Wednesday, 16 November 2016

আদরের ছোট বোনের জন্য

আমার আদরের নাতনীকে
ভালোবেসে উৎসর্গিত  এ কবিতা।

ভালবেসে নীল কন্ঠ  আজ

বাঁশিওয়ালা

ভালোবাসা
দুরন্ত ঝড়ের মতন
ভালোবাসার নদী
পদ্মার  তুফান
দুই কূল পারিবারিক
এওর জীবন
সামাজিক,
ধার্মিক পারস্পরিক
কলোহ বিদ্বেষ 
অন্তরদ্বন্দ নির্মাণ
এত প্রতিকূলতা
মাঝেও প্রেমের
বন্যার স্রোতে পাইলে
এসে পাগলি
তুই  নেত্রকোন
থেকে ঢাকা হয়ে এই
লন্ডনের হিথরো
বিশাল বিমান বন্দরে
নির্দৃষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট
লাউঞ্জে দাঁড়িয়েছি,
দূর নক্ষত্রের ক্ষীণ
আলো প্রকাশে মন
প্রাণ  উৎফুল্ল তোকে
দেখেই এ কম্পন।
আমার কাছে
বিমানে উড়ে  আসার
ক্লান্ত শরীর মনে
চাপা ক্ষোভ জেট ল্যাগ।
তোকে বিমর্ষ বিষন্ন
ক্রন্দন রক্তচোখে এ
শুষ্ক মলিনতা, নত মুখ,
ট্রলি ঠেলে আসছিস
এগিয়ে উৎসুক চোখে
খুঁজছিল আমাকে
ভয়ার্ত কালো হরিণীর
চোখেচোখ পড়তেই
ভূমিকম্প স্পন্দন
আলোড়িত দুজনার মন।
কাছেই এসেই গভীর 
আলিঙ্গন পরস্পরে
দু জনের চোখ হতেই
অবিশ্রান্ত  জল প্রপাত।
আক্রান্ত  ভালোবাসায়
সিক্ত আমার হৃদয়।
" তুমি সত্যিই  এতো ভালোবাসা ?
" মৃদু হাস্য
মুখে," ওরে  পাগলী 
ভালোবাসা নিত্তি মেপে,
প্রেমের মুহূর্তে মাহাত্ম্য 
অত কী হিসেব কষে হয় ?
জীবনে হঠাৎই  যখন
পাগলের মত 
আসে এক্কেবারে
সমুদ্রের ঢেউয়ে ভাসায়।
সমুদ্রের ঢেউ প্রচন্ড
বেগে তেড়ে এসে আবর্তিত
ঢেউয়ে ঘূর্ণাবর্তে উঠেছিল বিষ,
" আমি জেনে শুনে বিষ
করেছি পাণ প্রাণের
আশা ছেড়ে
সে ভালোবাসার বিষ করেছি পাণ।"
পাগলী স্বপ্নের রাজকন্যা
নীল পরী চলন্ত গাড়িতে
আগুন ঊষসী উষ্ণ দেহ
স্পর্শ, আলিঙ্গনে কামার্ত
পাগলীর উত্তপ্ত  আগ্রাসী
চুম্বনের সমৃদ্ধ  অতীতের
সে  স্মৃতি পঞ্চাশ বছরের
পরও এ চলচ্চিত্রায়ান।

মাফ করবেন আমায়

বাঁশিওয়ালা

কেন এমন হয়
জানি এ অন্যায়
অনুচিত উন্মাদনা
মনের কোনে কেন
ঐ চোখে রেখেছি
চোখ, পিছু ফিরে
তাকিয়েই মুহূর্ত
মনে মনে হয়েছিল
খুব চেনা চেনা
শুধুই অচেনা মতন
তাকিয়েই পলকেই
ফিরেই গিয়েছিলে
আকাশে গোধূলির
রঙে রঙে রাঙিয়ে
দিয়েছিল পঞ্চাশ
বছর আগের মন।

আজও আমার হৃদয় প্রেমের  অপেক্ষায়

শ্যামল  সোম

লাবণ্য  তোমার প্রেমের গান শুনে
প্রেমে পড়েছিলাম পঞ্চাশ বছর আগে,
আজন্ম প্রেমিক আমি, আমার আগ্রাসী
প্রেমে সমূলে নির্মূল করতে চেয়েছিলাম
সামাজিক বন্ধন ছিন্ন করে পালাতে চাইলে,
তুমি কান্নায়  ভেঙে জড়িয়ে ধরেছিলে- -,
মাফ চাইলে সামাজিক পারিবারিক
সমস্যার সমাধানের চলে গেলে চিরতরে।
চুয়াত্তর বছরেও তোমাদের প্রেমের অপেক্ষায়।
নয়নে নয়নে আপন মনে যে চোখের  ভাষায়
প্রেমের বহিঃপ্রকাশ হবে, সে মেঘবালিকার
প্রতীক্ষায় রইলাম মৃত্যুর পরশের পূর্ব পর্যন্ত।
পেমের পূণবাসন পূর্বাভাস নাই বা হলো একত্র
বসবাস, নয়নে নয়নে প্রেমের স্পর্শে শিহরণ
জাগে তোমার কাব্যিক শব্দের তীক্ষ্ণ বাক্য বাণে।

তুমিই আমার কবিতা

বাঁশিওয়ালা শ্যামল সোম

শতসহস্র গোলাপ
ফুলের ভালোবাসায়
ভরিয়ে দিলেম
তোমাদের সকলেরই হৃদয়।
তুমিই আমার কবিতা
অসামান্য লিখন শৈলীর
জন্য মুগ্ধ হলাম
অভিনন্দন জানাই।
বুকভরা প্রেমে পাহাড়
শ্যামল  সোম
আমিও পাহাড়ের মত
বুকের গভীরে লুকিয়ে
রেখেছিলাম তোমাকে
অনেক আদরের,
তুমি ঝর্ণা ঝর ঝর ঝরলে,
পাহাড়ের ঢাল বেয়ে অশ্রু
ঝর্ণা বর্ষণে নদী হলে নারী।
ঠিক বলেছ তুমি আমার কবিতা
প্রেমের সম্পর্ক বোধহীন
যারা তাঁরাই স্বাধীন আজ
ছন্নছাড়া ভাগ্য হীন।
অসামান্য  লিখেছেন।
" মন কেড়ে নিয়ে পাগলী
পালালি,যে যাওয়ার
প্রেমের বাঁধন
ছিড়ে চলে যায়।
জীবনানন্দ দাশের লেখা,
সুচেতনা ঐ খানে যেও নাকো তুমি
ঐ যুবকের সাথে।অভিনন্দন রইল।

এক বনলতা সেন এর খোঁজে আছি।

ভালোবাসা চাই

বাঁশিওয়ালা

মানুষ, মানসীর ভালোবাসার খোঁজে
গ্রামে গঞ্জে বন্দরে শহরের পথে পথে
প্রান্তরে, কখন ঐ গ্রীষ্মের উত্তপ্ত দাহে
রাতে বর্ষণ মুখরিত রিমঝিম ঘণ বর্ষায়,
শরৎ এ নীলাকাশে শ্বেতমেঘের ভেলায়।
হেমন্তের ঘ্রাণ ভেসে আসে এঘাসে শয্যায়,
জীর্ণ বিবর্ণ পাতা ঝরে যাওয়া শীতার্ত রাতে।
ঘুম নেই চোখে, পলকে তাকে দেখে প্রেমে
ব্যর্থ হয়ে, পঞ্চাশ বছর আগে ভালোবেসে
জীবনের সখ আহ্লাদ কর্ণফুলীতে  স্রোতে
বহমান নদীর ভাঙন প্রতিরোধ ভালোবাসার
খোঁজে ফেরারী মন তোমাকেই চায়, এ অন্যায়?

আমার আদরের নাতনীকে
ভালোবেসে উৎসর্গিত  এ কবিতা।

ভালবেসে নীল কন্ঠ  আজ

বাঁশিওয়ালা

ভালোবাসা
দুরন্ত ঝড়ের মতন
ভালোবাসার নদী
পদ্মার  তুফান
দুই কূল পারিবারিক
এওর জীবন
সামাজিক,
ধার্মিক পারস্পরিক
কলোহ বিদ্বেষ 
অন্তরদ্বন্দ নির্মাণ
এত প্রতিকূলতা
মাঝেও প্রেমের
বন্যার স্রোতে পাইলে
এসে পাগলি
তুই  নেত্রকোন
থেকে ঢাকা হয়ে এই
লন্ডনের হিথরো
বিশাল বিমান বন্দরে
নির্দৃষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট
লাউঞ্জে দাঁড়িয়েছি,
দূর নক্ষত্রের ক্ষীণ
আলো প্রকাশে মন
প্রাণ  উৎফুল্ল তোকে
দেখেই এ কম্পন।
আমার কাছে
বিমানে উড়ে  আসার
ক্লান্ত শরীর মনে
চাপা ক্ষোভ জেট ল্যাগ।
তোকে বিমর্ষ বিষন্ন
ক্রন্দন রক্তচোখে এ
শুষ্ক মলিনতা, নত মুখ,
ট্রলি ঠেলে আসছিস
এগিয়ে উৎসুক চোখে
খুঁজছিল আমাকে
ভয়ার্ত কালো হরিণীর
চোখেচোখ পড়তেই
ভূমিকম্প স্পন্দন
আলোড়িত দুজনার মন।
কাছেই এসেই গভীর 
আলিঙ্গন পরস্পরে
দু জনের চোখ হতেই
অবিশ্রান্ত  জল প্রপাত।
আক্রান্ত  ভালোবাসায়
সিক্ত আমার হৃদয়।
" তুমি সত্যিই  এতো ভালোবাসা ?
" মৃদু হাস্য
মুখে," ওরে  পাগলী 
ভালোবাসা নিত্তি মেপে,
প্রেমের মুহূর্তে মাহাত্ম্য  
অত কী হিসেব কষে হয় ?
জীবনে হঠাৎই  যখন
পাগলের মত 
আসে এক্কেবারে
সমুদ্রের ঢেউয়ে ভাসায়।
সমুদ্রের ঢেউ প্রচন্ড
বেগে তেড়ে এসে আবর্তিত
ঢেউয়ে ঘূর্ণাবর্তে উঠেছিল বিষ,
" আমি জেনে শুনে বিষ
করেছি পাণ প্রাণের
আশা ছেড়ে 
সে ভালোবাসার বিষ করেছি পাণ।"
পাগলী স্বপ্নের রাজকন্যা
নীল পরী চলন্ত গাড়িতে
আগুন ঊষসী উষ্ণ দেহ
স্পর্শ, আলিঙ্গনে কামার্ত
পাগলীর উত্তপ্ত  আগ্রাসী
চুম্বনের সমৃদ্ধ  অতীতের
সে  স্মৃতি পঞ্চাশ বছরের
পরও এ চলচ্চিত্রায়ান।

চিরসাথী চন্দ্রানী

গত কাল সারারাত শাহাবাগে
কাছেই  উদ্যানে উলঙ্গ শব হয়ে
শুয়েছিলাম হীম ঝরা নরম ঘাসে।
নিরবিচ্ছিন্ন  আলোকিত জ্যোৎস্না
আকাশে খুব কাছে ছিল রূপসী চাঁদ
আচ্ছন্ন অস্থির হৃদয়ের গোপন ফাঁদ।
পূর্ণিমায় যুবতী রূপসা নদীর জোয়ারে
নগ্ন দেহে অনন্ত কামনার বাসনা জাগে ?
বিশাল চাঁদের আলোয় আলোকিত
উদ্বেলিত শৃঙ্খলিত হৃদয় কাছে চায়
তোমায়, উদ্ভ্রান্ত পরিশ্রান্ত পরিব্রাজক মন
তোমার কোলে মাথা রেখে ক্ষণিকের
বিশ্রাম নেওয়ার প্রবল আগ্রহী  হই কেন
এই শেষ বিদায়ের বিষন্ন গোধূলি বেলায় ?

তোমার একান্তই  আপন
বাঁশিওয়ালা
আমার ভীষণ পছন্দের
এক কবির প্রতি উৎসর্গিত

তুমিই আমার কাব্য দেবী

বাঁশিওয়ালা

তুমিই  মনের মানুষ
আমার এ মনেই
রয়েছো, তোমাকে
নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে
আমার যথা সর্বস্ব,
নিঃশেষ নির্বিচারে
দেওয়া জন্য তীর্থের
কাক হয়ে তোমার
বাগানে শ্বেত করবী
গাছের ডালে অনন্ত
কাল আছি, তোমার
অপেক্ষায় বহুকাল।
কাঙ্খিত সে প্রেমের
যে ভালোবাসায়
বন্যায় ভাসিয়ে
নিয়ে যাবে কল্পলোকে।
অসামান্য তোমার
কাব্যের স্বপ্নের
সীমানায়।

সমুদ্রের  সৈকতে

শ্যামল  সোম

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে
পঞ্চাশ আগে বসেছিলাম 
এই বালুকা বেলায়,
তোর সাথে ফেলে আসা
যৌবনে বড় সাধ ছিল রে
মায়াবতী তোর  সাথে,সমুদ্রে
ঢেউয়ের উপরে চোড়ে, তোকে
বুকের করে সাঁতার কাটার
পর স্নান করবো, অপেক্ষায়
মায়া তোর সাথে, প্রতীক্ষিত
আমি, পঞ্চাশ বছর হতাশায়,
হায় ! কিনতু তুই আজও এলিনা রে ।

No comments:

Post a Comment