Friday, 30 August 2019

বৈষ্ণব পদাবলী

http://www.successbangla.com/2017/10/baishnob-podaboli-porjay.html

গণ নাট্য সংস্থা

#শিশির সেন।

1950 সাল থেকে প্রায় সাত দশক গণনাট্য কর্মী ও নেতা হিসেবে তিনি কাজ করেছেন। পার্টির সদস্য পদের বয়স পাঁচ দশক পেরিয়েছে। প্রথম যৌবনে প্রান্তিক শাখার সম্পাদকের দায়িত্বপালন করেছেন, সঙ্গে পেয়েছেন জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায়, বিরু মুখোপাধ্যায় প্রমুখ নাট্য ব্যক্তিত্বের সহযোগিতা। রাহুমুক্ত  নাটকে তিনি অভিনয় জীবন শুরু করেন। গণনাট্য আন্দোলনের পূর্বসূরী হেমাঙ্গ বিশ্বাস, সলিল চৌধুরী, দিগিন্দ্রচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, সজল রায় চৌধুরী, রেবা রায়চৌধুরী, নিবেদিতা দাস, উৎপল দত্ত, শোভা সেন, নিবারণ পণ্ডিত, রমেশ শীল প্রমুখ ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক ছিল।

বিশেষ করে অন্যান্য বাম গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যুক্ত সাংস্কৃতিক সংগঠন সমূহ এবং গ্রুপ থিয়েটার গুলিকে সন্ত্রাস ও জরুরি অবস্থা মোকাবেলায় যুক্ত করতে শিশির সেনের ভূমিকা ছিল সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। গণনাট্য সংঘের বিপ্লবী ধারার পোষণ ও অগ্রগতিতে সংগঠনের বিস্তার ও অবদান বজায় রাখতে নেতৃত্তের ভূমিকার প্রশংসা করতেই হবে আর এই কাজে 60 বছরের বেশি দায়িত্ব পালন করেছেন শিশির সেন পাশে পেয়েছেন হীরেন ভট্টাচার্য,  আসু সেন, নরেন মুখোপাধ্যায়, দিলীপ সেনগুপ্ত, শ্রীজীব গোস্বামী, প্রভৃতি সংগঠকদের।সংগঠনের দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে গিয়ে শিশিরবাবুর নাট্য রচনা পরিচালনা ও অভিনয়ের ক্ষেত্রে যে সহজাত ক্ষমতা ছিল তা নিশ্চিতভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয়। বিশেষ করে প্রথম দিকে সৃষ্টিশীলতা পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অনিবার্য অতি সক্রিয় হয়ে পড়ে তা সত্বেও নীলদর্পণ রাহুমুক্ত সংক্রান্তি মুক্তির উপায় বিসর্জন নাটকে তার অভিনয় আজও স্মরণ আসে। আজও ভোলা যায়না রোজেনবার্গ দম্পতির ভূমিকায় শিশিরবাবু ও চিত্রের অসামান্য অভিনয়। হারানের নাতজামাই নাটক অভিনয়ে সূত্রে কৃষক আন্দোলনের প্রচারে সার্থক ভূমিকা পালন করেছিল বেশ কিছু পোস্টার নাটকের পরিচালনা ও অভিনয় এবং কয়েকটি যাত্রাপালা তার প্রতিভার স্বাক্ষর ধরা আছে।

1977 সালে রাজ্যের বামফ্রন্ট সরকার প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ 34 বছরে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বহু দৃষ্টান্তমূলক কর্মসূচি রূপায়িত হয়েছে যা প্রায় কোন রাজ্যে হয়নি।নাট্য উৎসব গান মেলা, চলচ্চিত্র উৎসব, চারুকলা উৎসব, লোকসংস্কৃতি উৎসব ইত্যাদি কর্মসূচি সূচনা হয় এই বিরাট কর্মকাণ্ড শুধু সরকারি স্তরে রুপায়ন সম্ভব নয় তাই সংস্কৃতি জগতের প্রীতি মানুষদের যুক্ত করা হয় এই সব ক্রিয়াকর্মের। সম্পূর্ণ নতুন এই সব কাজে প্রধান ভূমিকা নিয়েছিলেন শিশির সেন নাটকের মানুষ হওয়ার সূত্রে নাট্য একাডেমিতে নাট্যজগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমাবেশ করতে পেরেছিলেন।তার সাংগঠনিক দক্ষতা মিষ্টি ব্যবহার দলমত নির্বিশেষে সকলকে কাছে টেনে আনার যোগ্যতা বামফ্রন্ট সরকারের সাংস্কৃতিক নীতি রূপায়ণে অপরিসীম সহায়ক হয়েছিল তার অভাব পূরণে আর সমস্ত সংস্কৃতিকর্মী কে এগিয়ে আসতে হবে।

সূত্র: গণনাট্য পত্রিকা জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি প্রথম সংখ্যা 2018
লেখক:অনুনয় চট্টোপাধ্যায়।

Thursday, 29 August 2019

পুরুষ তান্ত্রিক সমাজে লিঙ্গ বৈষম্য কেন ? ( ব্যঙ্গ রচনা চাই মার্জনা )

পুরুষ তান্ত্রিক সমাজে লিঙ্গ বৈষম্য  কেন         ( ব্যঙ্গ রচনা চাই মার্জনা )

শ্যামল সোম

একবিংশ শতাব্দীতেও লিঙ্গ বৈষম্য কেন জানি কেন প্রাক ঐতিহাসিক পটভূমিতে মানুষ যখন গোষ্ঠীবদ্ধ
থাকতো যাযাবর জীবন যাত্রায় তৃণভূমি খোঁজে দলবদ্ধ গৃহপালিত পশুদের সাথে নারীদের দল চলছে
পুরুষের পিছনে, হঠাৎ অন্য শক্তি শালী গোষ্ঠ ঝাঁপিয়ে পড়ে পুরুষদের খুন করে কেউ কেউ পালিয়ে যায়।
সেই পরাজিত গোষ্ঠীর গৃহপালিত পশু ও নারীদের দখল নেয়, আজও এই গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব বিরোধ মাঝে জাগ্রত
হয়, হঠাৎ আকস্মিক দলিতদের বা দূরবল শ্রেণী উপর জায়গা দখলের ভিত্তি খুনখুনি হচছে, সেই প্রস্তর
তাম্র লৌহ্য যুগ থেকে বিভিন্ন দেশে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উপরে আজও বর্ণ ধর্ম জীবন স্খলন প্রত্যয় অভাব,
না সোনার পাথর বাটি, আকাশকুসুম কল্পনা করে স্বপ্ন দেখতে  ভালো লাগে কিন্তু স্বপ্ন, স্বপ্ন থেকে যায়।
লিঙ্গ বৈষম্য দূর করতে পারেন, অথচ ভারতবর্ষে আধ্যাত্মিকতা পথে নৈতিকতাকে ছেড়ে পূজো আচার ধর্মে,
আনুষ্ঠানিক পুরান কলপ কাহিনীর পথর ভাগ্য পরিবর্তনে বিশ্ব বিজয়ী জ্যোতিষি হোম যজ্ঞ করে বাবা দুলি
মাদুলি তাবিজ, দশ আগুলে দশটি পাথরের আংটি, গুরুজী সেবা প্রদান, পোয়াতি না হলে গরুকে যেমন ষাঁড়ের কাছে পাল দেওয়তে নিয়ে  যায়, ঠিক তেমন বৌমাকে সঙ্গে করে শাশুড়ি মাতা ঠাকুরণ, নিজের মা
নিয়ে যায়, অলৌকিক সাধু বাবা কাছে, তিনি যজ্ঞ আগুনে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন বন্ধ ঘরে অলৌকিক শক্তি প্রয়োগ
বাতাসে ভেসে আসা কুমারী মাতা, গরভবতী হণ, বিদেশে, ভারতের অনেক সাধকে অলৌকিক ভাবে জন্ম হয়েছ।
পুরা কালে জমিতে বলদ দিয়ে লাঙলে ফালায় পাল কর্ষণ করলে বীজ বপন করলে সোনার ফসল  ঘরে তোলা হয়।
নিয়োগ প্রথা, গুরুদেবের কৃপায় নব বঁধু সতীচ্ছদ পাল ঠাঙিয়ে বৈঠা ঠেলছে গুরুদেব, বা কুলিন ব্রক্ষাণ
শতবিবাহ প্রথা ভেঙ্গে প্রকাশ্যে নয় গোপনে পরকীয়া প্রেমে পড়ে ডুবছে ভেসে সংসার তালাক তালাক দেওয়া
বউকে ফিরে হলে অন্য পুরুষের সাথে নিকা তালাক পেলে পুনঃ বিবাহ, বিদ্যা সাগর মহাশয় নিজের গ্যাট এর
টাকা খরচ করে বিধবা বিবাহ দিতেন পরবর্তী সময়ে  স্বামী কিছু কাল সহবাসে পর পলায়ন।
ঠিক যেন এখন বিবাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘ দিন সহবাস পরে হবু বর বর পালালে কান্না কাটি ফলিডল খেয়ে
আত্ম হত্যা, এই মাসে অগাস্ট 19 কদিন আগে জনৈকা কিশোরী দশম শ্রেণী পড়ছে সহপাঠী বয় ফেন্ড
সাথে অন্ধকার প্রেম করতে গিয়ে কোলাঘাটে চারটি যুবক গণধর্ষণ করে তখন কীটনাশক বিষ খেয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা এখন হাসপাতালে খাবি খাচ্ছে ।
অসম্ভব সাহসী এভারেস্ট জয় করছে, সুনিতী উইলিয়াম মহাযানে পরিক্রমণ  আবার মদয পান মাদক সেবন
পুরুষ হয়ে উঠা নারী তখন সেন্স  আছে  যখন যুবক বন্ধুরা সবাই তার নগ্ন দেহের শিরায় শিরায় ঢেলে দেয় বিষ
এডস রোগীর সংখ্যা বাড়ছে যৌন স্বাধীনতা লেট নাইট পার্টিতে চমক চলছেই সারারাত, Iwont care mammy, fuck me hard to harder, let me enjoy my OWN life Iwont care!
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সংগ্রামে সশস্ত্র বাহিনী কর্ম ক্ষেত্রে, খেলার জগতে , সিনেমা রঙিন জীবনে নায়িকাকে,
নাট্য দলে নারী ঘটিত নৃশংসতা মামলাটি একসিডেন্ট, মহুয়ার পালা, উঠতি নায়িকা মুমবাই  সিনেমা
রঙিন জীবনের আড়ালে, বার হাত শাড়ি পরে কত নাচন কদন, নারীর নাভিমুলে আহাহা কত আকরখ
পুরুষ মেনেই কি ধর্ষকামী বা নারীদের  রূপরেখা  ঐ যৌন অঙ্গে যত মর্মস্পর্শী  ব্যথা হোক সুখের তৃপ্তি শীৎকার ধ্বনি সহবাসে না ধর্ষণে  কে জানে ?
লিঙ্গ বৈষম্য দূর হবে না কখন তবু ভালোবাসাপিয়াসী মন উন্মুখ হয় রয়েছে এখন।

Wednesday, 28 August 2019

সোহনী আজও তোমার খোঁজে আরো সাতটি কবিতা না কোপ্তা

সোহিনী আজও তোমার খোঁজেই

শ্যামল  সোম

একা একাই হাঁটছি এখন
আকাশের সাথেই,
সোহিনী আমরা পরস্পরের
হাতে হাত ধরেই হাঁটছিলাম,
" হঠাৎই বললে,  'সোম আসছি' "
সেই যে গেলে আর ফিরলে না,
কেন এই পলায়ন ?
সোহিনী তোমার না বলে,
আচমকা চলে যাওয়ার পর থেকেই
বিষন্নতায় বিষাদে নিমজ্জিত আমি,
মরা নদের মত স্রোতহীন।
তুমিই আমার প্রথম  ও শেষ প্রেম,
আশ্চর্য জলদ প্রাণীর মতন
জল ছেড়ে একাকিত্বের থাকা,
নির্বাসনের ফেরারী  কয়েদীর
মতন এখন দেশে দেশে পথে পথেই,
খুঁজি তোমাকেই?
ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে কেন
হঠাৎই না বলে চলে গেলে ?
বলে গেলেই বা কি ফাল্গুনের 
কৃষ্ণচূড়ার ডালে লালিমা কম হতো?
শ্রাবণের বৃষ্টি, বৈশাখে প্রানীত
প্রাণের অর্ঘ্য যূঁই, বেল কি ফুটতো না?
তোমাকে আমি তো ডাকি নাই,
আপন মনে নিজেই কাছে এসে
পূর্ণিমার চাঁদকে  সাক্ষ্য রেখে
আত্মসমর্পণ ভালোবেসে ছিলে কেন,
আমাকে একেবারে নিঃস্ব
করে এ ভাবে চলে গেলে?

খুলে রেখেছি মনের জানালা

শ্যামল সোম

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দেশে মানুষের
একাকীত্ব বিনিদ্র রাতে নীরবে ব্যথা
বেদনা নৈরাশ্য মুক্ত চিন্তা প্রকাশ পায়,
ফেসবুকে কখন ফুটপাতে পাতা বসে
চেয়ারে হেলান অপেক্ষা করছি যদি
পথ চলতে চলতে কেউ যদি বুঝতে
পারে আমার শুকনো অবসন্ন বিষাদ
আচ্ছন্ন ক্লান্ত শরীর এলিয়ে পড়ে মন
মানসিক অবসাদে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ।
প্রতীক্ষায় রয়েছে কেউ  একাকীত্ব ক্ষণ
প্রতিক্ষণ সংগোপনে  বিনিদ্র রাত জাগে,
তারাদের সাথে ঢুকে যেতে চায় মন এই
ক্ষণিকের মিলনে স্নেহ স্নিগ্ধ মমনে মন।

মরণ দ্বার হতে ফেরায় প্রেম

শ্যামল সোম

তোমার ভালোবাসায় প্লাবন
হৃদয় ব্যাকুল প্রাণের শ্রাবণ
আকুতি সহমর্মিতা সহ অনু
এ গল্প সহানুভূতি পাশে পেয়ে
অকৃত্রিম অফুরন্ত উষ্ণতায়
অকৃপন ভালবাসায় ভরিয়ে
দেয় এ বুড়ো ভগ্ন হৃদয় জুড়ে
রয়েছো তুমিই আমার প্রেমিকা
তোমার প্রেমে এ হতভাগ্যকে
মরণের দ্বার হতে ফিরে ফিরে
আসার পথে চলেছি তারাদের
সাথে অশরীরী তোমার আত্মা
আত্মীয় একান্ত স্বজন প্রিয়জন
প্রিয়া ভালোবেসে নূতন করে
বেঁচে আশায় আশায় তোমার
হাত ধরে মৃত্যু মুখ থেকে তুমি
ফেরাও ফেরাও আমাকে নিয়ে
সত্যি সত্যি সত্যি বলছি তোমাকে
আমার ভীষণ  বাঁচবার সাধ হয়।
বৃদ্ধ বয়সে এসে কাছে নেই তুমি
কেউ নেই সবারই যে যার কাজে
আছে, আমার মতন হতভাগ্য বৃদ্ধ
অসহায় অবহেলায় পড়ে আছি।
হে প্রভু বিশ্ব স্রষ্টা সৃষ্টি এই ধরিত্রী
মঙলময় প্রভুর কৃপায় মৃত্যু হোক,
এই মোর শেষ প্রার্থনা করুনা করো,
দীনবন্ধু এই বৃদ্ধকে চরণে ঠাঁই দাত।

সংসারের পুতুল খেলায় হেরে গেলাম আমি

শ্যামল সোম

বিবাহিত জীবন সংগ্রামে বিপর্যস্ত হয়ে ও
হার মেনে নেওয়া স্বভাবে ছিলো না শত,
বাধা বিঘ্ন প্রয়োজনে দিন রাত পরিশ্রম
করে স্বামী স্ত্রী নিজেদের শরীর সখ সুখ
আহ্লাদ একটু বেশিই আদরে প্রশ্রয় দিচ্ছে,
দুটি পুত্র সন্তানের জন্ম যথা সর্বস্ব হারিয়ে
নিঃস্ব অসহায় নানা রোগে আক্রান্ত হয়েছি।
বৃদ্ধা বৃদ্ধের মরণ কেন  মরণ হয় না গো
যমের অরুচি মাঝেমধ্যে আত্মহনন কি ?
শেষ পর্যন্ত অসহায় আমাদের একমাত্র
পথ, অসুস্থ অবস্থায় বৃন্দা আশ্রমেও নেই,
ঠাঁই হে মহান স্রষ্টা প্রভু তব চরণে দাও ঠাঁই।
সত্যি সত্যি আমাদের বাঁচিবার সাধ নাই।
এই গানটি শুনে কাঁদছি  জীবনের শেষে
কোথায় যেন একটা আঘাত করে গেল ।
ধ্বাক্কা দিয়ে গেল, আজ বার দিন আমরা
দুই বুড়ো বুড়ি  হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আছি,
আপনারা প্রার্থনা দোয়া করবেন কৃপা করে
যত দ্রুত সম্ভব প্রভুর চরণে আশ্রয় ঠাঁই পাই।
" জেনে শুনে বিষ করেছি পান
প্রাণের আশা ছেড়ে সোঁপেছি প্রাণ! "

পত্র কাব্য

প্রেমিকা  তুমি কবিতা

আজ এই জীবনের গোধূলি লগ্নে তন্বী
তরুণী চির যৌবনা আমার কৈশোরের
প্রেমিকা অপরূপা নারী তুমি যে কবিতা,
পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নেওয়ার প্রক্কালে,
আজ অকপটে স্বীকার করি তুমি আমার
শেষ মূহুর্তে আজও পাশে রয়েছো কবিতা
হে নারী তুমি আমার প্রথম প্রেম কবিতা,
এখন আমার চোখে চোখ রেখে দেখো
এই বৃষ্টি ঝরা আসন্ন  সন্ধ্যা বেলায় দেখ,
ভালোবাসা দীঘির মতন টলটল করেছে।
ঢল নেমেছে শিরা উপশিরায় প্রেমে পড়ে,
কবিতা কাব্যের শুভ্র পুষ্প আঙিনায় রঙে
রঙে রঙিন সামিয়ানা আকাশে তলে বাস।
সুবাস প্রেম প্রেমের কাব্যিক অপূর্ব বিন্যাস।
আমি মুগ্ধতার জানাবার ভাষাহীন, হতবাক,
হে কবিতা তোমার ভালোলাগায় প্রাচীন বৃক্ষ,
গুনমুগ্ধ বৃদ্ধ জরাগ্রস্ত জরাজীর্ণ ঋব্ধ বিমোহিত
স্নেহময়ী জননী অকৃপণ সুপ্ত মমতায় কবিতা
তোমতে আমি আপ্লুত মোহাচ্ছন্ন নিরন্তর প্রয়াসী।
কালের যাত্রা যাত্রী তুমি পথের সাথীদের প্রেঢ়না
তুমি একজন অনন্যা তুমিই তোমার কবিতা স্বপ্ন
কাব্য  পরিচয়েই সনামধন্যা কবির শৈল্পিক শৈলী
নান্দনিক কাব্যিক অপূর্ব বিন্যাসে গুনমুগ্ধ হলাম।

কবিতা তোমার আজন্ম প্রেমিক শ্যামল সোম

বাঘিনী তোমার জন্য

শ্যামল সোম

আকাশ ভালবাসায় ভরিয়ে দেয়
নাভিমূলে বৃষ্টি অঝোরে ঝরছে
বৃষ্টিকে  দুহাতে  জড়িয়ে সজোরে
ঝাঁপটে নগ্ন বৃষ্টি ছোঁয়ায় হৃদয়ে
গহীন অরণ্যে ঝর্ণা বহে সে প্রেম
কাব্যে সুষুপ্তি পিপাসিত হিয়া সুখের
মোহনায় অনন্ত প্রেমে বহে যায় সে
খানে বাঘিনীর বাঘের প্রয়াসী মন ছুঁয়ে।
বাঘ বাঘিনী মহা মিলন নিষিদ্ধ ক্ষণ ক্ষণে
ক্ষণিকের মিলনের আনন্দ প্রলয় প্লাবন
তোমার জন্য হিংস্র জানোয়ারের মত
ঝাঁপিয়ে পড়ে ছিঁড়ে খুলে ফেলি তোমাকে।

এ এক অবিস্মরণীয় অবিশ্বাস প্রেম

শ্যামল সোম

একেই বলে যদি মজে দুজনের প্রেমে মন
দেশের, বয়সের জাত পাতের মানে না শাসন।
সাত সমুদ্র তের নদী পাড়ি দিয়ে উড়ে উড়েছে
যার মন সীমান্ত ঝুঁকি নিয়ে নিরাপত্তার, নড়ছে
কাঁটাতার বেড়া,প্রাচীর ডিঙিয়ে বা আকাশ পথে,
প্রেম ভালোবাসার পদ্ম কাননে, কিন্তু পদস্খলনে,
ছলনায় ভুলে ভালোবেসে জীবনের গভীর খাদে।
গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে প্রেমের বৃত্তে আবর্তে বিবর্তন
ঘূর্ণি ধুলোর সঙ্গে ওড়ে ধুলোবালি বিরূপ প্রভাব !
বিদ্রুপ তিরস্কার অত্যাচার লাঞ্ছনা প্রবঞ্চনা থেকে
প্রতারণা থামানো যাচ্ছে না পরিত্রাণ নেইকো চালে
নিগ্রহে সামাজিক প্রতিকূলতা অতিক্রম করে চলে।
পরিত্রাণ পেতে শেষ মূহুর্তে উন্মাদ পুরুষের পেট হতে
মনোরঞ্জন করতে দেহের একে একে পোষাক বিমোচন,
উলঙ্গ নগ্ন দেহ  সমর্পণ করে ধেই ধেই মদ্যপান নাচন।
বিকৃত মনস্ক পুরুষের পছন্দ মত জীবন নিশীথ  যাপন,
না কি নূতন প্রেমিকের হাত ধরে গভীর রাতে পলায়ণ ?

নাম তার মাধবী লতা

শ্যামল সোম

জনৈকা নারীর হৃদয়ের স্পন্দনে,
বেদনায় আকুলতা মাধবী লতা,
পরগাছার মত আব্বু আম্মু মৃতা
চাচার কাছে শৈশব কৈশোর নব
যৌবনে রোগা চেহারা মায়াবী মুখ,
উজ্বল চোখের দৃষ্টি আকর্ষণ করে,
আজ সে নারী বড়ই অবহেলিতা।
কৈশোরে প্রারম্ভ মাধ্বী লতার মত
জড়িয়ে ধরে বুকে রেখে মাথা কত
স্বপ্ন দেখে মনে মনে হয় তোমাকে,
নিয়ে সদ্য ফোঁটা জুঁইয়ের মতনই
তোমাকে ভালোবেসে আহ্লাদিত
প্রাণে আশা প্রেমের বন্যায় ভেসে
ছিলাম, পরস্পরেকে ভালোবেসে।
আকস্মিক সমাজের নিষেধাজ্ঞা,
অতর্কিতে বন্ধ হয়ে গেল হৃদয়ের
কপাট শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে প্রাণে
নতুন সূর্যোদ্বোয়ের ভোরে হঠাৎ
কালো মেঘের এল অশনি সংকেত,
যখন নূতন বাসা বাঁধার প্রত্যাশায়,
কামিনী ফুলের গন্ধ আকুল মাতাল
হয়ে নেশায় বুঁদ হয়ে আমোদে লাল
আহ্লাদে গদগদ যখন বাতিল করলে
ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সম্মুখীন হয়ে উভে
গেল আমাদের মিলনের আয়োজন।
আমার প্রথম প্রেম মাধবী লতাকে এ
সমাজের শাসনে রক্ত চক্ষু প্রাণ সংশয়।
হেন সর্বস্ব হারিয়ে হাহাকার আর্তনাদ
চাপা দীর্ঘনিঃশ্বাস হাহুহুতাশ শরনাথী--
তেড়ে আসছে একদল লোক রক্ষক
পালাচ্ছি আমি, নাই আমার কোথাও ঠাঁই ।

হে অনাদি মহাকেশ্বর মহাকাল

হে অনাদি মহাকালেশ্বর মহাকাল

শ্যামল  সোম

শৈশবে ফেরাও
ফেরাও ফেরাও
আমাকে ফেলে
আসা সেই দিনে,
প্রজাপতি ধরতে
ফড়িং এর পেছনে।
হঠাৎই আকাশে
শরতের শুভ্র মেঘে
সাথে জড়িয়ে ধরে
উড়ছে কাঁটা ঘুড়ি।
রাতের  অন্ধকারে
লন্ঠনে আলোতে
দিদার ছায়া ভাসে
দৈত্য দানবের গল্প।
বর্ষা ঘনঘোর ডাকে
মেঘের সে কি গর্জন
কাঁপন দেহ মন
ঝম্প দিয়ে নামে
বৃষ্টি বৃষ্টির জলে
ভাসাই কাগজের
বানানো নৌকা
আজও বৃষ্টি পড়লে
আমার নৌকাবিহার।
শৈশবে ফেরা কি আর
সম্ভব কখনও যেন এ
স্বপ্নে বিভোর এই
বৃদ্ধের মন শৈশবের
দিনে ফেরাও ফেরাও মন।

মনের কথা

মনের কথা

শ্যামল  সোম

কাল রাতে চুরি হয়ে গেছে মন
জ্যোৎস্না  এসে ছিল জানালার
ফাঁকে, ফাঁকি দিয়ে গেছো তুমি।
আসছি বলে চন্দ্রানী চোখের
আলোয় চোখে চোখ মেলে
ইশারায় না বলা কত কথা বলে,
বৃদ্ধ বৃক্ষের ডালে দুলে  দুলে হেলে
দুলে আমার দোয়েল পাখি কত
গান শুনিয়ে ছিলে, "(ওগো) আমার
পরাণ যাহা চায় তুমি তাই গো,"
আমার  হৃয়ার  মাঝে লুকিয়ে ছিলে,"
তোমার মায়াবী চোখে চোখ মেলে
নিঃসংকোচে কৌতুকাবহ দুষ্টু  হাসি,
অথচ আশ্চর্য সারল্য স্নিগ্ধ মাধুর্যে
তোমার অপরূপ সৌন্দর্য মুগ্ধ  হয়ে
চেয়ে আছি, অপার বিস্ময়ে বিস্মৃত।
স্রষ্টার  এ এক  অসাধারণ  অপূর্ব  এই
আমার ভাঙা ঘরে চাঁদের নুর জ্যোৎস্না
তুমি কি নুরজাহান না মেহরুনেসা  তুমি
কে গো, তুমি মায়াবিনী মনে হয় কতদিন
কত শত জন্মের তুমি জীবন্ত প্রণয়িনী
হৃদয়িনী আমার আদরের তুমি পারু।
চাঁদনী আমার সর্বনাশের  সর্বনাশী তুই
তোর জন্য  পাগলি শুধুই তোর জন্যই
ফাল্গুনের কৃষ্ণচূড়ার গাছে  গাছে লালে
লাল হয়ে আছে, পারু  দেবদাসের মত
আমার কোন পার্বতী নেই যে আমাকে
সেবা শুশ্রূষা করে সুস্থ করে তুলবেন।
তবু আমার কীর্তন খোলা নদীর কাছে
একটি ঘর, নদী পারাপারের ছিলেম
মাঝি, আপনার হাতে রেঁধে দুবেলা দুমুঠো
মহেরবানের কৃপায় জুটে যেত, ভাটিয়ালি
সুরে উদাত্ত কন্ঠে, " আমায় ভাসাইলি রে
ডোবাইলি রে, অকুল দোরিয়ায় আমি-- !"
নাওয় ভাসাইয়া ভেসে চলেছি  না তোর
ফিরে আসার বা তোকে খুঁজতে নয় রে
আমি বহমান নদীর স্রোতে ভাসি ঈশ্বরের সন্ধানে।

বুড়ো বয়সে ঘাড়ে চেপেছে কবিতা পেত্নি ( রম্য রচনা)

বুড়ো বয়সে ঘাড়ে চেপেছে কবিতা পেত্নি           ( রম্য রচনা )

শ্যামল সোম

আমার এই শেষ বয়সে দাঁড় কাকের গায়ে ময়ুর পুচ্ছ গুজে ময়ুর সেজে আমার মতন বকের
সারসে দলে ভিড়তে যাওয়া কোলকাতায় এক বিখ্যাত হোটেল ভারতীয় অতীতের ঐতিহ্য নবাবি
আমলের সুন্দর বোঞ্এর গোযান,  ভাস্কর্য সকল ও পেয়েনটিং ছবি দিয়ে সুসজ্জিত  হোটেলটি
সবচেয় লক্ষণীয় এই হোটেলে ডি এম থেকে শুরু করে প্রতিটি কর্মচারিদের সুমিষ্ট হাস্য মুখে এই
আন্তরিক ব্যবহার যা আমাকে মুগ্ধ করে সবসময়। এর পুরস্কার স্বরূপ প্রধান অতিথি বিশিষ্ট
সমাজ সেবক দীনেশ উপাধ্যায় মহাশয়কে ও অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথি কবিদেরকে যাঁদেরকে
চিনতে পারলাম তিনি আমার ভীষণ প্রিয় কবি স্নামধন্যা কৃষ্ণা বসু ও ডঁ দীনেশ উপাধ্যায় জীকে
মহাশয়  ও মহাশয়াকে বরণ করলেন হোটেলের জনৈক কর্মচারি এই  ডি এম  অনুরোধে, অগ্নি শিখা ও
অচছূৎ সাহিত্য সবার জন্য অনুষ্ঠানের প্রদীপ  প্রজ্জ্বলিত করেন ডঃ দীনেশ উপাধ্যায় যিনি দেশে
দেশে বিদেশে দুশো স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কর্ণধার কমিটির মুখ্য ভূমিকা দায়িত্ব  পালন করে থাকেন তিনি
ডঃ দীনেশ উপাধ্যায় জী।
তিনি এই পশ্চিম বঙ্গের মাটিকে প্রমাণ জানালেন এখানে রাজা রাম মোহন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যা সাগর, স্বামী বিবেকানন্দ এর আধ্যাত্মিক মমন চিন্তন না করে আমাকে আমার মত থাকতে দাও, ভারতীয়
ঐতিহ্য পরিবারের বয়স্কদের সম্মান করা, নারীদের শালিতনা, মোবাইল ফোনে আসক্তি থেকে দৃরে থাকা,
নৈতিক শিক্ষা, হঠাৎ আকস্মিক তাঁর কানের কাছে কি বলা, বিখ্যাত স্নামধন্য কথাশিল্পী কবিদের
ধৈর্য চূত্যি অধৈর্য হয়ে উঠছেন ডঃ দীনেশ উপাধ্যায় জী থেমে গেলেন, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে
আমিত হঠাৎ  আমার আনা উত্তরীয় ও স্মারক  হাতে তুলে দিলেম অগ্নিশিখা যিঁনি দুই বাংলার জনপ্রিয় কথাশিল্পী ঐতিহাসিক কবি সমাজসেবী তাঁকে সম্মান জনিয়ে চলে আসছি অপ্রকাশিত ভাবে আমার মতন অকবিকে উত্তরীয় ও স্মারক হাতে তুলে দিলেন ডঃ দীনেশ উপাধ্যায় জীকে ও কবি কৃষ্ণা বসু মহাশয়া সবাইকে  আমার আন্তরিক সম্মান নমস্কার জানিয়ে ছুটে এসে ভাড়া করা গাড়িতে যাচ্ছি আর ঈশ্বরকে
ডাকছি এই নৈশ্যভোজের লোভে না কিসের টানে গড়িয়া কাছে বৃদ্ধাবাস থেকে ছুটে আসা।
গাড়ির ভাড়া চুকিয়ে বৃদ্ধাবাসে মেন গেটে বিশাল তালা, হাত পা কাঁপছে হায় হায় কবি সাজাত খেসারত
সারারাত জেগে রাস্তা রাস্তায়, মা কালিকে ডাকছি, হঠাৎ আকস্মিক ভুত দেখের মতন চমকে উঠলাম
আমার ল্যান্ডলেডি কোমরে হাত দিয়ে রক্ত চক্ষু চোখে বিদ্যুত্ হেনে অঙ্গ সঞ্চালনে তেড়ে উঠলেন,চিতকার
করে ধমক দিলেন, " এইটি বৃদ্ধাবাস  বুড়ো বয়সে এত রাত করে ফেরা চলবে না,"
কান ধরে মাফ চেয়ে ঘরে ঢুকে আয়নায় গলায় উত্তরীয়  ফাঁস দিয়ে দাঁত কেলিয়ে  হাসছি।

গণ নাট্য সংঘ

গণনাট্য সংঘের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস (সংক্ষিপ্ত আকারে)  1943 সালের 25 শে মে বোম্বাই শহরে ভারতীয় গণনাট্য সংঘ বা Indian people's theatre association সংক্ষেপে IPTA প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে গঠিত ফ্যাসিবিরোধী লেখক সংঘ এবং প্রগতি লেখক সংঘের উত্তরাধিকারী এই সংগঠন।  1939 সালের বিশ্বযুদ্ধ, দেশের উত্তাল স্বাধীনতা সংগ্রাম, যুদ্ধ জনিত কারণে সৃষ্ট মন্বন্তর, বাংলার সংস্কৃতি জগতের দৈনতা ছিল এই সংগঠনের জন্মের পটভূমি। নবান্ন নাটকের প্রযোজনার মধ্য দিয়ে বাংলার নাট্যজগতে এসেছিল এক নতুন যুগ নতুন নতুন গান ,ছায়া নাটক, সংস্কৃতি জগতের এনেছিল আলোড়ন। মুলুক্ রাজ আনন্দ ,মনোরঞ্জন ভট্টাচর্য্য (মহর্ষি), হীরেন মুখোপাধ্যায়, বিনয় রায়, পৃথ্বীরাজ কাপুর, বলরাজ সাহানি, বিজন ভট্টাচার্য, শম্ভু মিত্র, সুধী প্রধান, রবি শংকর প্রমুখ ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।  1948 সালে আদর্শগত ও শিল্পগত বিরোধের কারণে শম্ভু মিত্র প্রমুখরা গণনাট্য সংঘ ছেড়ে প্রতিষ্ঠা করেন বহুরূপী। কলকাতায় কাজ করতে থাকে গণনাট্য সংঘের দক্ষিণ এবং মধ্য কলকাতার শাখা। 1953 - 54 সালের সাংগঠনিক কিছু সমস্যার জন্য দক্ষিণ কলকাতার শাখা ভেঙে যায়, তৈরি হয় প্রান্তিক এবং শৌভনিক। 1964 সালে প্রান্তিক পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সোসাইটি অ্যাক্ট অনুসারে রেজিস্ট্রি ভুক্ত হয় গণনাট্য প্রান্তিক নামে। ভীরু মুখোপাধ্যায় রচিত জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায় পরিচালিত রাহুমুক্ত যাত্রা, 20 শে জুন, নী...

Friday, 16 August 2019

বন্ধে মাতারাম মেরা হিন্দুস্তানের আজাদি কি সংগ্রাম, জঙ্গ জারি হ্যায়

বন্ধে মাতারাম আমার হিন্দুস্থানে স্বাধীনতা সংগ্রাম।

শ্যামল সোম

শস্য শ্যামলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুঁজে পাবে না তুমি
সারে জাঁহাসে আচ্ছা এ হিন্দুস্থান পেয়ারী দেশ আমারা,
উত্তরে মহান হিমালয় থেকে দক্ষিণে কন্যা কুমারী মাতা,
পশ্চিমে গোয়ায় প্রাচীন গির্জা, পূর্ব পাঁচ পাহাড়ী রাজকন্যা।
আমাদের জাতীয়তাবাদ ও রাষ্ট্র আদি ধর্মে ভ্রাতৃত্ব সম্প্রীতি
পাঁচ হাজার বছরের প্রাচীন স্থাপত্যকলা জীবাশ্ম সাক্ষাৎ
নিদর্শন ছড়িয়ে রয়েছে আমদের আনুগত্য প্রশিক্ষণের
প্রতীক প্রদীপ জ্বলছে অনির্বান দীপশিখা জ্বলছে লক্ষ লক্ষ
শহীদের স্মরণে জ্বলছে অমর জ্যাতি দিল্লি রাজপথে।
সকল দেশের রানী ভারত মাতা তৃ খণ্ডিত হয়েছে যুগে যুগে
ভারতবর্ষে বিদেশীদের হাতে আক্রান্ত লুণ্ঠিত  লাঞ্ছিত করে
শাসন শোষন নির্যাতন অত্যাচার লাঞ্ছনা প্রবঞ্চনা প্রতারণা
বাল্য বিবাহ সতী প্রথা,  জাত পাতের বিভৎসতা ধর্মীয় ধান্দা
এ দেশের সতীর্থ দরিদ্র মানুষের সাথে নিয়ে বিদেশী শাসকের
বিরুদ্ধে হাজার হাজার বছরের বহুবছর আগে চলছে সংগ্রাম।
লেখা আছে বাকি ইতিহাসের পাতায় স্বীকারোক্তি দীর্ঘশ্বাসের
অনুভূতি দেশ প্রেম ভালোবাসায় ভরিয়ে প্রাণ মন কেঁড়ে নেয়,
আজ ভারতবর্ষে এক জাতীয় পতাকা একটাই সংবিধান হাঁ
পড়শি দেশে সীমান্তে তাদের সৈন্য সমাবেশ করেছে যুদ্ধে লিপ্ত
বাধ্য হয়ে সীমান্তে সংঘর্ষে নিহত আহত হয়েছে দিন পরতিদিন,
সীমান্তে বিএসএফের সৈনিক, এখানে গ্রামে বসবাসকারী নিন্ম,
বর্গে অসহায় ভারতীয়দের উপরে বহিরাগত জঙ্গি হামলার রাতে
আশংকায় দুশ্চিন্তায় অত্যাচারের ভয়ে ভয়ে রয়েছে ভারতের ঐ
সীমান্তে বসবাসকারী মানুষের কোন জীবনের নিরাপত্তা নেই কি?
রাতে লুকিয়ে পাশের দেশ থেকে ভারাটে খুনিরা অর্থের বিনিময়ে
বারবার প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে হামলা করে বিস্কোরণ গুলি করে হত্যা
মুম্বাই হোটেলে, স্টেশানে  এখানে সেখানে, ভরতের পার্লামেন্ট ভবনে।  
ভারতবাসী গভীর অনিশ্চিত ভবিষ্যতের ষড়যন্ত এর মধ্যে আশঙ্কায়,
এখন এত বছর পর্যন্ত অপেক্ষায় রয়েছি আজ শপথ অঙ্গীকার।
ভারতবর্ষে সূর্যের আর এক নাম আমরা চলেছি সেই সূর্যের দেশে,
তখন বিখ্যাত সুরকার গেয়ে ওঠেন বন্দেমাতারাম ! মা তুঝে সালাম !