Friday, 2 December 2016

ভালোবাসে বুলাই আছি পড়ে

30 নভেম্বর2016

ভালোবাসে ধুলায় আছি পড়ে

শ্যামল সোম

সংসারের শক্ত বাঁধন খুলে বেড়িয়ে পড়েছি সূর্যোদ্বয়ের ভোরে সুদূর হিমালয়ের গহন গহীন অরণ্যের  মনের
ভিতরে ঘন্টার ধ্বনি শুনছি, চড়ৈ বতে চরৈ বতে  চলতে থাকো এগিয়ে চল, জীবনের যাত্রা পথে কতশত
মানুষে সংস্পর্শে সুখে দুখের পরস্পরের কাছে এসে কত রকম  অভিজ্ঞতাও  অর্জন করেছি।
করবী ( মেহেরুনেসা সিদ্দিকী ) আমাদের পরস্পরের প্রেম দীর্ঘ পাঁচ বছরে সোনালি স্বপ্নের নানা রঙের
কঠিন বাস্তবের খাঁচা রইলো, তুমি মুসলিম  আমি হিন্দু  সামাজিক সমস্যার সমাধানের জন্য  করবী আমি ফিরে
যাচ্ছি, চিরদিনের জন্য কখনই আর আমাদের দেখা হবে না, তুমি বলবে এতো পলায়ণ,
কীর্তন খোলা নদীর বহমান উজান স্রোতে কুলকুল ধ্বনি দুজনে ঘাসে শয্যায় শুনে পরস্পরের কাছে থেকে
শেষ বারের মতো আকাঙ্ক্ষিত জীবনের ব্যর্থতা গভীর  আলিঙ্গনে পরস্পর পরস্পরকে জড়িয়ে,করবী
তোমার চোখের জলের বন্যায় আমার কষ্ট মনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখে চাইছিলাম তোমাকে আদরে
আদরে চুম্বনে গোপন রহস্য  সন্ধানে সর্পিল পথে  উষ্ণ স্পর্শে মুহুর্তে জন্য তোমার মধ্যে ক্ষণিকের
তুমুল উন্মাদনায় ভেসে যাক আপাতত  শোক বিচ্ছেদের চরম হাহাকার, তোমার চোখে মুখে জ্বলে উঠল
যেন পূর্ণ  পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় উদ্ভাসিত, করবী  তুমি  আমার হৃদয়ের মরূদ্যানে প্রপাত সেই জলজ দেহে
গবগাহনে মুহুর্তের সুতৃপ্তি নিয়ে প্রেমে সুখানুভূতি দুজনে দুজনের পথে ঢাকা কাছেই মতিঝিলে আপন আলয়ে
আমি খন্ড হিমালয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে অলকানন্দার অববাহিকায় পর্বত  আরোহণে চাই উৎরাই 
পথে বারেবারেই করবী তোমাকে স্মৃতি পাতা থেকে প্রাণের  গভীর থেকে উৎখাত সমূলে নির্মূল করতে  আজও
কেন ? কেন? কেন কেন? পারি না কেন  তোমাকে ভুলতে, আজ তাই  করবী তোমাকে
ভালোবেসেই ধুলায়  আছি পড়ে।

ভালো মানুষ আজও আছে

ভালো মানুষ আজও  আছে

শ্যামল  সোম  বাঁশিওয়ালা

সব
মানুষ
খারাপ
নয়।
সবাই নয়
ভালো
বা
বদ !
ভালো
মানুষ 
আজও 
আছে
নহিলে
বিদেশী
বিধর্মী
আমি
হিন্দু
ধর্মের
এক বৃদ্ধ
তবু বহু
ভালো
দাদা
ভাই
বোন
জননী
নাতনি
তাঁদের
সঙ্গে
কোন
রক্তের
সম্পর্ক
নেই।
কিন্তু
অকপটে
স্বীকার
করছি,
নিকট
আত্মীয়
স্বজন
এত
ভালো
ব্যবহার
কোন
দিন
পাইনি।
বাংলাদেশে
আশৈশব
স্মৃতি
তাড়িত।
সবাইর
আপনাদের
সকলের
ব্যবহার
করেন,
আমি
কৃতজ্ঞ ।
প্রতি
বছর
আপনাদের
সহায়তায়,
কুষ্টিয়ায়
লালন
সাঁইজীর
বাউল
মেলায়
সীতাকুণ্ডতে
শিব রাত্রি
মেলায়
একুশে
ফেব্রুয়ারী
ভাষা
শহীদদের
স্মরণে
অনুষ্ঠানে
গিয়ে
থাকি।
এ সত্য
পঞ্চাশ
বছরের
অভিজ্ঞতার
নিরিখে
লিখছি
ভালো
মানুষ
আছে।
তাঁরা
যখন
পাগলের
মতো
আমাকে
ভালোবাসে
আদর যত্ন
করেন যা
আমাদের
হিন্দুদের
সংকোচ হয়
সাহস নেই।
লজ্জিত হই।
সত্যি সত্যিই
মোমিন
মানুষের
বলতে
নারীদের
কথাও
লিখছি।
যথাযোগ্য
সন্মান
শ্রদ্ধা
প্রাপ্য
অধিকার
স্বাধিকার
জন্য
বহু
পুরুষ
মানুষ
সোচ্চার
হন।
আমার
একান্ত
সকল
দেশের
রানী
বাংলাদেশ
প্রাকৃতিক
সৌন্দর্যে।
সত্তর
বছরের
অভিজ্ঞতার
উপরে
নির্ভর
করেই
লিখেছি,
আমার
গ্রন্থ এর
" ভালোবাসার খোঁজে
বাংলাদেশে,"
আমার
জন্ম
ময়মনসিংহে
ধর্ম
পালন
করি
যে
যার
মত।
কিন্তু
দুর্ভাগ্য
নিজের
প্রিয়
জন্মভূমি
শিকড়ের
টান এত
সহজে
কি ছেঁড়া
যায় ?
1945 সালে
আমার
জন্ম
থেকেই
পরবাসি।
কাউকেই
আঘাত
করার
জন্য
এই লেখা
নয়।
ক্ষমা
করবেন
যদি
কেউ
আঘাত
পান।
শুভ
সন্ধ্যা
আন্তরিক
শুভেচ্ছা
রইলো।

ময়মনসিংহ এর আমার এক পাগলী

ময়মনসিংহ এর আমার এক পাগলী   

( আমার বান্ধবী যিনি ছবি আঁকেন ও অসামান্য কবিতার লেখেন তাঁকে উৎসর্গিত  )

শ্যামল  সোম

তোকে যে হঠাৎ একদিন
ভাবে তোর বান্ধবীদের
সাথে প্রখ্যাত শিল্পী 
জায়নাল আবেদনের শিল্প
সংগ্রহ শালায়, কোলকাতা
থেকে  প্রাণের টানে
ছুটে এসেছি, বক্তৃতা দিতে
এ তো বাহানা তবু যখন
কোলকাতায় প্রস্তাব এলো,
উনিশো তেতাল্লিশের
দুর্ভিক্ষ প্রতিচ্ছবি চালচিত্র
যা আজও মানবিকতার
বাঙ্ময় পৃথিবীর বিভিন্ন
দেশের মিউজিয়ামে এমন
সভ্যতার কলঙ্কিত ইতিহাসের
বাস্তবায়ন দলিল খুঁজে
পাইনি, প্যারিসে ব্রিটিশ
মিউজিয়ামে বিখ্যাত শিল্প
সমালোচক  আমার সাথে
একাত্ম বোধ করেছেন।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস শিল্প 
সাহিত্য জনগনের বার্তাবহ
সে জন্য এই মহান শিল্পীর
প্রতি সম্মান শ্রদ্ধায় নতশির।
তাই " শিল্পী জয়নাল আবেদীন
শিল্পে বাঙ্ময় দুর্ভিক্ষ "
এই বিষয়ে আমার জ্ঞান
সীমিত সম্পদ শ্রদ্ধা বললাম।
বাংলাদেশে তখনও বঙ্গভঙ্গ 
আইন বাতিল ছিল।
হিন্দু আর মুসলমানদের
বাঙালীর প্রবল উচ্ছাস
বহে যেত গঙ্গা  পদ্মার
বহমান নদী ভালোবাসা বহে
নিয়ে যেত, আমার সচক্ষে
দেখা কি পরস্পরের প্রতি
বিশ্বাস,সৌহার্দ দাদুর সাথে
পরবর্তী কালে শৈশবের স্মৃতি!
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ 1939 সে শুরু
1943 সৈনিকদের খাদ্য
সরবরাহের জন্য কালোবাজারি
মজুমদারের সহযোগে
ইংরেজ সরকারের ঘৃণ্য
অপরাধে ষড়যন্ত্রে লক্ষ লক্ষ
মানুষের জীবন বিপন্ন জীবন
বিপর্যয়ের শিকারে হত্যা।
কানে আজও বাজে,
" মা মাগো ফ্যান দাও "
ঢাকা থেকে এসেছি
আমার ফেলে যাওয়া গ্রাম
ফুলপুর,  মুক্ত গাছার
জন্মভূমি প্রণাম করে, এলাম
আমার বন্ধুবর মুজতবা
গুনি মানুষের সাথে
এই মেঘনার
শাখা নদীরধার এ জয়নাল আবেদীন
সংগ্রহ শালায় প্রাঙ্গণে
মণির সাথে দেখা পাগলের
মত এ বৃদ্ধকে ভালোবাসে, দেখা
হতেই "  দাদু " বলে - ছুটে এসে
জড়িয়ে ধরতে গিয়ে থমকে যায়
ভালোবাসা ভরা মণির দুচোখ
এ টলটল করছে জল, চশমা
আড়ালে ঝাপসা হচ্ছে
আমারও দুচোখ,
মুজতবার মুখে মৃদু হাসি।
হাত বাড়িয়ে কাছে টেনে নিয়ে
নাতনীর মাথায় স্নেহের হাত ধরে
জানি তোর অভিমানের কথা
ঢাকার  শিল্প নিকেতন কলা ভবনে
প্রেক্ষাপট গৃহে মণি তোর সাথে
দেখা হতেও তুই কাছে আসতে
পারলি না ভীড়ে সাদা পোষাকে
পুলিশের অনাবশ্যক সন্দেহাতিতে।
এ পাগলী স্বপ্নের রাজকন্যা নাতনী
চোখেমুখে উচ্ছাসে প্রকাশ পাচ্ছে
আমার প্রতিবেদনে মণির মুগ্ধতা
কানে কাছে মুখ এনে বলে, " মুগ্ধ
আমি অনুপ্রাণিত দাদু আশীর্বাদ
করো যেন শিল্পে ও সাহিত্যে মানুষের
জনযুদ্ধ মানুষদের মানুষের জন্যে 
এক আমার অঙ্গীকার "
ভুপেন্দ্র হাজারিকার গান ভেসে
আসছে, মানুষ মানুষের জন্যে ---
একটু সহানুভূতি পেতে পারে না ।"

" তুই ফেলে এসেছিস মন মনরে আমার  " ঢাকা বিমান বন্দর
থেকে উড়ে বিমান কোলকাতার  উদ্দেশ্যে -- কি সেই ফেলে যাচ্ছি
আমার জন্মভূমি না ময়মনসিংহ  এর আমার বাল্যপ্রেম পাগলী ?

সই তুই ঈশ্বরকে ডাক

সই  তুই  ঈশ্বরকে  ডাক

শ্যামল সোম

ফুলের বাসর
ছেড়ে কাল রাতে
তোর দোসর
গেছে চলে--
সই ভালোবাসার
যাতনা
একা সহিবি
কেমন করে ?
এখন সবাই হাতে
হাত মিলিয়ে
কেমন হাতে হাতে
দিচ্ছে তালি।
পোড়ারমুখী
প্রেমে পড়ে তুই
সৈয়দ বংশের
নাম ডোবালি ?
হতভাগী !
গোপনে ভালোবেসে
ডুবে ডুবে
এত গিললী পানি ?
ঐ দেখ, আড়ালে
একা ঘরে অন্ধকারে
তোর কাঁদেন বসে নানী-।
যাও !
এবার তুমি -
গলায় কলষ বেঁধে
ঐ কাজরী দিঘির
পাড়ে যাও।
এই দুপুরে গাছের
ডালে পাতার ফাঁকে
কে ডাকে ?
বউ কথা কও !
হারিয়ে গেলো তোর
সেই আপনজন,
তাকে হলো না
আর পাওয়া--!
নদীর পাড়ে গাছ
গাছালি, দোতলায়
এই গাঁয়ের ঘর
সন দিয়ে ছাওয়া।
এক পলকেই হবে ছাই !
রাতে ঐ কুপীর আগুনটা
একবার কাছে পাই।
এখনও তুই মনের
ভেতর খুঁজিস কাকে ?
নাই ! নাই !
কেও কোথাও নাই।
নয়ন মেলে দেখ,
কালো এক যমের মতো
ঝুলছে ঐ লম্বা
ঘরের কড়িকাঠ--
আঁধার রাতে
শেয়ালের ডাক শোনা যায়--
বাড়ে বুকের কাঁপন-
দুরে শ্মশাণ ঘাট।
পরনের রঙিন
শাড়ী হাতে নিয়ে,
আনমনে সই এখনও
তুই স্বপ্ন দেখিস বসে ?
সাজানো পালকির
সাথে তোর দোসর
আবার বুঝি
দাঁড়িয়েছে দুয়ারে এসে ?
রাত পোহালো
এলো দিনের আলো-
এখন ফজরের
ঐ আযান ভেসে আসে।

কল্লোলিনী কোলকাতা

কল্লোলিনী  কোলকাতা প্রেমে

বৃদ্ধ প্রেমিক শ্যামল  সোম।

তুমি মেঘ বালিকা
কখন মন চাইলেই
চলে এসো খুব কাছাকাছি, 
আসতে
চোখে- রেখে চোখ
অপলক দৃষ্টি।
সুর্মা চোখে আলোয়
ভালো যদি লাগে,
কল্লোলিনী লাগা থেকে
শরীরে তোমার
ভালোবেসে রক্তে 
শিহরণ যদি জাগে।
হৃদয়ের গহীন
অরণ্যের বিথী কাননে
বহমান গঙ্গা নদীর ধারে
কখন দেখা হলে
তুমি  তিলোত্তমা
বাড়িতে দিও স্নিগ্ধ হাত
সে তোমার সুগন্ধ
হাতে থাকে যেন স্পর্শে 
সুপ্রসন্ন ভালোবেসে
তুমি সপ্রতিভ এসে।
সুপ্ত গভীর সে প্রেমের
কোলকাতা ভালো
বাসার খোঁজে ঘুরেছি
শ্যামবাজার থেকে
হালতু হেঁটে হেঁটে ছিঁড়ে
গেল চটি, হতাশা।
বাসার অভাবে পথের
ভিখারী ব্যর্থ প্রেমিক
আমার প্রিয়া আদরের
তুমি কোলকাতা।
চির স্মরণীয় লায়লা
মজনুর অমর প্রেম
না না রোমিও জুলিয়েট
বা শেষের কবিতার
লাবণ্য কিংবা  
বনলতা সেন,
সুচিত্রা সেন মত
আমার হৃদয়ে
আকাশে চাঁদের
ছবি হয়ে ঝুলছো।
ওগো আমি যে
তোমার সেই
চিরসাথী, জানি
কল্লোলিনী 
কোলকাতা
তিলোত্তমা 
একদিন হবে।
কোলকাতা স্নিগ্ধ
ভালোবাসা বাঙাল
কাঙাল আমি।
ভালোবাসার জন্য
হাজার বছর ধরে
হাঁটছি হাঁটছি পথে,
তিলোত্তমা
কোলকাতা
" বাড়িতে দাও
তোমার হাত "
হৃদয়ে এ হাত
ছুঁয়ে থাক রবীন্দ্র
সদনের রেলিং
ভিক্টোরিয়া 
মাঠে সবুজ ঘাসে
পাশাপাশি
বসিবার বহু
দিনের সাধ।

বোন যখন জননী

আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

বোন যখন জননী

শ্যামল  সোম

বোন তুমিই তো জননী
তোমাকে জানাই ক্ষোভ,

কবিতার প্রেমে 1958তে
পড়েছিলাম কৈশোরে প্রারম্ভে
যৌবনে কবিতার সাথে মোর
পথ চল বার্ধক্যে আজও এই
জরাগ্রস্ত দেহে কবিতাকে
ভালোবেসে বহাল শরীরে
স্ফূর্তিতে উৎফুল্ল  আনন্দে 
ছিলাম, হঠাৎই  আলোড়িত
মনে কাল মেঘের বজ্রপাত।
জননী তুমি ছাড়া কে আছে
আপন, তাই বলি বোন শোন
তোকে, তোমাকে আজ জানাই
আমার হৃদয়ের গোপন কথা
বোন কখন তো তুমি জননী
হও এই  বৃদ্ধ  দাদাভাইয়ের ।
তাই তোমাকেই  জানাই বোন
আমার মনের আক্ষেপ বার্তা।
মাগো, মা, কবি হওয়া আশা
আমার পূর্ণ হয়নি এখন আমার,
বাসনা, অমর কাব্যের আঙিনায়
কাব্যের পরাচীন অচীন গাছের
ছায়ায় কাব্যের দেবী তুমি দাঁড়িয়ে।
এ অভাগাকে আশীর্বাদ করো মা
মাগো শেষ লগ্নে  ক্ষণিকের  তরে
একটি কবিতা যেন লিখতে পারি।
বোন জননীর মনের মত একটি
সার্থক সর্বাঙ্গীণ, নান্দনিক, চর্চায়
কাব্যিক ছন্দে ধ্বনিত শব্দে শব্দে
চিত্রকল্পে  কবিতা লেখা হল না।
আমার লিখতে না পারার যন্ত্রণায়
অসহ্য বেদনায় গভীর অকুলতায়
মা মাগো একা একাই অতি গোপনে
নিঃশব্দে কাঁটাতারের এপারে শহর
কোলকাতার বিনিদ্র নির্জন রাতে
কাঁদি, আঁচলে মুছিয়ে দিতে কাছে
নেই  কেউ,জননী বহুদূরে আছো ভুলে।

তোমাদের শৈল্পিক মননশীল কাব্যিক
পরশ পাথর ছুঁইয়ে দাও একবার মাগো।

শ্যামল সোম

জনৈকার কাব্য পাঠে প্রাণিত প্রাণের কথা।

জননী বোনের প্রতি অর্ঘ্য নিবেদন

শ্যামল  সোম

হে  নারী তুমিই আমারে জননী হয়ে
আপন শরীরে করেছেন ধারণ পালন
নাড়ি কাটা শিশুর জন্ম লগ্ন  থেকেই
মাতৃ দুগ্ধ প্রাণে মমতায় তোমার কৃপায়
মানুষের প্রতি কালের গর্ভে উন্মেষ ঘটে
মানবতার ধর্মে দীক্ষিত করেছো জননী
মা তোমারই শেখানো গান, আজও গাই----
" সবারে বাসরে ভালো, নহিলে মনের
কালো ঘুজবে নারে," অমরত্ব প্রাপ্তির
তল্লাশে নাই মন, প্রতীক্ষিত লাল আবীরে
আকাশে ভালোবাসার রঙে রাঙা আকাশে
মুগ্ধ নয়নে বিমোহিত পৃথিবীর সৌন্দর্যের
প্রতিফলন  আলোড়িত মনে  এ লিখন।
আমার আন্তরিক প্রয়াসে বোন জননীদের
স্বাধিকারের সপক্ষে কবিতাই আমার অর্ঘ্য।
বৈশালী এ অর্ঘ্য কৃপা করে গ্রহণ ধন্য করো।