতে পেয়ে নিষ্ফল প্রয়াসে কান্না
আর্তনাদ জবাই করা পশুর মত গোঁ গোঁ গর্জন।
যুবতীর আর্তনাদ ক্রন্দন শুনেও শোনেনি অনেকে
বাতি নিভিয়ে দিয়ে,বিস্মৃত শোকে দেখেও দেখেনি
তাকে, বটবৃক্ষের শাখায় এক জোড়া দোয়েল পাখি
বিব্রত বিরক্ত ক্রোধে ঘণ ঘণ ডানা ঝাপটায় নাকি?
সূর্যোদ্বয়ের আলো এসে পাথরের  আঘাতে থেঁতলানো
সুন্দরীর মুখে সে মুখে গেয়েছিল জীবন মুখি কত গান
সেই মেয়ে মাইনষের লাশ দেখতে জমায়েতে প্রশ্নবাণ।

বাজলো ছুটির ঘন্টা

বিভাগ গদ্য কবিতা
তারিখ--: 15--3---17
বাজলো ছুটির ঘন্টা  ( নূতন বন্ধুত্বের স্মরণে )
শ্যামল   সোম
প্রেমের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক যাদের
সাথে আমার আদরের নাতনিদের
মাঝে সবাইর দাদুভাই সে ছড়াকার
ইত্তেফাক এর সম্পাদক মন্ডলী
সদস্য নই।
প্রেমে পড়ে চুয়াত্তর বছরেও মনে
প্রাণে আনন্দে মেতে ভালোই আছি।
আমার মতন বয়স্ক বুড়ো হাবড়ারা
অনেক বুড়ো পটল তুলতে গ্যাছে
হাঁটুর ব্যথা প্রেসার সুগার হার্টের
আমার আছে যেমন থাকে উদাসী
বাউলের মতন সারারাত শান্তি
নিকেতনে বীরভূমে বসন্ত উৎসবে
নাচে গানে মশগুল মোহাচ্ছন্ন মনে
বিমোহিত মুগ্ধ নয়নে দেখি তারুণ্য।
বুকে ঠান্ডা লাগিয়ে ফিরেছি গতকাল
ছেলেরা ব্যস্ত এত ব্যস্ত যে বকতে ভুলে
গেছে, চ্যাংদোলা করে এনে এই কেবিনে।
হঠাৎই নাতনি নার্স ছুটে এলো শুনে
জোরে এলার্ম বাজছে নার্সিংহোমে
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন আমার
বড় পুত্রকে যে আমার মতন
অবাধ্য রোগীকে রাখা সম্ভব নয়।
দৈনন্দিন অভ্যাসে এক প্যাকেট
সিগারেট ধুমপান, ছোট বোতল নিপ
গেছে পাওয়ার ওনার উচ্চ কন্ঠ " পাগল
যে তুই কন্ঠ ভরে জানিয়ে দে " আমার
হৃয়ার মাঝে-  উঁকি দেয় মৃত্যু প্রেম
সলজ্জ চোখে চোখ পড়তেই ভূমিকম্প
স্পন্দন আলোড়িত দুজনার উষ্ণ মন।
দুমদাম প্রেমে পড়ার ব্যর্থ প্রয়াস আমার মতন
চালিয়ে যান, আমি নিষ্পলক তাকিয়েছিলাম
প্রেমে পড়ে, তোমার দিকে, শুনছি কানে 
" দাদাভাই তোমাকে বডড ভালবাসি !"
অক্সিজেন মাস্ক সেলাইন চলছে কষ্ট হচ্ছে
ছেড়ে চলে যাওয়ার, মৃত্যু ঢং ঢং  বাজাচ্ছেন
আমার বেলাশেষে বাজল ছুটির ঘন্টা!

তোমার আমার রবীন্দ্রনাথের বসন্তের কবি কাজী নজরুল ইসলাম

গদ্য প্রবন্ধ

তারিখ -: 18--- 3   17

তোমার  আমার রবীন্দ্রনাথের বসন্তের কবি কাজী নজরুল ইসলাম 

শ্যামল  সোম

ধর্মের দোহাই পারস্পরিক সেঈ ভাতৃঘাতি দাঙ্গায়
কলঙ্কিত ইতিহাসের বাস্তবায়ন দলিল দফতরখানায়
জাতিগত ধর্মপ্রাণ নিজস্ব পরিচিতি লাভ আশায় ইংরেজ
কিছু মুষ্টিমেয় নেতার নেতৃত্বে মসনদ বসার অভিপ্রায়
মানুষের মনের কথা না শুনে ভাগ হয়ে গেল আমার দেশ।
ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব রবীন্দ্রনাথ আগেই চলে গিয়ে
আত্মবিলাপ হাহাকার ক্রন্দন  আলোড়নে বিদ্রোহী কবির
মতন মূক ও বধির আবাসিক কয়েদী হৃদয়ে রক্তক্ষরণ
অনিশ্চয়তায় আত্মগ্লানি অসম্মান বোধে বাস করতে হয়নি।
হিন্দু মুসলমান  একই বৃন্তে দুটি কুসুম, বিদ্রোহী কবির আকাশ
কুসুম ছিল কি সে স্বপ্ন দেখার সাহস কাণ্ডারী হুশিয়ার ক'জন
পড়েন যে যার বিশুদ্ধ পানির প্রবাহিত কাব্য নদীর স্রোতে
বহমান সৃজনশীলতায় সাহিত্যে অবদান রাখার জন্য শেষে
আপ্লুত ভাবাবেগে ভুলে যায় রেস কোর্স ময়ানে ঐতিহাসিক
বজ্র কন্ঠের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, যিনি নিশ্চিত  ভয়ঙ্কর মৃত্যুর মুখ
থেকেও ফিরেও আততায়ী জল্লাদ গুলিবিদ্ধ হন কেন কেন?
তিরিশ লক্ষ মানুষের আত্মবলিদান শতসহস্র লক্ষাধিক নারীর
ভূলুণ্ঠিত মান সন্মান অত্যাচার অসহ্য হিংস্রতা নির্যাতন বৃথাই?
অজস্র মানুষের জীবন বিপন্ন সন্ত্রস্ত উদ্বিগ্ন নিশ্চুপ ছিলেন যাঁরা
আজ বংশ পরাক্রমে এই প্রতিনিয়ত প্রতি মুহূর্তে আত্মঘাতী বাঙালী
ভুলে যায় মহান কবির বঙ্গভঙ্গ আইন রোধে পথে নেমেছিলেন
তোমার আমার রবীন্দ্রনাথ।
সে সব ঋণ পরিশোধ করার আজও  কি আসেনি সময় চৈতন্যের অভ্যুদয় ?

Monday, 13 March 2017

আমার আদরের নাতনি শিল্পী


আমার আদরের নাতনি শিল্পী

শ্যামল সোম

ওরে পাগলি পালিয়ে কোথায় যাবি মা
পাগলের কাছ থেকে পালাতে পারবি ?
হেরে যাওয়ার জন্য প্রার্থনা করিনি আমি
আছে ঈশ্বরে নিশ্চিত  বিশ্বাস অন্তর্যামী
জানেন নাতনি তোমাকেই  উঠে দাঁড়াতেই
হবে মৃত্যুর আগে দেখে যেতে চাই  সাফল্যে
তুমিই  ছূঁয়েছো সঙ্গীতের কন্ঠে সুনীল আকাশ।
তুমি  একজন  সুন্দর মনের মানুষ ওগো নাতনি
নাতনী তাই  সুন্দর খোঁজেই  থাকো গো তুমি
বন্ধুত্বে এই বৃদ্ধের সামান্য  শুভেচ্ছা বার্তা জানাই।
ফাল্গুনের বসন্তের  আহ্বাণে কল্যাণ হোক তোমাকে
উষ্ণ অভিনন্দন, অফুরন্ত স্নেহাশিস ভালোবাসার
মানুষদের ভীষন ভীষন ভীষন ভীষন ভালোবাসি ।
ফাল্গুনের দোল পূর্ণিমায় আজ রঙে রঙে রাঙিয়ে
দিলেম, সবাইকে, কন্যা সম নাম শ্রাবণী ও নাতনির
সাথে রঙের উৎসবে, আনন্দের স্রোতে  আপ্লুত মুগ্ধ।