Friday, 10 March 2017

এখন বাসনার আশ

এখন বাসনার আশ

শ্যামল  সোম

নাভিশ্বাস উঠছে চুয়াত্তর জরাগ্রস্ত বৃদ্ধের মরণ নেই, তাই ছেলেরা মাদুরে মুড়ে ডায়মনড হারবারে মা গঙ্গার পারে
নিয়ে এসেছে অন্তজ্বলি শুভ যাত্রা  আয়োজন করেছে, আমার দুটো পা জলে ধরটি গঙ্গার পারে কলস ভরা তৃষ্ণার জল রেখে, এক বিশাল প্রদীপের  আলো জ্বালিয়ে লাইটারে সিগারেট ধরিয়ে আমার মুখের গুজে দিয়ে  দূরে চারদিকে আগুন
জ্বেলে, কোমড়ে গোজা সিন্দুকের চাবি ছিনিয়ে নিয়ে, বল হরিবল বলে সদল বলে ফিরে গেছে।
রাতের অন্ধকারে জ্বল জ্বল দৃষ্টিপাত  ঐ হায়না না বন্য শেয়াল শকুনের দল মাথার উড়ছে।
গঙ্গার জলে ভেসে আসছে নন্দিনী, বিপাশা স্বপ্নের প্রেমিকাদের সান্নিধ্য লাভের লালায়িত মন, রুমা, অরুনিমা, অদিতি
সুরঞ্জনা, নীলাঞ্জনা বিভোর মোহাচ্ছন্ন বিমোহিত মন প্রথম প্রেম সলজ্জ চোখে চোখ ঘণ উষ্ণ স্পর্শে আলিঙ্গন পরস্পরের তৃষ্ণার্ত ঠোঁট চুম্বনে রক্তাক্ত ঠোঁট ঘণ শিহরণে শিহরিত কল্পনায় এই দেহের দৈহিক শারিরীক ও মানসিক আনন্দের স্রোতে বহমান যৌনবতীদের শরীরের কাছে যাওয়ার লোভ সুতীব্র বাসনা আশা এখন এই মৃত্যুর পথে যাত্রা কালিন এ বৃদ্ধের
লালসা কী কোনদিন শেষ হবে না।
ঈশ্বরের নাম স্তব পাঠে মন নেই দোজখে নরকে পচে আগুনে পুড়ে মরার পর থেকে যায় এ অশালীন নগ্ন দেহের দেহজ প্রেমের তুমুল সহবাসে একাকীত্ব মাঝেই বিনিদ্র নির্জন এই গঙ্গার ঘাটে মৃত্যুর জন্য প্রতীক্ষিত পাঁঠার মত ফ্যালফ্যাল করে
চেয়ে আছি মৃত্যুর খাঁড়ার কোপে কখন  হবে এ প্রাণের বলিদান ?

আলোচনা সাহিত্যিকদের প্রকাশিত গ্রন্থ গুলি

সাহিত্যে  নারীর  সাফল্য  গ্রন্থ সম্পাদনা করেছেন বিখ্যাত   লেখিকা সাঈদা নাঈম

হঠাৎই সাঈদা এক সময়ের বন্ধুত্ব সম্পর্ক ছিল। তিনি ঢাকার  বাংলা একাডেমীর প্রাঙ্গণে লিটিল ম্যাগাজিন  আয়োজিত এক 
স্টল থেকে মৃদু হেসে কোন কিছু উপহার স্বরূপ  না লিখে, ঐ অসাধারণ প্রবন্ধ সংকলন গ্রন্থটি হাতে দিলেন।
বিনম্র ভাবে  আন্তরিক অভিনন্দন  ধন্যবাদ জানালাম।
কোলকাতার শহরে পৌঁছে গ্রন্থটি  পড়ার প্রাপ্ত  আপ্লুত হলাম  অসাধারণ সব বিগত দিনের  বহু সনামধন্যা খ্যাতিমান
লেখিকাদের সাহিত্যে  নারীদের যে অবদান  আছেতাপাঠক মহলে আবারো পরিচয় করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব পালন  করেছেন
সাঈদা নাঈম- - বাংলাদেশ নারী লেখক ( লেখিকা শুধুই লেখেনি ) সোসাইটির  উদ্যোগে আবার এই প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাতা
সম্পাদক,  সভাপতিত্ব কে  করছেন জানা নেই -- অপূর্ব সুন্দর ভূমিকার শেষে সাঈদা  লিখছেন-- আমরা গর্বের সাথে যেন বলতে পারি এ ( সাহিত্যের ) আলো  আমাদের। এ আলোয় আমরা পথ চলবো, দেখবো সুন্দর পৃথিবী।
সাঈদা  গরনথ টি উৎসর্গ করেছেন আটজন প্রবন্ধ কারের মা না মায়েদের তাঁদের মাতাদের নাম উল্লেখ করে কৃতজ্ঞ
ভাজন হয়েছেন সকল লেখিকাদের  ও আমিও অমূল্য সম্পদ দান স্বরুপ পেয়ে ধন্য হলাম অভিনন্দন শুভেচ্ছা জানাই ।
সূ | চি | ক্র | ম

নারী জাগরণে অগ্রদূত  বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন যাঁর নামে কোলকাতার বিশিষ্ট মানুষদের  পরিচালনায়
একটি নারী শিক্ষার বিদ্যালয় 1911 সালে 15 মার্চ  স্কুলটি রোকেয়া  বেগম সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল ভাগল পুরে
ব্যর্থ  হওয়ার  কোলকাতার শহরে আজও  সনমানে সাথে বিদ্যমান। রংপুরে রোকেয়া বিশ্ব বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত -- ঢাকাতে
ছাত্রীদের আবাসনের নাম রোকেয়া হল নামে  সুপরিচিত। লেখিকা -: আইরিন আক্তার পৃষ্ঠা সংখ্যা 11

নারী পথিকৃত  বেগম সুফিয়া কামাল ---:  লেখিকা--: নাসরিন  আক্তার পৃ: 16

একজন সংগ্রামী নারী : ড, নীলিমা ইব্রাহীম- -: লেখিকা লায়লা মুন্নি  পৃ :29
রোমেনা আফাজ : একজন নিভৃতস্বপ্ন চারিনী --: লেখিকা  ফেরদৌসী মাহমুদ পৃ: 40

সাহিত্যে সংগ্রামী একজননারী -- : রাবেয়া খাতুন- -:লেখিকা  আফরোজা রেখা পৃ: 47

স্বপ্নময় একজন নারী সাংবাদিক  নুরজাহান বেগম -: লেখিকা সাঈদা নাঈম  পৃ : 55

মৃত্তিকার কবি  কাজী রোজী : লেখিকা  --: সুলতানা শাহরিয়া পিউ  পৃ: 66

বাংলা সাহিত্যের অনির্বাণ  প্রদীপ:  ফরিদা হোসেন --: লেখিকা  কাওসার পারভীন  পৃ: 70

পরে ইচ্ছে রইল  আলোচনা  করার----: সাঈদা নাঈম মহাশয়ার  জন্য  উষ্ণ অভিনন্দন ও শতসহস্র
গোলাপ ফুলের শুভেচ্ছা ।

আপনাদেরকে আমার আন্তরিক  উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।
আজ গল্প নয় সত্যি এক নারীর সন্মান এর সাথে বেঁচে থাকার নিত্য
কঠিন পরিশ্রমের বিনিময়ে মেধা শক্তির জোরে ইতালিতে বসবাস
হৃদয়ের আকাশ নক্ষত্র মোহাবিষ্ট বিমোহিত মুগ্ধতা বাংলা ভাষা ও
বাংলাদেশে, সাংস্কৃতি, বাংলাদেশের মানুষের প্রতি বিশ্বাস প্রেম
জানা হলো আলাপ  চারিতায়, তাঁর লেখা নিয়ে কিছু কথা নিবেদন --:

নগ্ন মনে মমনে

লাভলী ইসলাম আমার ভীষণ পছন্দের কবি ও লেখিকার নাম যিনি সুদূর ইটালির এক শহরে বাস, কাজের চাপ দায়িত্ব পালনের পরের বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের প্রতি সম্মান, শেকড়ের টানে ভালোবেসেই কবি লাভলী প্রবাসে থেকেও
বাংলাদেশের বিভিন্ন ঋতু  বহমান নদীর ভাঙনের শব্দ স্রোতে  কবির মনের অভিব্যক্তি, আমার বিশ্বাস নারীদের ষষ্ঠ  
ইন্দ্রিয় থাকার কারণেই  তাঁরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে কাজে কর্মে সাফল্যে সাথে আমার ভীষণ পছন্দের লেখিকা  কবি
আছেন তাঁরা লাভলী মতনই  হেমন্তের ঘ্রাণ, শীতার্ত রাতে " নিখাদ ভালোবাসা " জীবনকে জড়িয়ে ধরে " দৃঢ় প্রত্যয় "
কিভাবে দীর্ঘ বহু বছর বিদেশে বসবাসের বাংলাদেশের জন্য মায়া মমতা আনুগত্য ভালোবাসার ঝর্ণা বহে যায় লাভলীর হৃদয়ে তাই লিখতে পারেন  " স্বাধীনতা তুমি কার " কবি লিখেছেন- --"  আমাদের মুক্তি নেই,  আছে যেন হাহাকার
স্বাধীনতা  তুমি আসলে কার ?  " স্বাধীনতা চাই -: আমি আরো একটা যুদ্ধ চাই- রক্ত ভেজা নয় --ভালোবাসায় মোড়ানো- - শান্তির পায়রা হাতে --  আমার মনে হলো পৃথিবীর সব দেশেই বিবেকের চেতনায় মানুষের মনে ইচ্ছা  শত শত শানতির প্রতীক স্বরূপ  পায়রা নির্মল নীল আকাশে উড়িয়ে দেয়ার জন্য আবেদন জানাই লাভলী ইসলাম এর ভাষায় -" শান্তির  বারতা যেন পাই "
" যাবো না আর  ফিরে -  তোমার বুকে ভাসবো আমি -- ঢেউয়ের  তালে তালে -- পরবাসী কবি তোমার কাব্যের পুষ্পে  পুষ্পে
বিমোহিত মুগ্ধ হলাম গো, বন্ধু আমার আদরের ছোট বোন অফুরন্ত স্নেহাশিস ও ভালোবাসা তোমার  শব্দ চয়ন নিখাদ ভালোবাসা নিও বোন
তোমাকে গ্রন্থ মেলাতে  পেয়ে খুবই  আনন্দিত  হয়েছিল এই বৃদ্ধ, কল্যান হোক সাহিত্যিক জীবন সার্থক হোক মঙল হোক।

যুগল পায়ে
বাতাস ওড়ে
কবি রেবেকা রহমান   ( আলোচনার ব্যর্থ  প্রয়াস আমার )

শ্যামল  সোম

আমার ভীষণ পছন্দের কবি মা বা মেয়ে কবি রেবেকা রহমান গ্রন্থ  উৎসর্গিত করেছেন শ্রদ্ধেয় শ্বশুর  ইব্রাহীম হোসেন।

কবির কবিতার কিছু লাইনের শব্দ চয়ন বাক্য বিন্যাস ভীষন রকম মুগ্ধ করেছে, " আমার কোনো দিনলিপি নেই আছে দূরত্ব
ভালোবেসে আমি দূরত্বকে  বিচ্ছেদ  বলি না -" কাব্যের সুষমায় নীলাভ ধোঁয়া, জীবনের দার্শনিক মূল্যায়ন ভালোবেসে আমি দূরত্ব-  বলি বিরহ --  আমি বলি মাইলফলক বলি পরবাহমান হিম-- কখন সে যেন গরল বিশ্বাস-  বলি, প্রেমে  বারবার  শিল্পিত  হওয়া .... কাব্যিক অপূর্ব মায়া জালে মনোযোগী পাঠক প্রাণিত প্রাণের কাব্য সুধা পান করার আনন্দ  উপভোগ করতে পারেন।
উড়াই আমার নষ্ট নিভৃত রুমাল মুঠো ভরে যায় শর্তবিহীন ঋণে -  রুমাল কি ব্যর্থ প্রেম  কারণ প্রবাদ বাক্য  আছে রুমাল
উপহার বিচ্ছেদ নিশ্চিত ভাবেই  জানি যৌবনে প্রারম্ভিক পর্বে  আমার এক প্রেমিকা ভালোবাসেই বাহারি রুমালে
সূচি শিল্প কোনে লিখেছিলেন --  শ্যাম ♡ নয়না সে স্মৃতি বহমান সময়ের স্রোতে- -"  বুকে পাতা অন্ধকারের  আকূল পাথার-
তার উপর দাঁড়িয়ে এক আশ্চর্যময়ী ( কবির সার্থকতা প্রমাণ পেলাম নিজের হৃদয়ের  কোঠরে নয়নার মুখ যিনি )
নিজ মুখে তুলে নিয়েছে রক্তরাগ" আমার  এই জীবনের  অস্তরাগে এ কাব্য পঠনে পাঠে শুধুই  শুনি নিজের দীর্ঘ নিঃশ্বাস।
কবি জননী তোমার সাফল্য কামনা করি।

Tuesday, 7 March 2017

আমার বোনের সাথে কথোপকথন

আমার বোনের সাথে কথোপকথন

শ্যামল সোম

আমার বোন শেফালী

দাদাভাই শ্যামল সোম

মহান আল্লাহ পাক উনার আশীর্বাদ প্রাপ্ত
আমার ভীষণ প্রিয় কবি বোন শেফালি
শেফালী  তোমাকে বোন পেয়ে ধন্য  আমি।
বোন যার সঙ্গে নেই  কোন রক্তের  সম্পর্ক
আমি ভারতের পশ্চিম বাংলার বোন
বাংলাদেশের আমরা পরস্পরে সুমধুর 
বাংলা ভাষা কথা বলি লেখালিখি করি।
দুই  বাংলার মানুষের আমরা ভালোবাসার
জীবন্ত প্রতীক স্বরূপ সবুজ লালের নিশান।
নেই ধর্মের বন্ধন, তবে দুজনেই ধর্মপরায়ণ।
বোনের অকৃপণ দাদাভাইয়ের প্রতি
মমতা স্নেহ ভালোবাসা যেন সে জননীর।
আমার আদরের ছোট বোনের কল্যাণ
হোক তোমার সার্থক হোক  সাহিত্যিক জীবন যাপন।

বোন শেফালি--: হ্যে গো দাদা, মদ্মা, মেঘনা, যমুনা বাংলা তোমার ঠিকানা।
এক জনমে ডাকলে ও দাদা ভরবে না মন ভরবে না।

মনের মানুষের সান্নিধ্যে                  ( বোন শেফালিকে নিয়ে লেখা )

শ্যামল  সোম

স্মরণে মমনে ও বোন তুই আছিস
লতার মতন আমাকে জড়িয়ে থাকিস,
বোন এই বোন তুই  এত ভালোবাসিস?
জানিস আমার মনে ভঙ্কর গভীরতর
আশঙ্কা,  সঙ্কোচ বোনদের জন্য সত্যি রে
কাঁদে মন, অথচ আমি এক কোলকাতার 
অথর্ব  এক বৃদ্ধ  বিদেশী, বিধর্মী, তোর
আমার রক্তের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই, দুই জন
দুই মায়ের পেটের শেফালি বোন, তবু তোর
সঙ্গে আজন্ম ভাই বোনের পবিত্র  এ কিসের
বন্ধন, মায়া না পাগলের প্রলাপ সংলাপ?
ছিন্ন মূল শরণার্থী জরাগ্রস্ত জরাজীর্ণ
দাদাভাইয়ের প্রতি তোর হৃদয়ে আকীর্ণ
এত ভালোবাসায় ভয়ে সন্ত্রস্ত উদ্বিগ্ন ভীত
কেন জানিস আমাদের  ভাই বোনের প্রীতি
ভালোবাসা যদি কেউ কটাক্ষ কটু মন্তব্য
করে আত্মহনন ছাড়া আমার তো কোন
পথ  থাকবে না বোন, মৃত্যু পথ যাত্রী শ্যামল
সোম দাদাভাইয়ের  উপরে অভিমান করলে,
এ তো জানো বোন কষ্টের বুক ফেটে নামে বন্যা।
আমার চোখের জল মুছিয়ে দেওয়ার কেউ
নেই , কোলকাতায় যে যার সে তার, অবশ্যই
কিছু ব্যতিক্রম  আছে আমার যারা একান্তই
আপন, বাংলাদেশে বোনেদের তোর মারফত
জানাই আজ  কোলকাতার শহরে ফিরে এসেও
ফেলে এসেছি মন, বিশ্বাস কর বোন সত্য সত্যিই
বোন তোমার ও তোমাদের জন্য  মন কেমন করে।

বোন শেফালি ---:

দাদা কাছে নেই তবু ও তোমার পাসে আছি গো
দাদা দেখো দেখো নয়ন খুলে,
সকালের রোদ তুমি, বিকেলের ছায়া,
গোধুলির রং তুমি, মেঘের মায়া।
ভোরের শিশির তুমি, তুমি জোস্নার আলো,
আমি চাই দাদা তুমি থাকো সব সময় ভালো।

বোন  শেফালি--:

শুভ সকাল দাদা
আয়রে সখি আয়রে তোরা তাড়া তাড়ি,
শ্যামল সোম দাদা এসেছে আজ তোদের যাই বলি।
বাংলাদেশে এসেছে দাদা একুশের বই মেলায়,
সেথায় কত গেনি, গুনি হাজার কবিদের খেলা।
মেলার ভেতর বইয়ের দোকান শত সারি সারি
পাঠকরা সব ছুটছে যেনো, মনে হয় রেল গাড়ি।
দাদা কি তুমি গেছো ভুলে আমাদের এই মুখ,
মনে পড়লে তোমার কথা কেঁপে ওঠে বুক।
সেই যে তোমার জলে ভরা স্নেহের নয়ন দু'টি
তোমার পেয়ে আমার প্রণাম হাজার শত কুঁঠি।

সুখের জন্য স্বপ্ন
                  দুখের জন্য হাসি
দিনের জন্য আলো
                         চাঁদের জন্য নিশি
মনের জন্য আশা
                 বোনের জন্য দাদার ভালবাসা।
"শুভ সকাল দাদা"

শ্যামল দাদাভাই ----:

আমার এক এক সময়ে
কান্না পায় এত ভালোবাসিস
আমাকে পাগলি তোর জন্যই
ফাল্গুনের কৃষ্ণচূড়ার ডাল ফুটে
উঠবে লালে লাল প্রেমের রঙ।
ক্লান্ত বাঁশিওয়ালা বট গাছের
তলায় প্রচন্ড ক্ষুধার্ত হয়ে শুয়ে
ছিলাম, হঠাৎই ডেকে এক পরী
অপূর্ব সুন্দরী  আর সুন্দর তাঁর
কন্ঠস্বর, ওগো ও বাঁশিওয়ালা
চোখ মুখ  দেখে  মনে হয় পেটে
কিছুই জোটে নি?
ইনি কে সাক্ষাৎ দেবী সুলভ
পবিত্র চোখ মুখের গড়ন অনেকটাই
একাত্তরের মুক্তি যুদ্ধে হারিয়ে অন্ধকারে
গিয়েছিল আয়েশের মতন মিষ্টি দেখতে।
ঘাসের শয্যা  থেকে উঠতে  সে মেয়ে
বাড়িয়ে দিল হাত সেই উষ্ণ হাতের স্পর্শ
মনে সে যেন কতদিনের সে পরিচিতা এ
বৃদ্ধ বাঁশিওয়ালার?
" কে তুমি গো?
" বোন তোমারই  শেফালি গো,
চিনতে পারছো না ?
দাদাভাই তুমি কত রোগা হয়ে গেছো, এসো
হাত ধরে হঠাৎই ঝাঁপিয়ে আসা বৃষ্টির  জলে
নিয়ে এলো ওর বাড়িতে পরম আদর যত্নে
বোনের কথা শুনছি ওর ছোট মেয়ে বেলা।
আশ্চর্য স্রষ্টার সৃষ্টি কাব্য গ্রন্থ  অসামান্য
লিখন শৈলী চিত্রকল্পে শব্দ যেন পুষ্প চয়নের
মতন কবিতা যেন শব্দমালা গেঁথেছে  অপূর্ব।
দাদাভাইয়ের স্নেহাশিস, ভালোবাসা নিও বোন।

বোন শেফালি---:
তোমার লিখার তুলনা হয় না গো দাদা,
তবে অনেক ভয় হয় মনের মাঝে তোমাকে না হারিয়ে ফেলি,
দাদা গো কথা দাও কখনো আমাদের ছেড়ে যাবেনা।

শ্যামল দাদাভাই- -:

বোন শেফালি আমার মন আজ ও খ্যাপা খুঁজে ফেরে

এ দেশে খুঁজে ফেরে খ্যাপা পরশ পাথর
" ও রে ও খ্যাপা    আদারে বাদারে দিনে
রাতে খুঁজিস কী তুই ?
খ্যাপা এক গাল হেসে বলে -" পরশ পাথর- "
শুনেই  তাজবব -" খ্যাপা  পরশ পাথর নিয়ে করবি কী "?
" ক্যানে মাইনষের গায়ে  ছোঁয়ায়  দেবো,
সব  সব সবাইর  সোনার মানুষ হয়ি যাবে।"

হাসতে থাকে খ্যাপা শ্যামল সোম ।

বোন শেফালি ---:

আরো আগে কেনো তোমায় পানি গো দাদা,
তোমার ভালোবাসা দেখে আমি চোখের পানি
ধরে রাখতে পারলাম না দাদা।
খুব ইচ্ছে করচ্ছে তোমায় এক নজর দেখি গো দাদা।

ঈশ্বরের সাথে সাক্ষাৎকার

ঈশ্বরের সাথে সাক্ষাৎকার

শ্যামল  সোম

গতকাল রাতে যথারীতি ঈশ্বর হাতে পায়েসের বাটি
হাতে শুভ্র  বসনে আলোকে উদ্ভাসিত বাতায়নে এলেন।
আমি নতজানু সাষ্টাঙ্গ এ প্রণাম ধুইয়ে দিলাম চন্দন মাটি
গোলা জলে, প্রাপ্ত ফাল্গুনের উত্তরীয় মুছিয়ে দিলেম
ঈশ্বর বসলেন আরাম  কেদারায় পায়ের কাছে বসে
পদ সেবা করছি, ঈশ্বরের আদেশে গাইছি, " প্রভু
আমার প্রিয়  আমার পরম ধন হে।
চির পথের সঙ্গী আমার  চিরজীবন হে।"
" জীবনে  যত পুজা হল না সারা
জানি  হে জানি তাও হয় নি হারা।"
"যে ধ্রুব পদ দিয়েছ বাঁধি বিশ্ব তানে
মিলাব তাই জীবন গানে।
গগনে তব বিমল নীল --- হৃদয়ে লব তাহারি মিল,
শান্তিময়ী গভীর বাণী নীরব প্রাণে।"
ঈশ্বর মৃদু  হেসে, " শ্যামল তোর কল্যান হোক! "
"প্রভু আজ পৃথিবীতেই শরণার্থীদের আত্মবিলাপ, আর্তনাদ
হাহাকার ক্রন্দন নারীদের প্রতিনিয়ত নির্যাতন অত্যাচার
অসহ্য হিংস্রতার শিকার, গণধর্ষণ শিশু পাচার চক্রে নারী ও
জড়িত থাকার অভিযোগ দায়ের হয়েছে ডাক্তারদের গ্রেফতার,
হে পিতা অসহায় কিশোরীদের প্রতি আপনার কোন দয়া নেই?
আপনার ঈশ্বরের অস্তিত্ব নিয়ে বহু মানুষ নাস্তিক, ঈশ্বরের
নামে দেশে দেশান্তরে আজও স্বদেশ বিদেশে মানুষে মধ্যেই
ভেদাভেদ হিংসাত্মক আক্রমণ এর কি কোন  প্রতিকার নেই ?"
ঈশ্বর ধ্যানমগ্ন হলেন, ধূপ ও ফুলের গন্ধে আমি ব্যাকুল  উদগ্রীব
ঈশ্বরের কাছেই একান্তে বসে শুনে ধন্য হবে আমার ক্ষুদ্র জীবণ।
ধীরে ধীরে ঈশ্বর চোখ মেললেন, আলোয় আলোকিত চারিদিক- - !
আকাশ বাণী ঘোষিত হলো, " হে মানব জাতি  চৈতন্য প্রাপ্ত  হও
পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত মানুষ তোমার সহোদর, নারীদের
সন্মান জননী জ্ঞানে শ্রদ্ধা করো শিশু আগামী প্রজন্ম রক্ষা করো,
হত্যা, যুদ্ধ,  বিস্ফোরণ, বিরুদ্ধেই  মানুষের প্রতি মানুষের প্রেম  একমাত্র
কর্তব্য হল, একবিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মানব অনিবার্য ধ্বংস রক্ষার্থে দায়িত্ব পালন করো।

Friday, 3 March 2017

একাকীত্ব মাঝেই একা

একাকীত্ব মাঝেই  একা

শ্যামল সোম

আমার সুদীর্ঘ বছরের বন্ধুবী  শ্রাবণী
বিবাহিত স্ত্রী অর্ধাঙ্গিনী আত্ম সঙ্গিনী।
প্রচন্ড ঝড় জলের রাতে অবিশ্রান্ত ঐ
বর্ষণ মুখরিত রিমঝিম বর্ষায় সদ্য সে
বিবাহিত জীবনে প্রারম্ভে সঘন বর্ষায়
" আজি ঝর ঝর মুখর বাদর  দিনে "
" আমার যে দিন ভেসে গেছে চোখের জলে"
" বাদলধারা  হল সারা বাজে বিলাই সুর"
" আমার দিন ফুরালো ব্যাকুল বাদল সাঁঝে"
পালঙ্কে শুভ্র শয্যায় শুয়ে আপ্রাণ চেষ্টা করছে
দীর্ঘ শ্বাস প্রশ্বাস ঘণ ঘণ মৃত্যুর করাঘাতে দূরে
সশব্দে প্রচন্ড আওয়াজে ভয়ার্ত ভীত সন্ত্রস্ত
উদ্বিগ্ন হওয়ায় শ্রাবণী আঁকড়ে ধরে শীর্ণ হাতে,
পরম যত্নে গত তিন দিনই ভোর থেকেই রাতে
পরম মমতায় মোহাচ্ছন্ন বিমোহিত মন প্রথম প্রেম
সলজ্জ চোখে চোখ শুভ দৃষ্টি আকর্ষণের রূপে মুগ্ধ
হই, ঐ দীঘল কালো চোখের আলো পড়তেই ভূমিকম্প
স্পন্দন আলোড়িত মন আজও  এই জরাজীর্ণ শ্রাবণীর
দেহটি আলিঙ্গনে থর থর করে কাঁপে প্রাণ, তির তির করে
কাঁপছে চোখের পাতা, শুষ্ক ঠোঁটে অপুষ্ট শব্দ " এত ভালোবাসা
সহ্য  হলো না সোম, ধন্য  আমি গত তিরিশটা তোমার প্রেমে- ---"
থেমে থেমে কথাও শেষে যায় থেমে আমাদের দুজনার চোখে
প্লাবন, ভরা মেঘনার জলে ভেসে যায় মন, শ্রাবণী মৃতদেহ
জানি না জড়িয়ে ছিলাম, মায়ের পায়ের কাছে উপুড়  ফুরিয়ে
কাঁদছে কিশোরী  উর্মি কনিষ্ঠ কন্যা, আমার ব্যক্তিগত শোক
সড়িয়ে রেখে,  " ঊর্মি তুই মা কাছে আয় মা !"
বোনের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রচন্ড  ঢেউয়ের মতন- ---
বৃক্ষের মত  দুহাতে জড়িয়ে শক্ত করে ধরি, ঝড় তান্ডব
ভয়ঙ্কর  ভয়ঙ্কর এক রাতেই তাঁর  ( শ্রাবণী আত্মা) যাত্রা
শুভ মুহূর্তে  ( শ্রাবণী পরম ভক্তিমতন - আধ্যাত্মিক উন্নতির
জন্য যথাসাধ্য সাধন ভজন পুজো পাঠ রাতে দিনে গৃহিণী
দায়িত্ব পালনে এর পর ছিল পথশিশুদের কল্যাণ সমিতির
সম্পাদিকা, দশ হাতে কাজের ক্ষমতা ঈশ্বরের বিশ্বাসী
ছিলেন তাই বুঝি মানুষের সেবা আর ঘরের ভিতর ও বাহিরে
অন্তরে অন্তরে মানুষের প্রতি প্রেম তাঁর আধ্যাত্মিক ও সামাজিক
জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলো মানবতা, কত ক্ষুদ্র  আমি
স্ত্রীর মৃত্যু  আর আমার একান্ত আপন দুই পুত্র ও এক ঐ ঊর্মি
শোকাচ্ছন্ন আমার  চেয়ে শতসহস্র গুন বেশী আজ ওরা মাতৃহারা।
মনে দূর হতে ভেসে রবীন্দ্রনাথের গান "আমার প্রাণের মাঝে সুধা
আছে চাও কি " " আছে দুঃখ  আছে মৃত্যু বিরহ দহন লাগে
তবুও  শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে  ---!"

একা একাই হেঁটে ফিরে যাই

একা একাই হেঁটে ফিরে যাই

শ্যামল   সোম 

বৃষ্টি গত চার বছর শান্তি নিকেতনে সঙ্গীত ভবনে
মোহরদির কণিকা ব্যানার্জি কাছে রবীন্দ্র সঙ্গীত
চর্চা, আমার পিসাত বোনে নন্দিনী বান্ধবী আলাপ
পরিচয় প্রেম, প্রেমে কি কখন কোন কিছু বাধা মানে?
প্রেমের সম্পর্ক গভীরে তোমাকেই সাথে করে নিয়ে যেতে
এসেছি বাহাত্তরে সনে এই ঢাকা শহরের ধানমন্ডির তখন
কি ঐ লেকের ধারে নিরবিচ্ছিন্ন আঁধারে প্রতীক্ষায়।
বৃষ্টি আমার বৃষ্টি-  সে রকমই  ছিল গভীর রাতে তুমি
সংসারের তুমি তোমার সকল বন্ধন ছিন্ন করে আমার
সাথেই কোলকাতায় যাবে তোমার পাসপোর্ট
আমাদের প্লেনের টিকেট সব ব্যবস্থা নেওয়ায়
জানো বৃষ্টি কদিন ধকল গেছে খুব, ক্লান্ত শরীর।
আমি তাকিয়ে আছি লেকের জলে টলটল করছে
পূর্ণিমার চাঁদ জ্যোৎস্নায় আলোকিত  আশপাশ।
মাথা ঝিম ঝিম - মাঝে মাঝেই ভ্রম হয়, ঐ বুঝি
আমার আদরের বৃষ্টি এলো, তোমার ভালোবাসার
চার বছর টানা, বছরে দু চার বার খবরের কাগজে
অফিসের নানান  কাজের অজুহাতে ঢাকাতে এসে
পাগলের মত তোমাকে নিয়ে বুড়ি গঙ্গায়, আড়িয়াল খাঁ
পাল তোলা নৌকায় দুজনে ভেসে যেতে যেতেই শুনি--
তোমার কন্ঠে, " সাঁঝের বেলায় পাখি সব ফেরে আপন কুলায়
সাথি হারা মন পাখি উড়ে উড়ে আকাশের গায়ে।"
পড়ন্ত বিকেলের  আলোয় তোমার সজল চোখে পানে
চাওয়া, আমি নিষ্পলক চোখে তাকিয়ে রয়েছি--
" কি দেখছো সোম ?
" ফাল্গুনে মধুমাসে বৃষ্টি তোমার ও দু চোখে আমার সর্বনাশ "
" বেশ আমি যদি সর্বনাশী- বিদায় - নৌকো থেকে ঝাঁপ দিলো বৃষ্টি
চমকে উঠেই ঝাঁপ দিলাম নদীর বহমান স্রোতে বৃষ্টিকে
টানতে টানতে - ছুড়ে দেওয়া লাইভ বোর্ড  আঁকড়ে ধরে অচৈতন্য
বৃষ্টির দেহটি উপুর শুইয়ে নানা ভাবে মুখে মুখ দিয়ে শ্বাস প্রশ্বাস
সচল হতে আমাকে জড়িয়ে হু হু করে কেঁদে উঠলো বৃষ্টি।
হঠাৎই খেয়াল হলো -  বৃষ্টির ছোট ভাই ফারুক সামনে দাঁড়ানো !
সিগারেট  জ্বালিয়ে লাইটারের আলোয় পড়লাম,বৃষ্টির শেষ চিঠি
" আমাকে ক্ষমা করো সোম"
" শ্যামল দা আপনি এক সপ্তাহ  দেরী করে এসেছেন, "
স্তিমিত মন দেখে চিঠির তারিখ পয়লা ফাল্গুন উনশো বাহাত্তর
" আজ ?" ফারুক উত্তর দেয়, " দশই ফাল্গুন," "পয়লা ফাল্গুনে
আপনার আসার কথা ছিলো, " দিদির আত্মহত্যার জন্য দায়ী,
আপনি চলে  যান! অঘটন ঘটে যাবে পুলিশ খুঁজছে, পালিয়ে যান ! দ্রুত
আপনি কাপুরুষ!  খুন করতে ইচ্ছে হচ্ছে ! আপনাকে চলে যান --
আপনাকে দিদি ভীষণ ভীষণ ভালোবাসতো শ্যামল দা----!"
ফারুক অঝরে কাঁদছে --- আমি মূক ও বধির বিমূঢ় হতবাক জ্বালা করছে চোখ।

লায়লা আমার বোন মেঘনা


লায়লার কাছে শুনে লেখা
ইনিয় বিনিয়ে লেখার জন্য
লেখা শুধুই লেখা নয়।

লায়লা  আমার বোন মেঘনা

শ্যামল  সোম

আমার প্রিয় মেঘনা নদীর বহমান উজান স্রোতে
ভাটিয়ালি গান গেয়ে নৌকা বাইয়াহাল ধইরা গায়, 
" আমায় ভাসাইলি রে, আমায়  ডুবাইলি রে, আকুল 
দোরিয়ায় কুল পাই নে, কন্যা তোর মন পাই নে- --"
দাদুর ভীষণ আদরের নাতনি লায়লা শৈশবে তার ছোট
হাতে ধরে রয়েছে গ্রামের মানুষের শ্রদ্ধা ভাজন বিত্তবান
ব্যক্তিত্ব বাহিরে কঠোর লায়লা তাঁরই নামকরণে আমোদে
আহ্লাদে নূপুর পড়া পায়ে টলমল টালমাটাল দৌড়ে এসে
ঝাঁপিয়ে পড়তো লাল পরী লায়লা,দাদুভাই ঝট করেওরে
কোলে তুলে আদরে আদরে অস্থির, টোল পড়া গালে
চুমা- - খিলখিল করে হাসতো, ঘোমটার আড়াল থেকে আম্মু
দাদির কাছে অনুযোগ করতেন, " আম্মু জান ডর লাগে
মেইয়ে মাইনষের জেবন পদ্মা পাতায় শিশির কখন কি
হবে এত আমোদ আহ্লাদ শেষে সাদি  হলি শ্বশুর বাড়ি
গিয়া লায়লা এত প্রশ্রয় আহ্লাদিত জেবন কেউ পায় না।
সেই প্রলয়ের রাতে আষাঢ়ে ঘণ বর্ষায় দাদু দিদার মাঝে
বুকের কাছে পালঙ্কে শুইয়ে স্বপন দেখে মেয়ে দশ বছরের
লায়লা মজনুর অমর প্রেম কাহিনী সখী নিভৃতে শুনিয়েছে।
মজনুর যেন এসে ডাকছে,প্রবল ঝরে পাকা গাঁথুনি টিনের
হুড়মুড় কইরে ভাঙছে গাছের ডাল, মজবুত করে উঁচু উপারে
বিশাল বাড়ি মাত্র তিনটি প্রাণী সম্পদ শালী বিত্তবান মেঘনা
নদী  আজ প্রবল রোশে ভয়ঙ্করী সাংঘাতিক প্রতিহিংসা
চরিতার্থ করার জন্য নারী যে কি প্রচন্ড বাঘিনী হিংস্র হয়।
মেঘনা নদীর কুল ভাঙছে গ্রাস করছে দুকুল এর জমীন
দাদির বুকে থরথর কাঁপছে লায়লা, মেঝেতে  নামায পাটি
বিছায়ে  মুনাজাত  আয়ত সূরা -- আযান মহান আল্লাহ পাক
উনার স্মরণাগত হয়ে দাদি তসবির মালা জব করছেন।
বহু দূর থেকে ফজরের  আযান ভেসে আসছে, সূর্যোদ্বয়ের
রাঙা আকাশে তাকিয়ে আছে লায়লা  নারীর মতন শান্ত
স্নিগ্ধ মাধুর্যে অপরূপ সৌন্দর্য প্রকৃতি এই প্রকৃতির তান্ডব
ভয়ঙ্কর প্রলয়ের রূপ ধ্বংসাবশেষ দেখে দাদাভাইয়ের সাথে,
কাঁদতে কাঁদতে পিছন ফিরে ছুটছে যেন অশুভ শক্তি তেড়ে আসছে।